চাকরি ডেস্ক

নতুন চাকরি মানেই নতুন পরিবেশ, নতুন নিয়মকানুন এবং নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ। এ সময়টা অনেকের কাছে হতে পারে মানসিক চাপের সময়। আবার কেউ কেউ এ সময়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুতই নিজের জায়গা তৈরি করতে পারেন। মূল বিষয় হলো কীভাবে শুরুটা করবেন? এ ক্ষেত্রে সহজ অথচ কার্যকর কিছু কৌশল মেনে চললে নতুন কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়ে যায়।
প্রথম ইমপ্রেশন গড়ার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না
কাজের প্রথম দিন থেকে সবাই আপনাকে লক্ষ করবে। সময়মতো অফিসে পৌঁছানো, পরিচ্ছন্ন পোশাক, ভদ্র আচরণ এবং ইতিবাচক মনোভাব—এসবের মাধ্যমে সহকর্মী ও বসের কাছে আপনি দ্রুত গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারেন।
অফিসের অঘোষিত নিয়ম শিখুন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই কিছু আনুষ্ঠানিক নিয়ম থাকে, আবার কিছু অঘোষিত নিয়মও কার্যকর থাকে। যেমন কোন ই-মেইলে কাকে কপি করা হয়, মিটিংয়ে কারা আগে কথা বলেন, কিংবা টিফিনে সবাই কোথায় বসেন। এসব বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও সংস্কৃতির অংশ হয়ে যায়। প্রথম কয়েক সপ্তাহ যতটা সম্ভব শোনার চেষ্টা করুন, প্রশ্ন করুন এবং পর্যবেক্ষণ করুন।
সম্পর্ক গড়ুন, নেটওয়ার্ক তৈরি করুন
নতুন জায়গায় একা হয়ে থাকলে কাজ কঠিন হয়ে পড়ে। সহকর্মীদের সঙ্গে সহজ সম্পর্ক তৈরি করতে ছোট উদ্যোগ নিন। যেমন দুপুরের খাবারে তাদের সঙ্গে যোগ দিন, কফি ব্রেকে গল্প করুন বা প্রয়োজনে সহযোগিতার প্রস্তাব করুন। ছোটখাটো কথোপকথন থেকেই অনেক সময় আস্থা তৈরি হয়। মনে রাখবেন, অফিসের সম্পর্ক শুধু কাজের জন্য নয়; বরং মানসিক স্বস্তি ও দলগত সহযোগিতার জন্যও জরুরি।
ছোট সাফল্য দিয়ে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করুন
নতুন অফিসে যোগ দিয়েই বড় প্রকল্পে সাফল্য দেখানোর চেষ্টা অনেক সময় বিপরীত ফল আনতে পারে; বরং ছোট কাজগুলোতে দ্রুততা ও গুণগত মান দেখান।
নিয়মিত ফিডব্যাক নিন, শেখার মানসিকতা দেখান
নতুন পরিবেশে ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। তবে ভুল থেকে শেখার জন্য বস বা টিম লিডের কাছ থেকে নিয়মিত ফিডব্যাক নিন। এতে বোঝা যাবে আপনি কোন জায়গায় ভালো করছেন, আর কোথায় উন্নতি দরকার। শুধু তা-ই নয়, ফিডব্যাক চাইলে আপনার শেখার আগ্রহও প্রকাশ পায়, যা বসদের কাছে ইতিবাচকভাবে ধরা দেয়। অনেক সময় ফিডব্যাক চাইলে সহকর্মীরাও আপনাকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হন।
ইতিবাচক ও নমনীয় থাকুন সব পরিস্থিতিতে
প্রতিটি নতুন চাকরিতে কিছু অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি আসবেই। সহকর্মীর ভিন্ন মনোভাব, কাজের চাপ কিংবা অফিসের রাজনীতি—এসবের মুখোমুখি হতে হবে। এ সময় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নমনীয়তা দেখাতে পারা বড় গুণ। ইতিবাচক মনোভাব রাখলে অন্যরা আপনাকে সহযোগিতা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। একই সঙ্গে আপনার পেশাগত ইমেজও শক্তিশালী হবে।
নিজের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করুন
অফিসের কাজের বাইরে নিজের ক্যারিয়ার উন্নয়নের জন্যও উদ্যোগ নিন। টিমের অভিজ্ঞ সদস্যদের কাছ থেকে শিখুন, অনলাইন কোর্স করুন বা নতুন দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করুন। এতে আপনার ব্যক্তিগত উন্নয়ন হবে, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও উপকৃত হবে। অনেকে চাকরির শুরুতেই শেখার মানসিকতা প্রকাশ করেন, আর এটিই ভবিষ্যতে তাঁদের সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করে।
সোর্স: দ্য মিউস এবং মাইন্ড টুলস্।

নতুন চাকরি মানেই নতুন পরিবেশ, নতুন নিয়মকানুন এবং নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ। এ সময়টা অনেকের কাছে হতে পারে মানসিক চাপের সময়। আবার কেউ কেউ এ সময়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুতই নিজের জায়গা তৈরি করতে পারেন। মূল বিষয় হলো কীভাবে শুরুটা করবেন? এ ক্ষেত্রে সহজ অথচ কার্যকর কিছু কৌশল মেনে চললে নতুন কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়ে যায়।
প্রথম ইমপ্রেশন গড়ার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না
কাজের প্রথম দিন থেকে সবাই আপনাকে লক্ষ করবে। সময়মতো অফিসে পৌঁছানো, পরিচ্ছন্ন পোশাক, ভদ্র আচরণ এবং ইতিবাচক মনোভাব—এসবের মাধ্যমে সহকর্মী ও বসের কাছে আপনি দ্রুত গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারেন।
অফিসের অঘোষিত নিয়ম শিখুন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই কিছু আনুষ্ঠানিক নিয়ম থাকে, আবার কিছু অঘোষিত নিয়মও কার্যকর থাকে। যেমন কোন ই-মেইলে কাকে কপি করা হয়, মিটিংয়ে কারা আগে কথা বলেন, কিংবা টিফিনে সবাই কোথায় বসেন। এসব বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও সংস্কৃতির অংশ হয়ে যায়। প্রথম কয়েক সপ্তাহ যতটা সম্ভব শোনার চেষ্টা করুন, প্রশ্ন করুন এবং পর্যবেক্ষণ করুন।
সম্পর্ক গড়ুন, নেটওয়ার্ক তৈরি করুন
নতুন জায়গায় একা হয়ে থাকলে কাজ কঠিন হয়ে পড়ে। সহকর্মীদের সঙ্গে সহজ সম্পর্ক তৈরি করতে ছোট উদ্যোগ নিন। যেমন দুপুরের খাবারে তাদের সঙ্গে যোগ দিন, কফি ব্রেকে গল্প করুন বা প্রয়োজনে সহযোগিতার প্রস্তাব করুন। ছোটখাটো কথোপকথন থেকেই অনেক সময় আস্থা তৈরি হয়। মনে রাখবেন, অফিসের সম্পর্ক শুধু কাজের জন্য নয়; বরং মানসিক স্বস্তি ও দলগত সহযোগিতার জন্যও জরুরি।
ছোট সাফল্য দিয়ে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করুন
নতুন অফিসে যোগ দিয়েই বড় প্রকল্পে সাফল্য দেখানোর চেষ্টা অনেক সময় বিপরীত ফল আনতে পারে; বরং ছোট কাজগুলোতে দ্রুততা ও গুণগত মান দেখান।
নিয়মিত ফিডব্যাক নিন, শেখার মানসিকতা দেখান
নতুন পরিবেশে ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। তবে ভুল থেকে শেখার জন্য বস বা টিম লিডের কাছ থেকে নিয়মিত ফিডব্যাক নিন। এতে বোঝা যাবে আপনি কোন জায়গায় ভালো করছেন, আর কোথায় উন্নতি দরকার। শুধু তা-ই নয়, ফিডব্যাক চাইলে আপনার শেখার আগ্রহও প্রকাশ পায়, যা বসদের কাছে ইতিবাচকভাবে ধরা দেয়। অনেক সময় ফিডব্যাক চাইলে সহকর্মীরাও আপনাকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হন।
ইতিবাচক ও নমনীয় থাকুন সব পরিস্থিতিতে
প্রতিটি নতুন চাকরিতে কিছু অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি আসবেই। সহকর্মীর ভিন্ন মনোভাব, কাজের চাপ কিংবা অফিসের রাজনীতি—এসবের মুখোমুখি হতে হবে। এ সময় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নমনীয়তা দেখাতে পারা বড় গুণ। ইতিবাচক মনোভাব রাখলে অন্যরা আপনাকে সহযোগিতা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। একই সঙ্গে আপনার পেশাগত ইমেজও শক্তিশালী হবে।
নিজের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করুন
অফিসের কাজের বাইরে নিজের ক্যারিয়ার উন্নয়নের জন্যও উদ্যোগ নিন। টিমের অভিজ্ঞ সদস্যদের কাছ থেকে শিখুন, অনলাইন কোর্স করুন বা নতুন দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করুন। এতে আপনার ব্যক্তিগত উন্নয়ন হবে, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও উপকৃত হবে। অনেকে চাকরির শুরুতেই শেখার মানসিকতা প্রকাশ করেন, আর এটিই ভবিষ্যতে তাঁদের সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করে।
সোর্স: দ্য মিউস এবং মাইন্ড টুলস্।

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটিতে রিটেইল ইউনিট, এফভিপি-ভিপি বিভাগের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ১৩ জানুয়ারি এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
১ দিন আগে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের ‘সহকারী পরিচালক’ (টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রশিক্ষণ) ও ‘সহকারী পরিচালক’ (টেলিভিশন প্রকৌশল প্রশিক্ষণ), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ‘চলচ্চিত্র পরিদর্শক’ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘উপসহকারী প্রকৌশলী’ পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অফিস সহায়ক পদের প্রাক্-যাচাই (এমসিকিউ) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৭ জানুয়ারি এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১ দিন আগে
কর্মক্ষেত্র মানেই সহযোগিতা, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও লক্ষ্য অর্জনের যৌথ প্রয়াস। তবে একই সঙ্গে সেখানে মতভেদ ও দ্বন্দ্বের আশঙ্কাও অনিবার্য। কখনো সহকর্মীর সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি, কখনো ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তা; এ ধরনের পরিস্থিতি মনোবল নষ্ট করতে পারে, কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে, এমনকি চাকরি...
১ দিন আগে