এম মেহেদী হাসিন, রংপুর

রুচিশীল ও শৌখিন মানুষের ঘর সাজানো নিয়ে চিন্তার অন্ত থাকে না। যেখানেই ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর উপকরণ চোখে পড়ে, কিনতে যেন তর সয় না। এমন মানুষের ঘর সাজানোর জন্য দারুণ উপকরণ রংপুরের শতরঞ্জি।
পণ্য হিসেবে শতরঞ্জির রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য। এটি রংপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী বয়নশিল্প। জটিল যন্ত্রের এ যুগেও এটি তৈরি হয় পুরোনো কালের টানা তাঁতে। শতরঞ্জি একধরনের কার্পেট। এ ছাড়া ওয়ালম্যাট, জায়নামাজ এমনকি পাপোশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায় শতরঞ্জি।
ওয়ালম্যাট হিসেবে ব্যবহার করা শতরঞ্জিতে ফুটিয়ে তোলা হয় গ্রামীণ দৃশ্য, কলস কাঁখে নারী, পশুপাখি, ফুল, লতাপাতাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য। এ ছাড়া ক্রেতা চাইলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নকশা করে নিতে পারেন।
শতরঞ্জির ইতিহাস
তেরো শতকে রংপুর শহরের উপকণ্ঠে পীরপুর গ্রামে শতরঞ্জি বুননের কাজ শুরু হয় বলে জানা যায় বিভিন্ন সূত্র থেকে। ১৮৮০ সালে রংপুরের জেলা কালেক্টর মি. নিসবেত শতরঞ্জির নির্মাণশৈলী দেখে মুগ্ধ হন এবং এই শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতায় আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এর ফলে শতরঞ্জি দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। নিসবেতের পৃষ্ঠপোষকতার কথা স্মরণ রাখতে পীরপুর গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় নিসবেতগঞ্জ। পরে এখানকার তৈরি শতরঞ্জি ভারতবর্ষসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হতো।
রংপুরের শতরঞ্জিশিল্প একসময় সংকটের মধ্যে পড়ে যায় বিভিন্ন কারণে। ১৯৭৬ সালে সরকারিভাবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) পুনরায় শতরঞ্জি তৈরির একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ধীরে ধীরে প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে। পরে ১৯৯১ সালে ব্যক্তি উদ্যোগে শতরঞ্জির উৎপাদন শুরু হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিকভাবে শতরঞ্জি তৈরি শুরু করে।
এই শতরঞ্জি এখন শুধু নিসবেতগঞ্জেই সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন গ্রামে তৈরি হয়েছে শতরঞ্জি তাঁতের কারখানা। এসব কারখানায় প্রায় চার হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। রংপুরের শতরঞ্জি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
কোথায় পাবেন
রংপুর নগরীর পশ্চিম দিকে নিসবেতগঞ্জে শতরঞ্জিপল্লি। শহর থেকে রিকশা বা বাসে যাওয়া যায়। সেখানে গিয়ে পছন্দ করে শতরঞ্জি কিনতে পারেন। এ ছাড়া রংপুর ও ঢাকা শহরের অনেক দোকানেও পাওয়া যায় এটি। এখন অনলাইন মাধ্যমে অনেকেই শতরঞ্জি বিক্রি করছেন।
কেমন দাম
পণ্যের ধরন ও আকারের ওপর নির্ভর করছে শতরঞ্জির দাম। বর্গফুট হিসাবে বিক্রি হয় এটি। নকশাভেদে ৪০-৫০ টাকা বর্গফুট হিসাবে কিনতে পারবেন পছন্দের শতরঞ্জি।

রুচিশীল ও শৌখিন মানুষের ঘর সাজানো নিয়ে চিন্তার অন্ত থাকে না। যেখানেই ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর উপকরণ চোখে পড়ে, কিনতে যেন তর সয় না। এমন মানুষের ঘর সাজানোর জন্য দারুণ উপকরণ রংপুরের শতরঞ্জি।
পণ্য হিসেবে শতরঞ্জির রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য। এটি রংপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী বয়নশিল্প। জটিল যন্ত্রের এ যুগেও এটি তৈরি হয় পুরোনো কালের টানা তাঁতে। শতরঞ্জি একধরনের কার্পেট। এ ছাড়া ওয়ালম্যাট, জায়নামাজ এমনকি পাপোশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায় শতরঞ্জি।
ওয়ালম্যাট হিসেবে ব্যবহার করা শতরঞ্জিতে ফুটিয়ে তোলা হয় গ্রামীণ দৃশ্য, কলস কাঁখে নারী, পশুপাখি, ফুল, লতাপাতাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য। এ ছাড়া ক্রেতা চাইলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নকশা করে নিতে পারেন।
শতরঞ্জির ইতিহাস
তেরো শতকে রংপুর শহরের উপকণ্ঠে পীরপুর গ্রামে শতরঞ্জি বুননের কাজ শুরু হয় বলে জানা যায় বিভিন্ন সূত্র থেকে। ১৮৮০ সালে রংপুরের জেলা কালেক্টর মি. নিসবেত শতরঞ্জির নির্মাণশৈলী দেখে মুগ্ধ হন এবং এই শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতায় আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এর ফলে শতরঞ্জি দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। নিসবেতের পৃষ্ঠপোষকতার কথা স্মরণ রাখতে পীরপুর গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় নিসবেতগঞ্জ। পরে এখানকার তৈরি শতরঞ্জি ভারতবর্ষসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হতো।
রংপুরের শতরঞ্জিশিল্প একসময় সংকটের মধ্যে পড়ে যায় বিভিন্ন কারণে। ১৯৭৬ সালে সরকারিভাবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) পুনরায় শতরঞ্জি তৈরির একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ধীরে ধীরে প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে। পরে ১৯৯১ সালে ব্যক্তি উদ্যোগে শতরঞ্জির উৎপাদন শুরু হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিকভাবে শতরঞ্জি তৈরি শুরু করে।
এই শতরঞ্জি এখন শুধু নিসবেতগঞ্জেই সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন গ্রামে তৈরি হয়েছে শতরঞ্জি তাঁতের কারখানা। এসব কারখানায় প্রায় চার হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। রংপুরের শতরঞ্জি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
কোথায় পাবেন
রংপুর নগরীর পশ্চিম দিকে নিসবেতগঞ্জে শতরঞ্জিপল্লি। শহর থেকে রিকশা বা বাসে যাওয়া যায়। সেখানে গিয়ে পছন্দ করে শতরঞ্জি কিনতে পারেন। এ ছাড়া রংপুর ও ঢাকা শহরের অনেক দোকানেও পাওয়া যায় এটি। এখন অনলাইন মাধ্যমে অনেকেই শতরঞ্জি বিক্রি করছেন।
কেমন দাম
পণ্যের ধরন ও আকারের ওপর নির্ভর করছে শতরঞ্জির দাম। বর্গফুট হিসাবে বিক্রি হয় এটি। নকশাভেদে ৪০-৫০ টাকা বর্গফুট হিসাবে কিনতে পারবেন পছন্দের শতরঞ্জি।

বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডে চলছে হাড়কাঁপানো শীত। বছরের এ সময়ে আর্কটিকের এই বিশাল দ্বীপ প্রায় ২৪ ঘণ্টা অন্ধকারের চাদরে ঢাকা থাকে। কিন্তু এই হিমশীতল নীরবতা ভেঙে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ৫৬ হাজার জনসংখ্যার দ্বীপটি। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তাঁর ‘গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন’।
৬ ঘণ্টা আগে
বর্তমান যুগে মানুষ বই পড়ার চেয়ে স্ক্রিনে স্ক্রল করতে বেশি অভ্যস্ত। এমন সময়ও প্যারিস শহরের মাঝখানে সেইন নদীর ধারে টিকে আছে সাড়ে চার শ বছরের বেশি পুরোনো এক বইয়ের বাজার। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে এই বাজারে যাঁরা বই বিক্রি করেন, তাঁদের বলা হয় বুকিনিস্ত। পেশাটির সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে এটি শুধু জীবিকা...
১৩ ঘণ্টা আগে
আজকাল জীবন ও জীবিকার তাগিদে, পড়াশোনা, এক্সট্রা-কারিকুলার এক্টিভিটিজ এসব নিয়ে পরিবারের প্রায় সব সদস্যদের ছুটতে দেখা যায়। দিনশেষে এক হলে বাহ্যিক প্রয়োজনের খবর নেওয়া হলেও মনের খবর নেওয়ার সময় কই। ব্যস্ততার কারণে বাড়তে থাকা দূরত্বের ফলে সন্তানেরা বাবা-মায়ের কাছে মনের কথা বলতে পারছে না। এমনকি পরিবারের
১৩ ঘণ্টা আগে
কম তেলে দ্রুত রান্নার জন্য এখন অনেক ঘরে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে তেল কম লাগলেও রান্নার সময় ভেতরে চর্বি, তেলের আস্তরণ ও খাবারের কণা জমে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এয়ার ফ্রায়ার থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে এবং রান্নার মানও নষ্ট হয়। ভালো খবর হলো, ওভেনের তুলনায় এটি পরিষ্কার করা অনেক সহজ...
১৫ ঘণ্টা আগে