Ajker Patrika

চুল সব সময় ফ্রিজি হয়ে থাকে? যত্নে রাখতে যা করবেন

ফিচার ডেস্ক
চুল সব সময় ফ্রিজি হয়ে থাকে? যত্নে রাখতে যা করবেন
ছবি: পেক্সেলস

কোঁকড়া চুলেই এই সমস্যা হয়। ওই যে ‘ফ্রিজিনেস’ যাকে বলে। দ্বিমত নেই, রেশমি চুলের তুলনায় কোঁকড়া চুল যত্নে রাখা একটু নয়, অনেকটাই কষ্টসাধ্য। ওই আঁকাবাঁকা ঢেউয়ের কারণে চুলের গোড়া থেকে আগা অবধি পুষ্টি পৌঁছাতে বেশ সময় লাগে। আর তাই এ ধরনের চুল একটু ফ্রিজি হয়ে থাকে। তবে স্বাস্থ্যকর রুটিন মেনে চললে এমন চুল নিয়েও বড়াই করার অন্ত থাকবে না।

অতিরিক্ত শ্যাম্পু নয়

কোঁকড়ানো চুলে সহজেই শুষ্ক হয়ে ওঠে। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে এ ধরনের চুল আর্দ্রতা হারায়। আর্দ্রতা ঠিক রাখতে ময়শ্চারাইজার সমৃদ্ধ কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। কন্ডিশনার চুলের বাইরের আবরণকে সুরক্ষিত রাখে। ফলে চুল কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ছবি: পেক্সেলস
ছবি: পেক্সেলস

সালফেট-সিলিকন এড়াতে হবে

চুলের মসৃণতা অনেকটাই নির্ভর করে কেমন শ্যাম্পু ব্যবহার করছেন তার ওপর। আপনার ব্যবহৃত শ্যাম্পু মাথার ত্বকের ময়লা, খুশকি, অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে পারছে কি না সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জানা প্রয়োজন তা আদৌ আপনার চুলের জন্য উপযোগী কি না। কোঁকড়ানো চুলের জন্য সালফেট, সিলিকন, অ্যালকোহল ও প্যারাবেন মুক্ত কোমল শ্যাম্পু ভালো বলে মনে করেন রূপ বিশেষজ্ঞরা।

শ্যাম্পুর আগে ২০ মিনিট!

সরাসরি শ্যাম্পু না করে আগে যদি নারকেল তেল মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রাখা যায় তাহলে চুলের নমনীয়তা বজায় থাকে। চাইলে চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে তেমন কোনো প্যাকও ব্যবহার করতে পারেন।

কম তাপে স্টাইলিং করুন

স্টাইলিং টুল ব্যবহারের ফলে চুল এমনিতেই ফ্রিজি হয়ে যায়। স্টাইলিং টুল ব্যবহার না করাই ভালো। তবে যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে কম তাপে চুল স্টাইলিং করুন।

চুল ধোয়ায় ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন

অনেকেই মনে করেন, কুসুম গরম পানি ডিপ ক্লিনজিংয়ের কাজ করে। কিন্তু আদতে এই পানি মাথার তালুতে উৎপন্ন প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে দেয় যা চুলের শুষ্কতার কারণ। এতে চুল ফ্রিজি ও ভঙ্গুর প্রবণ হয়ে ওঠে। তাই চুল ধোয়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা নিরাপদ।

ছবি: পেক্সেলস
ছবি: পেক্সেলস

বালিশের কভার কেমন হবে

চুল ভালো রাখতে বালিশের কভার হওয়া চাই চুল বান্ধব। সুতির নয়, চুলের জন্য বালিশের কভার হওয়া উচিত সিল্কের। নিয়মিত বিরতিতে সে কভার বদলানো চাই।

চুলের সুস্থতায় প্রকৃতিতে ভরসা রাখুন

সপ্তাহে অন্তত একবার চুলে হেয়ার প্যাক লাগানো দরকার। চুলের মসৃণতার জন্য অলিভ অয়েল, ডিম, ভিনেগার ও মেয়নেজের মিশ্রণ লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রাখুন। এরপর কোমল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এ ছাড়া আপেল সিডার ভিনেগার, দুধ, মেথি বাটা ও জবা ফুল এক সঙ্গে মিশিয়ে কোঁকড়া চুলে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

যা করা যাবে না

প্রতিদিন চুল শ্যাম্পু করবেন না। এতে চুলে উৎপন্ন প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায়। সপ্তাহে দুই দিন চুল শ্যাম্পু করা নিরাপদ।

সারাক্ষণ টাইট করে চুল বেঁধে রাখবেন না। এতে মাথার ত্বকে ব্যথা হতে পারে।

চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ও সেরাম ব্যবহার করা উচিত। না বুঝে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না।

সূত্র: হেলথলাইন ও অন্যান্য

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত