
বাংলার ইতিহাস বুঝতে হলে এখানকার শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা জানা জরুরি। প্রাচীন ও মধ্যযুগে বিভিন্ন রাজবংশের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি। বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার রাজবংশ, তাদের শাসনকাল, অবদান ও বৈশিষ্ট্য থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই পরীক্ষার্থীদের জন্য বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলুন, বাংলার কয়েকটি রাজবংশের আদ্যোপান্ত সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
মৌর্য সাম্রাজ্য
খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের হাত ধরে এ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্রাট অশোকের সময় উত্তরবঙ্গ (পুণ্ড্রবর্ধন) মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। বগুড়ার মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপি মৌর্য শাসনের অন্যতম প্রমাণ। অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের পর বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করলে এই অঞ্চলেও ধর্মের প্রসার ঘটে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কাঠামোও শক্তিশালী হয়।
গুপ্ত সাম্রাজ্য
চতুর্থ শতকে সমুদ্রগুপ্তের দিগ্বিজয়ের ফলে বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে আসে। গুপ্ত শাসনকালকে ভারতীয় উপমহাদেশের সোনালি যুগ বলা হয়। কারণ এ সময়েই সাহিত্য, বিজ্ঞান ও স্থাপত্যকলার চূড়ান্ত বিকাশ ঘটেছিল। তবে ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গুপ্তদের পতনের পর রাজা শশাঙ্ক গৌড় জনপদে বাংলার প্রথম স্বাধীন-সার্বভৌম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
পাল রাজবংশ
বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম রাজবংশ হলো পাল বংশ। অষ্টম শতকে (৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ) অরাজকতা বা মাৎস্যন্যায় দূর করে জনগণের সমর্থনে গোপাল ক্ষমতায় বসেন। পাল রাজারা বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। রাজা ধর্মপাল পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেন। পাল আমলেই বাংলার শিল্পকলা ও শিক্ষা আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করে।
সেন রাজবংশ
পালদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একাদশ শতকের শেষভাগে বিজয় সেন বাংলায় সেন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁরা মূলত কর্ণাটক থেকে এসেছিলেন। সেন শাসকেরা ছিলেন হিন্দুধর্মের কট্টর অনুসারী। তাঁদের আমলেই সমাজে কৌলীন্য প্রথা ও ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রাধান্য বাড়ে।
দিল্লি সালতানাত
১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি নদীয়া আক্রমণের মাধ্যমে লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন। তিনি প্রথমে বিহারের ওদন্দবিহার জয় করেছিলেন। যদিও তিনি পুরো বাংলা দখল করতে পারেননি, তবে উত্তর ও পশ্চিমবাংলায় মুসলিম শাসনের ভিত্তি তিনিই স্থাপন করেন।
স্বাধীন সুলতানি আমল
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও পুরো বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনপদগুলোকে একত্র করে নাম দেন ‘শামস-ই-বাঙালিয়ান’ বা ‘শাহ-ই-বাঙ্গালা’। তাঁর আমল থেকেই ‘বাঙ্গালা’ বা ‘বাঙালি’ পরিচয়টি সুসংহত হতে শুরু করে।
মুঘল শাসন ও সুবা বাংলা
১৫৭৬ সালে রাজমহলের যুদ্ধে দাউদ খান কররানীকে পরাজিত করে সম্রাট আকবর বাংলা জয় করলেও বারো ভূঁইয়াদের বাধার কারণে মুঘল শাসন পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে সময় লাগে। ১৬১০ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সুবাদার ইসলাম খান ঢাকাকে রাজধানী করার পর বাংলায় প্রকৃত মুঘল আধিপত্য শুরু হয়। মুঘলরা বাংলাকে বলত ‘জান্নাতাবাদ’ বা ‘নরকপুরী সমৃদ্ধিশালী’ (নেয়ামতপূর্ণ জাহান্নাম)।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়ে বিভিন্ন পদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে মোট ১৭৪ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির উপপ্রধান বয়লার পরিদর্শক প্রকৌশলী মো. ফজলে রাব্বি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৩৯ মিনিট আগে
শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৯ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৩৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ৩০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ১৯১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ১৫ মার্চ থেকে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
২ দিন আগে
টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের দুই ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৩১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ১২ মার্চ এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ১৬ মার্চ থেকে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
২ দিন আগে