আল্লাহর দরবারে বান্দার আমল কবুল হওয়ার প্রধানতম শর্ত হচ্ছে ইখলাস বা নিষ্ঠা। আমল হবে কেবল আল্লাহর জন্য, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে; মানুষের প্রশংসা বা পার্থিব সুবিধার চিন্তা এতে থাকবে না। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কেবল একনিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর ইবাদতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ (সুরা বাইয়িনা: ৫) আমলে যখন ইখলাস থাকে, তখন সেই আমলে নানাবিধ উপকার লাভ হয়। নিচে চারটি উপকারের কথা তুলে ধরা হলো—
এক. অল্প আমলই যথেষ্ট: ইখলাসের সঙ্গে অল্প আমল অনেক ফায়দা দেয়। এ ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত করো, অল্প আমলই (নাজাতের জন্য) যথেষ্ট হবে।’ (শুআবুল ইমান: ৬৪৪৩)
দুই. সওয়াব বেশি: ইখলাসপূর্ণ আমলে সওয়াব বেশি হয়। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা আমার সাহাবিগণকে গালমন্দ কোরো না, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ (নিষ্ঠা ছাড়া) আল্লাহর রাস্তায় দান করে, তবু এক মুদ (৬০০ গ্রাম) বা অর্ধ মুদ সমপরিমাণ সওয়াব হবে না।’ (বুখারি: ৩৬৭৩)
তিন. আল্লাহর ভালোবাসা: মুখলিস বান্দাকে আল্লাহ নিজে সাহায্য করেন, তার যাবতীয় সমস্যার সমাধান আল্লাহ করে থাকেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের রক্ষা করেন, যারা ইমান এনেছে। জেনে রেখো, আল্লাহ কোনো বিশ্বাসঘাতক-অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা হজ: ৩৮)
চার. গুনাহ থেকে রক্ষা: আল্লাহ তাআলা তাঁর মুখলেস বান্দাকে ইখলাসের কারণে যাবতীয় ফেতনা ও গুনাহ থেকে হেফাজত করেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘স্ত্রীলোকটি তো স্পষ্টভাবেই ইউসুফের সঙ্গে (অসৎ কর্ম) কামনা করেছিল, আর ইউসুফের মনেও স্ত্রীলোকটির প্রতি ইচ্ছা জাগ্রত হয়েই যাচ্ছিল, যদি না সে নিজ প্রতিপালকের প্রমাণ দেখতে পেত। আমি তার থেকে অসৎ কর্ম ও অশ্লীলতাকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্যই এরূপ করেছিলাম। নিশ্চয়ই সে আমার মুখলিস বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।’ (সুরা ইউসুফ: ২৪

রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল এবং সন্ধ্যায় এমন কিছু বিশেষ জিকির ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা পাঠ করলে সারা দিনের নিরাপত্তা ও বরকতই লাভের পাশাপাশি আখিরাতের কঠিন সময়েও তা মুক্তির মাধ্যম হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১১ ঘণ্টা আগে
ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। শরিয়তের পরিভাষায় রাতের কিছু অংশ ঘুমানোর পর শেষ রাতে উঠে যে নামাজ আদায় করা হয়, তাকে তাহাজ্জুদ বলা হয়। রাসুল (সা.)-এর ওপর এই নামাজ ফরজ ছিল
১ দিন আগে
অত্যন্ত মনোযোগ ও একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের কখনো কখনো ভুল হয়ে যায়। অনেক সময় রুকুতে গিয়ে আমরা ভুল করে সিজদার তাসবিহ পড়ে ফেলি, আবার সিজদায় গিয়ে রুকুর তাসবিহ বলে ফেলি।
১ দিন আগে