
রমজানে রোজা রাখা অবস্থায় অসুস্থতার প্রয়োজনে চোখ, কান বা নাকে ড্রপ বা ওষুধ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দ্বিধায় ভুগি যে এতে রোজা ভেঙে যাবে কি না। ইসলামি শরিয়ত ও ফিকহ শাস্ত্রের আলোকে এই মাসআলাগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
ইসলামি ফকিহদের মতে, রোজা অবস্থায় চোখে ড্রপ, মলম বা অঞ্জন (সুরমা) ব্যবহার করলে রোজা ভাঙবে না। চোখের সঙ্গে পাকস্থলীর সরাসরি কোনো পথ নেই। এটি পানাহারের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এর মাধ্যমে পানাহারের উদ্দেশ্যও সফল হয় না। চোখে ড্রপ দেওয়ার পর যদি গলায় ওষুধের স্বাদ অনুভূত হয়, তবু রোজা ভাঙবে না। কারণ এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং তা সরাসরি খাদ্যনালি দিয়ে প্রবেশ করে না।
এ ছাড়া চোখে কাজল, সুরমা বা কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করলেও রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
কানে ড্রপ বা ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কানের পর্দার অবস্থা বিবেচনা করা হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় কানে ড্রপ দিলে বা গোসলের সময় পানি ঢুকলে রোজা ভাঙে না। কারণ কানের ছিদ্র দিয়ে সরাসরি পাকস্থলীতে কোনো কিছু যাওয়ার পথ নেই।
তবে কারও যদি কানের পর্দা ফাটা থাকে এবং ড্রপ বা তেল ব্যবহারের ফলে তা ছিদ্র দিয়ে গলার ভেতরে চলে যায়, তবে নিশ্চিতভাবে রোজা ভেঙে যাবে।
নাক ও গলার সংযোগস্থল খুবই সংবেদনশীল। তাই নাকে ড্রপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নাকে ড্রপ বা তরল ওষুধ ব্যবহার করলে তা সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। নাকে ড্রপ দেওয়ার পর যদি ওষুধের স্বাদ বা তরল গলার ভেতরে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে এবং পরে কাজা আদায় করতে হবে।
একান্ত জরুরি না হলে রোজা অবস্থায় নাকে ড্রপ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। প্রয়োজনে ইফতারের পর এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১২ ঘণ্টা আগে
তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। তাহিয়্যা অর্থ উপহার এবং দুখুল অর্থ প্রবেশ করা। মসজিদে প্রবেশ করেই উপহার হিসেবে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয় বলে এর নাম তাহিয়্যাতুল মসজিদ অথবা দুখুলুল মসজিদ।
১ দিন আগে