সিলেট মানে সবুজে মোড়া এক স্বপ্নরাজ্য। আর সেই স্বপ্নরাজ্যের উজ্জ্বল অংশ গোয়াইনঘাটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। বছরজুড়ে দেশের নানান প্রান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসেন সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জৈন্তাপুরের লালাখাল, গোয়াইনঘাটের জাফলংসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে। এখানে ভারতের ডাউকির উঁচু উঁচু টিলা, সবুজ পাহাড়, নদী আর নুড়ি-পাথরের অনন্য সৌন্দর্য একসঙ্গে উপভোগ করেন পর্যটকেরা। স্বচ্ছ নীল পানি ও পাথর সংগ্রহের দৃশ্য দেখতে চাইলে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাফলং ভ্রমণের উপযুক্ত সময়।
সারিবদ্ধ চা-বাগান, উঁচু-নিচু পাহাড়-টিলা, গহিন অরণ্য আর পাহাড়ি ঝরনার কলকল ধ্বনি—সব মিলিয়ে সিলেটের প্রতিটি স্পট যেন প্রকৃতির তুলিতে আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস। স্বচ্ছ পানির বুকে ছড়িয়ে থাকা হরেক রকমের নুড়ি পাথর, দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়চূড়া দেখলে আপনার মন জুড়িয়ে যেতে বাধ্য। যান্ত্রিক নগরজীবনের কোলাহল থেকে একটু প্রশান্তি খুঁজতে অনেকে তাই বেছে নেন জাফলং, বিছনাকান্দি ও রাতারগুলকে। পাশেই রয়েছে জাফলংয়ের মায়াবী ঝরনা। যে ঝরনা বেয়ে নামা স্বচ্ছ জলে গা ভেজালে পর্যটকদের দেয় রোমাঞ্চকর অনুভূতি।
সিলেটের সীমান্তবর্তী এই পর্যটনকেন্দ্রের ওপারেই ভারতের ডাউকি শহর। পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ডাউকি নদী এখান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পিয়াইন নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মূলত এই নদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা জাফলংয়ের প্রকৃতি তাই এত বৈচিত্র্যময় ও জীবন্ত।
মেঘালয়ের পাহাড়, পাথর আর স্বচ্ছ পানির সমাহার দেখতে পরিবার-পরিজন এবং বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘোরা আর ছবি তোলার এক অনবদ্য জায়গা জাফলং। পরে নৌকা নিয়ে খাসিয়াপল্লি আর চা-বাগানে গিয়ে সময় কাটানো যায় নিজেদের মতো করে। জাফলং ভ্রমণে গেলে কাছাকাছি আরও বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা ঘুরে আসা যায়।
জৈন্তাপুরের লালা খাল এবং ডিবির হাওর; গোয়াইনঘাটের সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল, প্রকৃতির অপ্সরা খ্যাত বিছনাকান্দি, পান্তুমাই ঝরনা—প্রতিটি জায়গাই নিজস্ব সৌন্দর্যে পূর্ণ, যা আপনার ভ্রমণকে করে তোলে আরও সমৃদ্ধ ও রোমাঞ্চকর।
যেভাবে যাবেন
প্রকৃতির এই অনন্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে আপনাকে প্রথমে যেতে হবে সিলেটে। শহরের কদমতলী বাসস্ট্যান্ড কিংবা সোবহানীঘাট থেকে সরাসরি গেটলক বাসে করে যেতে পারেন জাফলং। এতে ভাড়া নেবে জনপ্রতি ১৫০ টাকা। এ ছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা মাইক্রোবাসে করে সহজে পৌঁছে যেতে পারবেন জাফলংয়ে।
কোথায় থাকবেন
সিলেট শহরে রয়েছে উন্নত মানের বহু হোটেল ও রিসোর্ট; পাশাপাশি স্বল্প বাজেটের আবাসনের ব্যবস্থাও আছে।
তা ছাড়া জাফলংয়ে উন্নত মানের অনেক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে খাবার এবং যাতায়াতের ব্যবস্থাও বেশ ভালো। প্রকৃতির অকৃপণ সৌন্দর্য, পাহাড়ি হাওয়া আর নদীর স্বচ্ছ পানিতে পা ভিজিয়ে কাটানো কিছু নির্ভার মুহূর্ত—সব মিলিয়ে জাফলং হতে পারে আপনার এই ঈদের সেরা ভ্রমণ গন্তব্য।

আজ আপনার অলসতা অলিম্পিক পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। ইচ্ছা করবে বিছানা ছেড়ে না উঠতে, কিন্তু পেটের ক্ষুধা তো আর গ্রহ-নক্ষত্র মানে না! কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীরা আপনার টিফিন বক্সের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দিতে পারে, নিজের খাবার আগলে রাখুন।
১ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার নাম শুনলেই অনেকের মনে প্রথমে চলে আসে ঝকঝকে আকাশচুম্বী ভবন, ব্যস্ত নগরজীবন আর আধুনিকতার প্রতীক রাজধানী শহর কুয়ালালামপুরের ছবি। নিঃসন্দেহে এই শহর যেন দেশটির হৃদয়। কিন্তু মালয়েশিয়া কি শুধুই কুয়ালালামপুর? তা মোটেও নয়।
২ ঘণ্টা আগে
আসছে ঈদ। ভ্রমণপ্রেমীদের অনেকে এখন নতুন করে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। যাঁরা দলবলে যেতে চান, তাঁদের তো তেমন কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যাঁরা একা ভ্রমণ করতে চান এবং বলতে গেলে প্রায় নতুন, তাঁদের জন্য কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। একাকী ভ্রমণের স্বাধীনতা যেমন আছে, তেমনি আছে বিভিন্ন সমস্যা।
৩ ঘণ্টা আগে
আগামী দশকে জি২০ভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে প্রায় ১২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি)। সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিনিয়োগ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক পর্যটন খাতের প্রতিযোগিতা...
৫ ঘণ্টা আগে