সাব্বির হোসেন

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধু বেশি পরিশ্রমে সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়, এর সঙ্গে দরকার স্মার্ট পদ্ধতির অনুসরণ। কার্যকর সফল্য পেতে একজন শিক্ষার্থী বা পেশাজীবীর জন্য ফোকাস ধরে রেখে কাজ করা, মানসিক চাপ কমানো ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো জরুরি। অনেক সময় প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারে আমাদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। এতে কাজের মান কমে যায়। এ ক্ষেত্রে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে কাজের গতি ও মান বাড়ানো সম্ভব।
পোমোডোরো টেকনিক
পড়ালেখা বা কাজ যা-ই হোক, তাতে দীর্ঘ সময় মনোযোগ স্থির রাখা অনেকের জন্য কঠিন। এ সমস্যা সমাধানে পোমোডোরো টেকনিক দারুণ কার্যকর। এ পদ্ধতি অনুযায়ী আপনি ২৫ মিনিট পূর্ণ মনোযোগে কাজ করুন, তারপর ৫ মিনিটের বিরতি নিন। এমন চারটি সেশনের পর নিন ১৫-২০ মিনিটের দীর্ঘ বিরতি। এই ছন্দে কাজ করলে মানসিক চাপ কমে, ক্লান্তি দূর হয় এবং নতুন উদ্যমে কাজে ফেরা যায়।
ডিপ ওয়ার্ক অ্যান্ড ফোকাস
ডিপ ওয়ার্ক মানে নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগে একটি কাজ করা। আমাদের দৈনন্দিন কাজের অনেকটা নষ্ট হয়, যখন আমরা মাল্টিটাস্কিং করি—একসঙ্গে অনেক কিছু করার চেষ্টা করি। তার বদলে একটিমাত্র কাজকে অগ্রাধিকার দিলে ফল অনেক ভালো হয়। এ সময়ে মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্যান্য ডিজিটাল বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকতে হবে।
ডিজিটাল ডিটক্স
আজকের দিনে স্মার্টফোন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ইউটিউব ছাড়া জীবনযাপন কল্পনা করা কঠিন। তবে প্রযুক্তির এই অতিনির্ভরতা আমাদের শেখার গতিকে ধীর করে দিচ্ছে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকুন, এটি ডিজিটাল ডিটক্স। সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে মনোযোগে ব্যাঘাত কমে এবং মস্তিষ্ক আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।
বডি মুভমেন্ট
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শুধু শরীর নয়, মনও অলস হয়ে পড়ে। তাই ৩০-৪০ মিনিট অন্তর হালকা হাঁটাহাঁটি, স্ট্রেচিং বা ২-৩ মিনিটের জন্য সহজ ব্যায়াম করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং নতুনভাবে মনোযোগ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
হাসি ও আনন্দ
মানসিক চাপ কমাতে হাসি ও আনন্দের বিকল্প নেই। কাজের মধ্যে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে হালকা আড্ডা দিন, পছন্দের গান শুনুন বা মজার কোনো ভিডিও দেখুন। ভালো মেজাজ আপনাকে আবারও কাজের টেবিলে ফিরিয়ে আনবে নতুন উদ্যমে।
শুধু কঠোর পরিশ্রম নয়, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রয়োগই পারে একজন শিক্ষার্থী বা কর্মীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে। শরীর ও মনের প্রাকৃতিক ছন্দ বুঝে কাজের সময় ভাগ করুন। মনোযোগ ধরে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন, ক্লান্ত হলে নিজেকে বিরতি দিন। তাহলে এগিয়ে যাবেন দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও সাফল্যের পথে।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধু বেশি পরিশ্রমে সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়, এর সঙ্গে দরকার স্মার্ট পদ্ধতির অনুসরণ। কার্যকর সফল্য পেতে একজন শিক্ষার্থী বা পেশাজীবীর জন্য ফোকাস ধরে রেখে কাজ করা, মানসিক চাপ কমানো ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো জরুরি। অনেক সময় প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারে আমাদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। এতে কাজের মান কমে যায়। এ ক্ষেত্রে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে কাজের গতি ও মান বাড়ানো সম্ভব।
পোমোডোরো টেকনিক
পড়ালেখা বা কাজ যা-ই হোক, তাতে দীর্ঘ সময় মনোযোগ স্থির রাখা অনেকের জন্য কঠিন। এ সমস্যা সমাধানে পোমোডোরো টেকনিক দারুণ কার্যকর। এ পদ্ধতি অনুযায়ী আপনি ২৫ মিনিট পূর্ণ মনোযোগে কাজ করুন, তারপর ৫ মিনিটের বিরতি নিন। এমন চারটি সেশনের পর নিন ১৫-২০ মিনিটের দীর্ঘ বিরতি। এই ছন্দে কাজ করলে মানসিক চাপ কমে, ক্লান্তি দূর হয় এবং নতুন উদ্যমে কাজে ফেরা যায়।
ডিপ ওয়ার্ক অ্যান্ড ফোকাস
ডিপ ওয়ার্ক মানে নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগে একটি কাজ করা। আমাদের দৈনন্দিন কাজের অনেকটা নষ্ট হয়, যখন আমরা মাল্টিটাস্কিং করি—একসঙ্গে অনেক কিছু করার চেষ্টা করি। তার বদলে একটিমাত্র কাজকে অগ্রাধিকার দিলে ফল অনেক ভালো হয়। এ সময়ে মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্যান্য ডিজিটাল বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকতে হবে।
ডিজিটাল ডিটক্স
আজকের দিনে স্মার্টফোন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ইউটিউব ছাড়া জীবনযাপন কল্পনা করা কঠিন। তবে প্রযুক্তির এই অতিনির্ভরতা আমাদের শেখার গতিকে ধীর করে দিচ্ছে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকুন, এটি ডিজিটাল ডিটক্স। সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে মনোযোগে ব্যাঘাত কমে এবং মস্তিষ্ক আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।
বডি মুভমেন্ট
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শুধু শরীর নয়, মনও অলস হয়ে পড়ে। তাই ৩০-৪০ মিনিট অন্তর হালকা হাঁটাহাঁটি, স্ট্রেচিং বা ২-৩ মিনিটের জন্য সহজ ব্যায়াম করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং নতুনভাবে মনোযোগ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
হাসি ও আনন্দ
মানসিক চাপ কমাতে হাসি ও আনন্দের বিকল্প নেই। কাজের মধ্যে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে হালকা আড্ডা দিন, পছন্দের গান শুনুন বা মজার কোনো ভিডিও দেখুন। ভালো মেজাজ আপনাকে আবারও কাজের টেবিলে ফিরিয়ে আনবে নতুন উদ্যমে।
শুধু কঠোর পরিশ্রম নয়, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রয়োগই পারে একজন শিক্ষার্থী বা কর্মীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে। শরীর ও মনের প্রাকৃতিক ছন্দ বুঝে কাজের সময় ভাগ করুন। মনোযোগ ধরে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন, ক্লান্ত হলে নিজেকে বিরতি দিন। তাহলে এগিয়ে যাবেন দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও সাফল্যের পথে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইন্টেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ১০ ক্যাটাগরির পদে মোট ৮৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনে (বিএসটিআই) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ১০ ক্যাটাগরির পদে মোট ৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৮ জানুয়ারি এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ৬ ক্যাটাগরির পদে ১৫ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ২৩ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আখতার গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির ডিলার সেলস বিভাগে ‘জুনিয়র এক্সিকিউটিভ/এক্সিকিউটিভ’ পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৮ জানুয়ারি এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
১৪ ঘণ্টা আগে