
আইভরি কোস্ট আজ রাত ২টায় জার্মানির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তবে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সময় টরন্টোর স্থানীয় কোনো ফুটবলভক্ত যদি হঠাৎ চারপাশ তাকিয়ে ভাবেন, ‘আরে, আমি ভুল করে অন্য কোথাও চলে এলাম নাকি!’ এতে আবার খুব একটা দোষ তাঁকে দেওয়া যাবে না! কারণ, মেগা টুর্নামেন্টের মহাযজ্ঞে টরন্টোর বিখ্যাত লেকপারের চিরচেনা বিএমও ফিল্ড রাতারাতি তার চেনা রূপ হারিয়ে ফেলেছে। ফিফার নিয়মের বেড়াজালে স্টেডিয়ামটির করপোরেট নাম ও লোগো এমনভাবে উধাও করা হয়েছে, যেন তার কোনো অস্তিত্বই ছিল না!

মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) সফল দল টরন্টো এফসি এবং সিএফএলের টরন্টো অ্যারগোনেটসের এই ঘরের মাঠ স্থানীয়দের কাছে বিএমও ফিল্ড নামে পরিচিত। কিন্তু ফিফা বিশ্বকাপের নিয়ম বড় কড়া! যেহেতু ব্যাংক অব মন্ট্রিয়ল বা বিএমও ফিফার অফিশিয়াল স্পনসর নয়, তাই শতকোটি ডলারের স্পনসরশিপ চুক্তির বাজারে ফিফা একফোঁটাও ‘ফ্রি বিজ্ঞাপন’ সহ্য করবে না। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে! স্টেডিয়ামের মূল প্রবেশদ্বারের করপোরেট নাম ঢেকে দেওয়া হয়েছে সাদাসিধে সাদা চাদর বা ত্রিপল দিয়ে। দক্ষিণ স্ট্যান্ডের বড় লোগোটি নামিয়ে সেখানে জ্বলজ্বল করছে ফিফার নিজস্ব লোগো। এমনকি টরন্টো এফসি ভক্তদের গ্যালারির তিন সেকশন জুড়ে লাল আসনের ওপর যে বড় অক্ষরে বিএমও লেখা ছিল, সেই আসনগুলোই রাতারাতি বদলে ফেলা হয়েছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কনসেশন স্ট্যান্ডের সাধারণ সস বা কেচাপ-মাস্টার্ড ডিসপেন্সারের গায়ের ছোট লোগোটিও কালো টেপ মেরে লুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ফিফার এই বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডিং নীতি শুধু টরন্টোতেই সীমাবদ্ধ নয়, এই পুরো পাগলামির মধ্যে শুধু শান্তিতে আছে ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস। যেহেতু এটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান নয় এবং এটি ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশকে নির্দেশ করে, তাই ফিফা এর নাম বা লোগো—কোনোটিই স্পর্শ করেনি।
২০০৭ সালে এমএলএসে যোগ দিয়ে ২০১৭ সালে ঐতিহাসিক ট্রেল জেতা টরন্টো এফসির এই মাঠের ধারণক্ষমতা সাধারণত ৩০ হাজারের কিছু বেশি। তবে বিশ্বকাপের জন্য অস্থায়ী আসন বাড়িয়ে একে ৪৫ হাজার করা হয়েছে। জার্মানি বনাম আইভরি কোস্টের মতো ম্যাচে খেলোয়াড়েরা যেমন মাঠে উত্তাপ ছড়াবেন, তেমনি গ্যালারিতে ‘রেড প্যাচ বয়েজ’-এর মতো ডেডিকেটেড সমর্থক গোষ্ঠী এবং সাধারণ দর্শকেরাও মেতে উঠবেন। তবে মাঠের বাইরে ও ভেতরে করপোরেট লোগো লুকানোর এই অদৃশ্য লড়াইয়ের আমেজও কিন্তু এই বিশ্বকাপের এক অনন্য ও মজার অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

আমেরিকার অন্য স্টেডিয়ামগুলোতে এটি আরও অদ্ভুত ও মজার রূপ নিয়েছে।
সান ফ্রান্সিসকো স্টেডিয়াম: এখানে মূল স্পনসর লিভাইসের লোগোটি সাদা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেয় ফিফা। এই সুযোগে জিনস ব্র্যান্ডটি উল্টো মজা করে তাদের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামের প্রোফাইল ছবি বদলে সেই সাদা ত্রিপলের আকৃতি দিয়ে দেয় এবং ক্যাপশন লেখে, ‘ওয়েলকাম টু দ্য ওয়ার্ল্ড অব দ্য বিউটিফুল স্টেডিয়াম’।
আর্লিংটন: স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনের ওপর থাকা এটিঅ্যান্ডটি লোগো এবং চারপাশের অজস্র পেপসি লোগো ফিফার ব্যানার দিয়ে পুরোপুরি ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
বোস্টন স্টেডিয়াম: এখানকার ভলান্টিয়ারদের জন্য কাজটা ছিল বেশ খাটুনির। স্টেডিয়ামের ৬৪ হাজার ১৪৬টি আসনের প্রতিটির নম্বর প্লেটে খোদাই করা ছিল জিলেট ব্র্যান্ডের নাম। বেচারা ভলান্টিয়ারদের প্রতিটি আসনের সেই নামের ওপর আলাদা করে টেপ মারতে হয়েছে, যাতে সেগুলো দেখা না যায়!
সূত্র: টরন্টো সান, ক্যাম্প কানাডা

বিশ্বের দীর্ঘতম আকাশপথের বিরতিহীন ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলীয় বিমান সংস্থা কান্টাস এয়ারওয়েজ। আগামী বছরের (২০২৭ সাল) অক্টোবর থেকে সিডনি ও লন্ডনের মধ্যে চালু হবে এই ফ্লাইট। সিডনি-লন্ডন রুটের পর সিডনি থেকে নিউইয়র্কেও এই বিরতিহীন ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে কান্টাসের।
৫ ঘণ্টা আগে
ঈদের পর থেকে অনেক তো মাংসের তৈরি নানান খাবার খাওয়া হলো। এবার মাছে ফেরা যাক। বাড়িতে সরপুঁটি মাছ থাকলে সহজেই এক মজার পদ তৈরি করে নিতে পারেন। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবল এমনই একটি আয়োজন, যা বিশ্বের সব প্রান্তেই উৎসবের আমেজ তৈরি করে দেয়। ফুটবলপ্রেমীরা তো বটেই, এর বাইরেও অনেক মানুষ টিভির সামনে বসে যায় ৯০ মিনিটের এই খেলা দেখার জন্য। এবারের বিশ্বকাপের খেলাগুলো কোনোটা হচ্ছে রাত ১০টায়, কোনোটা রাত ১টায়, কোনোটা আবার ভোর ৪টায়।
১০ ঘণ্টা আগে
চুল নিয়ে কত কবিতা, কত গান, কত উপাখ্যান! সুন্দর, ঘন ও লম্বা চুল সবাই চায়। কিন্তু অনেকেই অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের পর চুল আর বড় হতে চায় না। আবার অনেকের দুশ্চিন্তা, মাথার কোনো কোনো অংশে চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। চুল কেন বাড়ে না, কখন এর বৃদ্ধি থমকে যায় এবং কীভাবে এর যত্ন নেওয়া উচিত, তা জেনেই আসল
১২ ঘণ্টা আগে