মাছের তরকারি একটু ভিন্নভাবে খেতে মন চাইছে? বাড়িতে শোল মাছ থাকলে রান্না করতে পারেন একটি ভিন্ন পদ। আপনাদের জন্য করলা দিয়ে শোল মাছের তরকারির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
শোল মাছ ৬ টুকরা, গোটা আলু ২৫০ গ্রাম, করলা ৩ থেকে ৪টি, মটরশুঁটি আধা কাপ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬টি, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ।
শোল মাছ রিং পিস করে এবং করলা কিউব করে কেটে নিন। কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে, আদা ও রসুনবাটা, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া এবং লবণ দিয়ে কষিয়ে মাছ দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করুন। পরে অন্য বাটিতে তুলে রাখুন। এবার গোটা আলু দিয়ে কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিন। তারপর ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। পরে মটরশুঁটি ও করলা দিয়ে ঢাকনা ছাড়া রান্না করুন। তারপর কষানো মাছ দিয়ে কাঁচা মরিচ ফালি, ধনেপাতাকুচি এবং জিরাগুঁড়া দিয়ে নেড়ে রান্না করুন আরও ৪-৫ মিনিট। তারপর নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে করলা দিয়ে শোল মাছের তরকারি।

ঈদ তো চলেই এল। ভ্যাপসা গরম আর অতিরিক্ত ঘামের কারণে ভালোভাবে মেকআপ করলেও কিছুক্ষণের মধ্যে মেকআপ গলে লেপ্টে গিয়ে মুখ তেলতেলে হয়ে যায়। আর এতে পড়তে হয় বিব্রতকর অবস্থায়। এই সমস্যার সমাধান হলো সোয়েট-প্রুফ ফাউন্ডেশন। এটি এমন এক ধরনের বেজ মেকআপ যা ত্বক ঘেমে যেতে দেয় না এবং দীর্ঘ সময় ধরে সাজ অক্ষুণ্ন রাখে...
৬ ঘণ্টা আগে
চা বা কফি আমাদের শুধু তরতাজাই করে না। পরিমাণে বেশি পান করলে এগুলো আমাদের শরীরে ভিন্ন কাজও করতে পারে। তাই চা-কফি পানের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। হুট করে চা-কফি পানের অভ্যাস বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমানোর সহজ উপায় আছে কিছু। পরিমাণ কমানোর জন্য সেগুলোর অভ্যা গড়ে তোলার চেষ্টা...
১০ ঘণ্টা আগে
সোশ্যাল মিডিয়ার ‘ডার্ট ইটিং’ বা মাটি খাওয়া কিংবা ‘র মিল্ক’ বা কাঁচা দুধ পানের মতো অদ্ভুত ও ক্ষতিকর সব ট্রেন্ড আমরা হরহামেশা দেখি। এসবের ভিড়ে টিকটকের একটি ভিন্ন ট্রেন্ড (ফাইবারম্যাক্সিং) বা পুপম্যাক্সিং। এই ট্রেন্ড আবার বেশ ব্যতিক্রম। ড্যানিয়েল ফিশেল বা ল্যান্স বাসের মতো তারকারাও এই ট্রেন্ডের জোয়ারে
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আজ সবকিছুই হাতের মুঠোয়। কিন্তু ই-বুক আর অডিও বুকের ভিড়েও অনেকেই আছে, যারা পাতা উল্টে বই পড়তে ভালোবাসে। কাগজের পাতার গন্ধ আর বইয়ের পাতা ওলটানোর মৃদু আওয়াজের মাঝে তারা পরম শান্তি খুঁজে পায়। ডিজিটাল স্ক্রিনের যুগেও কি বইয়ের গন্ধ আপনাকে টানে? বিশ্বের কোন জায়গাগুলো অপেক্ষা করছে
১ দিন আগে