সালাম শান্তির পয়গাম। ঘরে-বাইরে সর্বত্র সালাম প্রচার-প্রসারের আদেশ দিয়েছেন রাসুল (সা.)। সালাম নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল প্রচলন রয়েছে, যা পরিহার করা উচিত।
এখানে কয়েকটি তুলে ধরা হলো—
১. খাওয়ার সময় সালাম দেওয়া নিষিদ্ধ নয়। সব গবেষক একমত, খাওয়ার সময় সালাম দেওয়া যাবে।
২. সালাম দিলে ৯০ নেকি, উত্তর দিলে ১০ নেকি—এমন কোনো হাদিস নেই। সম্পূর্ণ সালাম দিলে ৩০ নেকির কথা রয়েছে।
৩. অমুসলিমদের সালাম দেওয়া বা তাদের সালামের উত্তর দেওয়া নিষেধ। তবে শুধু ‘ওয়ালাইকুম’ বলা যাবে।
৪. সালামের উত্তর দিয়ে ফের সালাম দেওয়ার নিয়ম নেই। উত্তরের মাধ্যমেই সালাম পূর্ণ হয়ে যায়।
৫. সালামের উত্তর না দিয়ে উল্টো সালাম দেওয়া সঠিক নয়। কেউ সালাম দিলে উত্তর দেওয়া আবশ্যক।
৬. ইশারায় নয়, বরং মুখে সালাম দেওয়াই নিয়ম। তবে যদি দূরত্বের কারণে আওয়াজ না পৌঁছে, তাহলে মুখে সালাম দিয়ে ইশারায় বুঝিয়ে দেওয়া যাবে।
৭. কেউ সালাম না শুনলে তাকে সালাম দিয়েছি না বলে ফের শুনিয়ে সালাম দিতে হবে।
৮. মনে মনে বা নিচু স্বরে নয়, বরং সালামের উত্তর শুনিয়ে উঁচু স্বরে দিতে হয়।
৯. ছোট বা অধস্তনদেরই সালাম দিতে হবে—এমনটি আবশ্যক নয়। সবাই সবাইকে সালাম দেবে।
১০. বক্তৃতায় ভূমিকা বা সম্বোধনের পর সালাম দেওয়া উচিত নয়; বরং সালাম দিয়ে বক্তৃতা শুরু করা উচিত।
১১. সঠিক শব্দে সালাম দেওয়া। হাদিসে বর্ণিত শব্দে সালাম দেওয়া আবশ্যক। অন্যথায় শুদ্ধ হবে না।
১২. সালাম দানে পরিচিত-অপরিচিতের পার্থক্য করা অনুচিত। সবাইকে সালাম দেওয়ার কথা হাদিসে এসেছে।
১৩. ফোনে আগে হ্যালো না বলে সালাম দেওয়া উচিত।

ইসলামে ইবাদতের প্রতিটি ধাপে রয়েছে বিশেষ মর্যাদা। অজু করার পরপর যে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয়, তাকে পরিভাষায় ‘তাহিয়্যাতুল অজু’ বলা হয়। এই আমল ছোট হলেও এর ফজিলত ও গুরুত্ব অপরিসীম।
১৩ ঘণ্টা আগে
হজ কোনো সাধারণ সফর নয়, এটি মহান আল্লাহর সান্নিধ্যলাভের এক অনন্য মাধ্যম। এই ইবাদত যেমন শরীরের পরিশ্রমে ঋদ্ধ, তেমনি আত্মার প্রশান্তিতে ধন্য। তবে প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় এই পবিত্র সফর কেবল ভ্রমণে পর্যবসিত হয়। তাই হজে যাওয়ার আগে প্রতিটি হাজিকে কিছু মৌলিক বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়।
১ দিন আগে
এই নশ্বর জীবনে প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব কর্মপদ্ধতি ও ব্যস্ততা রয়েছে। কিন্তু একজন মুমিনের জীবনের মূল চালিকাশক্তি হলো পরকালের চিন্তা। দুনিয়াবি ব্যস্ততার পসরা যতই বড় হোক, মুমিন তার ইমান ও আমলের জন্য সময় বের করে নেয়।
১ দিন আগে
খিভা থেকে আমু দরিয়া (প্রাচীন অক্সাস নদী) পার হলেই চোখে পড়ে মাওয়ারাননাহার বা ট্রান্স-অক্সিয়ানার দিগন্ত। এই জনপদেই গড়ে উঠেছে উজবেকিস্তানের দুই গৌরবোজ্জ্বল শহর—সমরকন্দ ও বুখারা। তবে সব ছাপিয়ে বুখারাকে বলা হয় ‘কুব্বাতুল ইসলাম’ বা ইসলামের গম্বুজ; যা শতাব্দীকাল ধরে ঐতিহ্য, পাণ্ডিত্য এবং সুফি ঐতিহ্যের...
১ দিন আগে