ফিচার ডেস্ক

জেন-জি প্রজন্মের কাছে অর্থ উপার্জনের সংজ্ঞা বদলে গেছে। তারা এখন আর ৯ টা-৫টার নিয়ম বেঁধে চাকরি করতে চান না; বিশেষ করে এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়ায় এই মনোভাব দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই প্রজন্ম মূলত একাডেমিক জীবনের শেষে করোনা মহামারির সময় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের প্রথম পেশাজীবী অভিজ্ঞতা এমন সময় শুরু হয়, যখন পুরো বিশ্ব অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। তাই তাদের মধ্যে চাকরি নিয়ে ভীতি তৈরি হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জেন-জি প্রজন্মের প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তবে এটি শুধু উদ্দীপনার অভাব বা অযোগ্যতার কারণে নয়; মূলত, এই প্রজন্মের কাজের ধরন, প্রত্যাশা এবং জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তারা চিরাচরিত কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কঠিন বোধ করছে। যে তিনটি কারণে এ প্রজন্মের কর্মীরা বাদ পড়ছে চাকরি থেকে, সেগুলো হলো—
জেন-জি প্রজন্ম তাদের শৈশবকাল থেকে ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা এবং করোনা মহামারির মধ্য দিয়ে বড় হয়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, চাকরির হঠাৎ পরিবর্তন, বেতন কেটে নেওয়া, এই অভিজ্ঞতাগুলো তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করেছে। ফলে এ প্রজন্মের চাকরির প্রতি উদ্দীপনা প্রাথমিকভাবে কম দেখা যায়। কিন্তু যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে, নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করার সুযোগ খুঁজে পেয়েছে, তারা উদ্দীপনা ও মনোযোগের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রজন্ম প্রথাগত চাকরি ও নিয়মের বাইরে স্বতন্ত্রভাবে আয় করার ক্ষেত্রে বেশি আগ্রহী।
জেন-জি প্রজন্ম সামাজিক মিডিয়ার ব্যাপক প্রভাবের মধ্যে বড় হয়েছে। ভার্চুয়াল যোগাযোগে তারা দক্ষ হলেও মুখোমুখি যোগাযোগ বা অফিশিয়াল আলোচনায় প্রাথমিকভাবে অভ্যস্ত নয়। করোনাকালে ঘরে বসে কাজ করার অভ্যাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এই চ্যালেঞ্জ। তাদের পেশাজীবী জীবন শুরু হয়েছে এমন পরিবেশে যেখানে অফিসের নিয়মকানুন, অফিশিয়াল মিটিং বা নিয়মিত উপস্থিতি সীমিত ছিল। এতে কিছু প্রতিষ্ঠান মনে করে, তারা অযোগ্য। কিন্তু বাস্তবে তারা এমন কাজ খুঁজছে, যা তাদের স্বাধীনভাবে আয় করতে, নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে এবং নতুন ধরনের দক্ষতা অর্জন করতে সাহায্য করে।
জেন-জি প্রজন্ম মনে করে, জীবন শুধু চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তারা চাইছে, কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন, মানসিক সুস্থতা এবং স্বতন্ত্র সময়কে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হোক।
এরা চায় এমন কর্মপরিবেশ, যেখানে তারা কাজ করতে করতে স্বাধীনভাবে আয় করতে পারে, নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী সময় ব্যয় করতে পারে। এই প্রজন্মের মানুষেরা চায়, যেন কর্মজীবনের চাপ তাদের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত না করে। তারা শুধু চাকরি নয়, এমন আয়ের পথ খুঁজছে, যেখানে স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত জীবন ও অফিশিয়াল কাজের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।
জেন-জি প্রজন্ম চিরাচরিত নিয়মের বাইরে যেতে চায়। তারা এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চায় যেখানে—
* স্বাধীনভাবে কাজ করা যায়
* নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগানো যায়
* আয়ের সুযোগ নিজের দক্ষতা ও উদ্যোগের মাধ্যমে বাড়ানো যায়
* ব্যক্তিগত জীবন ও মানসিক সুস্থতা বজায় থাকে
ফলে, তারা প্রথাগত চাকরির চেয়ে স্বাধীনভাবে আয় এবং নতুন ধরনের কাজের সুযোগে আগ্রহী। যারা তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি বোঝে, তারা দীর্ঘ মেয়াদে সফল ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারে।
জেন-জি প্রজন্ম শুধু চাকরিচ্যুত বা উদাসীন নয়, তারা স্বাধীনভাবে আয় করতে, নতুন দক্ষতা অর্জন করতে এবং ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স করতে চায়। চাকরি নয়, তারা এমন কাজ চায় যা তাদের ক্ষমতা, উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বিকশিত করতে সাহায্য করবে।
সুতরাং, প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এই প্রজন্মের স্বাধীনতা, উদ্ভাবন এবং আয়ের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে, তবে ভবিষ্যতের কর্মসংস্কৃতিতে তারা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে।
সূত্র: ফোর্বস ম্যাগাজিন

জেন-জি প্রজন্মের কাছে অর্থ উপার্জনের সংজ্ঞা বদলে গেছে। তারা এখন আর ৯ টা-৫টার নিয়ম বেঁধে চাকরি করতে চান না; বিশেষ করে এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়ায় এই মনোভাব দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই প্রজন্ম মূলত একাডেমিক জীবনের শেষে করোনা মহামারির সময় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের প্রথম পেশাজীবী অভিজ্ঞতা এমন সময় শুরু হয়, যখন পুরো বিশ্ব অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। তাই তাদের মধ্যে চাকরি নিয়ে ভীতি তৈরি হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জেন-জি প্রজন্মের প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তবে এটি শুধু উদ্দীপনার অভাব বা অযোগ্যতার কারণে নয়; মূলত, এই প্রজন্মের কাজের ধরন, প্রত্যাশা এবং জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তারা চিরাচরিত কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কঠিন বোধ করছে। যে তিনটি কারণে এ প্রজন্মের কর্মীরা বাদ পড়ছে চাকরি থেকে, সেগুলো হলো—
জেন-জি প্রজন্ম তাদের শৈশবকাল থেকে ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা এবং করোনা মহামারির মধ্য দিয়ে বড় হয়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, চাকরির হঠাৎ পরিবর্তন, বেতন কেটে নেওয়া, এই অভিজ্ঞতাগুলো তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করেছে। ফলে এ প্রজন্মের চাকরির প্রতি উদ্দীপনা প্রাথমিকভাবে কম দেখা যায়। কিন্তু যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে, নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করার সুযোগ খুঁজে পেয়েছে, তারা উদ্দীপনা ও মনোযোগের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রজন্ম প্রথাগত চাকরি ও নিয়মের বাইরে স্বতন্ত্রভাবে আয় করার ক্ষেত্রে বেশি আগ্রহী।
জেন-জি প্রজন্ম সামাজিক মিডিয়ার ব্যাপক প্রভাবের মধ্যে বড় হয়েছে। ভার্চুয়াল যোগাযোগে তারা দক্ষ হলেও মুখোমুখি যোগাযোগ বা অফিশিয়াল আলোচনায় প্রাথমিকভাবে অভ্যস্ত নয়। করোনাকালে ঘরে বসে কাজ করার অভ্যাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এই চ্যালেঞ্জ। তাদের পেশাজীবী জীবন শুরু হয়েছে এমন পরিবেশে যেখানে অফিসের নিয়মকানুন, অফিশিয়াল মিটিং বা নিয়মিত উপস্থিতি সীমিত ছিল। এতে কিছু প্রতিষ্ঠান মনে করে, তারা অযোগ্য। কিন্তু বাস্তবে তারা এমন কাজ খুঁজছে, যা তাদের স্বাধীনভাবে আয় করতে, নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে এবং নতুন ধরনের দক্ষতা অর্জন করতে সাহায্য করে।
জেন-জি প্রজন্ম মনে করে, জীবন শুধু চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তারা চাইছে, কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন, মানসিক সুস্থতা এবং স্বতন্ত্র সময়কে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হোক।
এরা চায় এমন কর্মপরিবেশ, যেখানে তারা কাজ করতে করতে স্বাধীনভাবে আয় করতে পারে, নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী সময় ব্যয় করতে পারে। এই প্রজন্মের মানুষেরা চায়, যেন কর্মজীবনের চাপ তাদের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত না করে। তারা শুধু চাকরি নয়, এমন আয়ের পথ খুঁজছে, যেখানে স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত জীবন ও অফিশিয়াল কাজের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।
জেন-জি প্রজন্ম চিরাচরিত নিয়মের বাইরে যেতে চায়। তারা এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চায় যেখানে—
* স্বাধীনভাবে কাজ করা যায়
* নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগানো যায়
* আয়ের সুযোগ নিজের দক্ষতা ও উদ্যোগের মাধ্যমে বাড়ানো যায়
* ব্যক্তিগত জীবন ও মানসিক সুস্থতা বজায় থাকে
ফলে, তারা প্রথাগত চাকরির চেয়ে স্বাধীনভাবে আয় এবং নতুন ধরনের কাজের সুযোগে আগ্রহী। যারা তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি বোঝে, তারা দীর্ঘ মেয়াদে সফল ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারে।
জেন-জি প্রজন্ম শুধু চাকরিচ্যুত বা উদাসীন নয়, তারা স্বাধীনভাবে আয় করতে, নতুন দক্ষতা অর্জন করতে এবং ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স করতে চায়। চাকরি নয়, তারা এমন কাজ চায় যা তাদের ক্ষমতা, উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বিকশিত করতে সাহায্য করবে।
সুতরাং, প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এই প্রজন্মের স্বাধীনতা, উদ্ভাবন এবং আয়ের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে, তবে ভবিষ্যতের কর্মসংস্কৃতিতে তারা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে।
সূত্র: ফোর্বস ম্যাগাজিন

আপনার চুল কি শুষ্ক, কোঁকড়া ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে? তাহলে নারকেল দুধ ব্যবহার করে দেখতে পারে। এটি ভিটামিন, খনিজ ও ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। অ্যালোভেরা, ডিম এবং দইয়ের মতো অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে নিলে নারকেল দুধ আপনার চুলের হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দিতে পারে। এতে চুল হবে রেশমি ও তরতাজা।
২ ঘণ্টা আগে
এই মৌসুমে আমাদের অনেকের হাতের আঙুলের ডগা, কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বক থেকে চামড়া ওঠে। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে এগুলো নিজে থেকে সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি মৌসুমি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। চামড়া উঠতে উঠতে একেবারে রক্তও বের হয় অনেক সময়। কিন্তু সহজে সারে না।
৫ ঘণ্টা আগে
আমাদের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে রোদে পোড়া বা ‘সানবার্ন’ খুবই পরিচিত সমস্যা। তবে আমরা অনেকে জানি না যে সাধারণ এই রোদে পোড়া দাগ যখন চরমে পৌঁছায়, তখন তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সান পয়জনিং’ বলা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
আজ ২১ জানুয়ারি, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে মিউজিয়াম সেলফি ডে। একসময় ‘ছবি তোলা নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড আর অতীতমুখী নিস্তব্ধতায় মগ্ন থাকা জাদুঘর এখন খানিক উদার ও প্রাণবন্ত। বিশ্বের অনেক জাদুঘরে এখন ছবি তোলা যায়। আর সেলফি হলো সেই ছবি তোলার এক দারুণ মাধ্যম।
১০ ঘণ্টা আগে