আপনার জিজ্ঞাসা
ইসলাম ডেস্ক

প্রশ্ন: আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
সাজ্জাদ হোসেন, বাহরাইনপ্রবাসী
উত্তর: আপনার প্রশ্নটি খুবই সময়োপযোগী। প্রবাসে অবস্থান করার কারণে জীবনের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তথা বিয়ের মতো পবিত্র বন্ধন সম্পন্ন করতে অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে পড়েন। ইসলাম এই পবিত্র সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এর বৈধতার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে, যাতে এর মর্যাদা ও বিশুদ্ধতা সব সময় সুরক্ষিত থাকে।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র ও পাত্রী অথবা তাঁদের প্রতিনিধির ইজাব-কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) একই মজলিশে এবং দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে হওয়া আবশ্যক। কোনো কারণে পাত্র-পাত্রী সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁরা নিজেদের পক্ষে উকিল (প্রতিনিধি) নির্ধারণ করতে পারবেন। উকিলের মাধ্যমেই ইজাব-কবুল সম্পন্ন করতে হবে।
আপনার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসে অবস্থানকালে বিয়ে করার দুটি পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
এক. পাত্রের উকিলের মাধ্যমে: পাত্র টেলিফোনে বা অন্য কোনো মাধ্যমে দেশে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করবেন। বিয়ের মজলিশে যখন পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে অমুক পরিমাণ মোহরের বিনিময়ে আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম’, তখন পাত্রের উকিল বলবে, ‘আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।’ এভাবে বিয়ে সম্পন্ন হবে।
দুই. পাত্রীর উকিলের মাধ্যমে: পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দেশ থেকে টেলিফোনে বিদেশে একজন ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করতে পারেন। ওই উকিল তখন বিদেশের মজলিশে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি অমুক মেয়েকে এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিলাম।’ তখন ছেলে বলবেন, ‘আমি কবুল করলাম।’ এভাবেও বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।
অডিও বা ভিডিও কলে বিয়ের বিধান: বিয়ে একটি স্পর্শকাতর বিষয় এবং শরিয়ত তার জন্য কিছু শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে প্রধান হলো, ইজাব-কবুল একই মজলিশে হওয়া। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমে একই সময়ে কথা বলা গেলেও তা একই মজলিশের শর্ত পূরণ করে না।
তাই সরাসরি অডিও বা ভিডিও কলে ইজাব-কবুল করে বিয়ে সম্পন্ন হবে না। তবে ওপরের বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী, মোবাইলের মাধ্যমে কাউকে উকিল বানিয়ে তাঁর উপস্থিতিতে দুজন সাক্ষীর সামনে ইজাব-কবুল সম্পন্ন করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে।
তথ্যসূত্র: ফাতাওয়া উসমানি: ২ / ৩০৫, বাদায়িউস সানায়ি: ২ / ২৩১, আদ্দুররুল মুখতার: ৩ / ১৪, রদ্দুল মুহতার: ৩ / ১২, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১১ / ১৬১, খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ২ / ৪৯
উত্তর দিয়েছেন, মুফতি হাসান আরিফ,ইসলামবিষয়ক গবেষক

প্রশ্ন: আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
সাজ্জাদ হোসেন, বাহরাইনপ্রবাসী
উত্তর: আপনার প্রশ্নটি খুবই সময়োপযোগী। প্রবাসে অবস্থান করার কারণে জীবনের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তথা বিয়ের মতো পবিত্র বন্ধন সম্পন্ন করতে অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে পড়েন। ইসলাম এই পবিত্র সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এর বৈধতার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে, যাতে এর মর্যাদা ও বিশুদ্ধতা সব সময় সুরক্ষিত থাকে।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র ও পাত্রী অথবা তাঁদের প্রতিনিধির ইজাব-কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) একই মজলিশে এবং দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে হওয়া আবশ্যক। কোনো কারণে পাত্র-পাত্রী সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁরা নিজেদের পক্ষে উকিল (প্রতিনিধি) নির্ধারণ করতে পারবেন। উকিলের মাধ্যমেই ইজাব-কবুল সম্পন্ন করতে হবে।
আপনার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসে অবস্থানকালে বিয়ে করার দুটি পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
এক. পাত্রের উকিলের মাধ্যমে: পাত্র টেলিফোনে বা অন্য কোনো মাধ্যমে দেশে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করবেন। বিয়ের মজলিশে যখন পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে অমুক পরিমাণ মোহরের বিনিময়ে আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম’, তখন পাত্রের উকিল বলবে, ‘আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।’ এভাবে বিয়ে সম্পন্ন হবে।
দুই. পাত্রীর উকিলের মাধ্যমে: পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দেশ থেকে টেলিফোনে বিদেশে একজন ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করতে পারেন। ওই উকিল তখন বিদেশের মজলিশে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি অমুক মেয়েকে এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিলাম।’ তখন ছেলে বলবেন, ‘আমি কবুল করলাম।’ এভাবেও বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।
অডিও বা ভিডিও কলে বিয়ের বিধান: বিয়ে একটি স্পর্শকাতর বিষয় এবং শরিয়ত তার জন্য কিছু শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে প্রধান হলো, ইজাব-কবুল একই মজলিশে হওয়া। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমে একই সময়ে কথা বলা গেলেও তা একই মজলিশের শর্ত পূরণ করে না।
তাই সরাসরি অডিও বা ভিডিও কলে ইজাব-কবুল করে বিয়ে সম্পন্ন হবে না। তবে ওপরের বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী, মোবাইলের মাধ্যমে কাউকে উকিল বানিয়ে তাঁর উপস্থিতিতে দুজন সাক্ষীর সামনে ইজাব-কবুল সম্পন্ন করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে।
তথ্যসূত্র: ফাতাওয়া উসমানি: ২ / ৩০৫, বাদায়িউস সানায়ি: ২ / ২৩১, আদ্দুররুল মুখতার: ৩ / ১৪, রদ্দুল মুহতার: ৩ / ১২, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১১ / ১৬১, খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ২ / ৪৯
উত্তর দিয়েছেন, মুফতি হাসান আরিফ,ইসলামবিষয়ক গবেষক
আপনার জিজ্ঞাসা
ইসলাম ডেস্ক

প্রশ্ন: আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
সাজ্জাদ হোসেন, বাহরাইনপ্রবাসী
উত্তর: আপনার প্রশ্নটি খুবই সময়োপযোগী। প্রবাসে অবস্থান করার কারণে জীবনের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তথা বিয়ের মতো পবিত্র বন্ধন সম্পন্ন করতে অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে পড়েন। ইসলাম এই পবিত্র সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এর বৈধতার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে, যাতে এর মর্যাদা ও বিশুদ্ধতা সব সময় সুরক্ষিত থাকে।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র ও পাত্রী অথবা তাঁদের প্রতিনিধির ইজাব-কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) একই মজলিশে এবং দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে হওয়া আবশ্যক। কোনো কারণে পাত্র-পাত্রী সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁরা নিজেদের পক্ষে উকিল (প্রতিনিধি) নির্ধারণ করতে পারবেন। উকিলের মাধ্যমেই ইজাব-কবুল সম্পন্ন করতে হবে।
আপনার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসে অবস্থানকালে বিয়ে করার দুটি পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
এক. পাত্রের উকিলের মাধ্যমে: পাত্র টেলিফোনে বা অন্য কোনো মাধ্যমে দেশে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করবেন। বিয়ের মজলিশে যখন পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে অমুক পরিমাণ মোহরের বিনিময়ে আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম’, তখন পাত্রের উকিল বলবে, ‘আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।’ এভাবে বিয়ে সম্পন্ন হবে।
দুই. পাত্রীর উকিলের মাধ্যমে: পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দেশ থেকে টেলিফোনে বিদেশে একজন ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করতে পারেন। ওই উকিল তখন বিদেশের মজলিশে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি অমুক মেয়েকে এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিলাম।’ তখন ছেলে বলবেন, ‘আমি কবুল করলাম।’ এভাবেও বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।
অডিও বা ভিডিও কলে বিয়ের বিধান: বিয়ে একটি স্পর্শকাতর বিষয় এবং শরিয়ত তার জন্য কিছু শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে প্রধান হলো, ইজাব-কবুল একই মজলিশে হওয়া। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমে একই সময়ে কথা বলা গেলেও তা একই মজলিশের শর্ত পূরণ করে না।
তাই সরাসরি অডিও বা ভিডিও কলে ইজাব-কবুল করে বিয়ে সম্পন্ন হবে না। তবে ওপরের বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী, মোবাইলের মাধ্যমে কাউকে উকিল বানিয়ে তাঁর উপস্থিতিতে দুজন সাক্ষীর সামনে ইজাব-কবুল সম্পন্ন করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে।
তথ্যসূত্র: ফাতাওয়া উসমানি: ২ / ৩০৫, বাদায়িউস সানায়ি: ২ / ২৩১, আদ্দুররুল মুখতার: ৩ / ১৪, রদ্দুল মুহতার: ৩ / ১২, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১১ / ১৬১, খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ২ / ৪৯
উত্তর দিয়েছেন, মুফতি হাসান আরিফ,ইসলামবিষয়ক গবেষক

প্রশ্ন: আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
সাজ্জাদ হোসেন, বাহরাইনপ্রবাসী
উত্তর: আপনার প্রশ্নটি খুবই সময়োপযোগী। প্রবাসে অবস্থান করার কারণে জীবনের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তথা বিয়ের মতো পবিত্র বন্ধন সম্পন্ন করতে অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে পড়েন। ইসলাম এই পবিত্র সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এর বৈধতার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে, যাতে এর মর্যাদা ও বিশুদ্ধতা সব সময় সুরক্ষিত থাকে।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র ও পাত্রী অথবা তাঁদের প্রতিনিধির ইজাব-কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) একই মজলিশে এবং দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে হওয়া আবশ্যক। কোনো কারণে পাত্র-পাত্রী সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁরা নিজেদের পক্ষে উকিল (প্রতিনিধি) নির্ধারণ করতে পারবেন। উকিলের মাধ্যমেই ইজাব-কবুল সম্পন্ন করতে হবে।
আপনার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসে অবস্থানকালে বিয়ে করার দুটি পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
এক. পাত্রের উকিলের মাধ্যমে: পাত্র টেলিফোনে বা অন্য কোনো মাধ্যমে দেশে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করবেন। বিয়ের মজলিশে যখন পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে অমুক পরিমাণ মোহরের বিনিময়ে আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম’, তখন পাত্রের উকিল বলবে, ‘আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।’ এভাবে বিয়ে সম্পন্ন হবে।
দুই. পাত্রীর উকিলের মাধ্যমে: পাত্রীর পিতা বা অভিভাবক দেশ থেকে টেলিফোনে বিদেশে একজন ব্যক্তিকে তাঁর পক্ষে উকিল নিযুক্ত করতে পারেন। ওই উকিল তখন বিদেশের মজলিশে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বলবেন, ‘আমি অমুক মেয়েকে এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিলাম।’ তখন ছেলে বলবেন, ‘আমি কবুল করলাম।’ এভাবেও বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।
অডিও বা ভিডিও কলে বিয়ের বিধান: বিয়ে একটি স্পর্শকাতর বিষয় এবং শরিয়ত তার জন্য কিছু শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে প্রধান হলো, ইজাব-কবুল একই মজলিশে হওয়া। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমে একই সময়ে কথা বলা গেলেও তা একই মজলিশের শর্ত পূরণ করে না।
তাই সরাসরি অডিও বা ভিডিও কলে ইজাব-কবুল করে বিয়ে সম্পন্ন হবে না। তবে ওপরের বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী, মোবাইলের মাধ্যমে কাউকে উকিল বানিয়ে তাঁর উপস্থিতিতে দুজন সাক্ষীর সামনে ইজাব-কবুল সম্পন্ন করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে।
তথ্যসূত্র: ফাতাওয়া উসমানি: ২ / ৩০৫, বাদায়িউস সানায়ি: ২ / ২৩১, আদ্দুররুল মুখতার: ৩ / ১৪, রদ্দুল মুহতার: ৩ / ১২, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১১ / ১৬১, খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ২ / ৪৯
উত্তর দিয়েছেন, মুফতি হাসান আরিফ,ইসলামবিষয়ক গবেষক

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পরপর শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। চলবে দিনব্যাপী। সর্বশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারদুয়ী হজরতের অন্যতম খলিফা মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
১০ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সকল বিপর্যয়ের মূল কারণ মানুষের নিজের কর্ম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন, ‘স্থল ও সাগরে বিপর্যয়ের কারণ হলো মানুষের নিজের কর্ম, যাতে তারা তাদের কর্মের ফল ভোগ করে এবং ফেরে।’ (সুরা রুম: ৪১)
১৪ ঘণ্টা আগে
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, সফর, নেতৃত্ব ও সাহচর্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ। মহানবী (সা.)-এর পারিবারিক জীবনে দেখা যায়, তিনি স্ত্রীদের মর্যাদা দিতেন, তাঁদের মতামত গ্রহণ করতেন এবং প্রয়োজনীয় সফরে তাঁদের কাউকে সঙ্গী করতেন।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।
প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।
আজ শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বাংলা, ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | ০০: ০০ | ০৫: ০৫ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ০৬ মিনিট | ০৬: ২৬ মিনিট |
| জুমা | ১১: ৫০ মিনিট | ০৩: ৩৪ মিনিট |
| আসর | ০৩: ৩৫ মিনিট | ০৫: ১০ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ১২ মিনিট | ০৬: ৩০ মিনিট |
| এশা | ০৬: ৩১ মিনিট | ০৫: ০৫ মিনিট |
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:
বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।
প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।
আজ শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বাংলা, ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | ০০: ০০ | ০৫: ০৫ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ০৬ মিনিট | ০৬: ২৬ মিনিট |
| জুমা | ১১: ৫০ মিনিট | ০৩: ৩৪ মিনিট |
| আসর | ০৩: ৩৫ মিনিট | ০৫: ১০ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ১২ মিনিট | ০৬: ৩০ মিনিট |
| এশা | ০৬: ৩১ মিনিট | ০৫: ০৫ মিনিট |
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:
বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
১৫ আগস্ট ২০২৫
আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পরপর শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। চলবে দিনব্যাপী। সর্বশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারদুয়ী হজরতের অন্যতম খলিফা মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
১০ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সকল বিপর্যয়ের মূল কারণ মানুষের নিজের কর্ম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন, ‘স্থল ও সাগরে বিপর্যয়ের কারণ হলো মানুষের নিজের কর্ম, যাতে তারা তাদের কর্মের ফল ভোগ করে এবং ফেরে।’ (সুরা রুম: ৪১)
১৪ ঘণ্টা আগে
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, সফর, নেতৃত্ব ও সাহচর্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ। মহানবী (সা.)-এর পারিবারিক জীবনে দেখা যায়, তিনি স্ত্রীদের মর্যাদা দিতেন, তাঁদের মতামত গ্রহণ করতেন এবং প্রয়োজনীয় সফরে তাঁদের কাউকে সঙ্গী করতেন।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

প্রতিবছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মজলিসে দাওয়াতুল হকের ৩০তম মারকাজি ইজতেমা। ইজতেমা উপলক্ষে নানা রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পরপর শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। চলবে দিনব্যাপী। সর্বশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারদুয়ী হজরতের অন্যতম খলিফা মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক রিদওয়ান হাসান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সুন্নতের এই অনন্য মাহফিল।
রিদওয়ান হাসান জানান, এতে দেশের শীর্ষ স্থানীয় উলামায়ে কেরাম অংশ নেবেন। একই সঙ্গে হারদুয়ী হজরতের খলিফারা ইজতেমায় একত্রিত হবেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মজলিসে দাওয়াতুল হকের ৩০তম মারকাজি ইজতেমা। ইজতেমা উপলক্ষে নানা রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পরপর শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। চলবে দিনব্যাপী। সর্বশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারদুয়ী হজরতের অন্যতম খলিফা মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক রিদওয়ান হাসান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সুন্নতের এই অনন্য মাহফিল।
রিদওয়ান হাসান জানান, এতে দেশের শীর্ষ স্থানীয় উলামায়ে কেরাম অংশ নেবেন। একই সঙ্গে হারদুয়ী হজরতের খলিফারা ইজতেমায় একত্রিত হবেন।

আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
১৫ আগস্ট ২০২৫
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৫ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সকল বিপর্যয়ের মূল কারণ মানুষের নিজের কর্ম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন, ‘স্থল ও সাগরে বিপর্যয়ের কারণ হলো মানুষের নিজের কর্ম, যাতে তারা তাদের কর্মের ফল ভোগ করে এবং ফেরে।’ (সুরা রুম: ৪১)
১৪ ঘণ্টা আগে
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, সফর, নেতৃত্ব ও সাহচর্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ। মহানবী (সা.)-এর পারিবারিক জীবনে দেখা যায়, তিনি স্ত্রীদের মর্যাদা দিতেন, তাঁদের মতামত গ্রহণ করতেন এবং প্রয়োজনীয় সফরে তাঁদের কাউকে সঙ্গী করতেন।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সকল বিপর্যয়ের মূল কারণ মানুষের নিজের কর্ম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন, ‘স্থল ও সাগরে বিপর্যয়ের কারণ হলো মানুষের নিজের কর্ম, যাতে তারা তাদের কর্মের ফল ভোগ করে এবং ফেরে।’ (সুরা রুম: ৪১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে, তা তো তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল এবং তোমাদের অনেক অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা শুরা: ৩০)
তাই ভূমিকম্পকে নিছক প্রাকৃতিক ঘটনা বলে আত্মতৃপ্তি লাভ করা অনুচিত। এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা এবং আত্মসমীক্ষার বার্তা। এটি মানুষকে সচেতন করার, আত্মপর্যালোচনা করার এবং আল্লাহর পথে ফিরে আসার এক সতর্কতা।
নবী করিম (সা.) ভবিষ্যৎ বিপর্যয় এবং তার কারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট পূর্বাভাস দিয়েছেন। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে তিনি বলেন, ‘যখন নিম্নলিখিত অপরাধগুলো সমাজে বিরাজ করতে শুরু করবে, তখন সেই যুগে ভূমিকম্প, জমিন ধস, চেহারা বিকৃতি, আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ এবং অন্যান্য ভয়াবহ আজাবের অপেক্ষা করো। আর বিপর্যয়গুলো এমন ধারাবাহিকভাবে ঘটবে, যেন একটি পুরোনো হারের সুতা ছিঁড়ে গেলে একটার পর একটা দানা পড়তে থাকে।’
হাদিসটিতে যে অপরাধগুলোর কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—গনিমতের সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পদ গণ্য করা, জাকাতকে জরিমানা মনে করা, দ্বীনি উদ্দেশ্য ছাড়া জ্ঞান অর্জন করা, পুরুষেরা নারীদের আনুগত্য করা, মায়ের অবাধ্য হওয়া, বন্ধুবান্ধবকে আপন করে পিতাকে দূরে রাখা, মসজিদে শোরগোল করা, পাপাচারে লিপ্ত ও নিকৃষ্ট লোকেরা সমাজের নেতা হওয়া, অনিষ্টের আশঙ্কায় কাউকে সম্মান করা, গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার, মদ্যপান ছড়িয়ে পড়া এবং উম্মতের শেষ যুগের লোকেরা প্রথম যুগের লোকদের অভিসম্পাত করা।
দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব অপরাধ আজকের সমাজে দৃশ্যমান।
বিখ্যাত ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেন, ‘মানুষের গুনাহের কারণে পৃথিবীতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তার মধ্যে ভূমিকম্পও অন্তর্ভুক্ত।’
একবার হজরত আয়েশা (রা.)-কে ভূমিকম্প সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘যখন মানুষ প্রকাশ্যে অবৈধ সম্পর্ক, মদ্যপান এবং বাদ্যযন্ত্র বাজানোর মতো অনাচার করে, তখন আল্লাহ পৃথিবীকে আদেশ দেন—“তোমরা তাদের ওপর কেঁপে ওঠো।” যদি তারা তওবা করে, তাহলে আল্লাহ মাফ করে দেন; না হলে শাস্তি প্রদান করেন। এটি মুমিনদের জন্য শিক্ষা এবং কাফিরদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।’ (মুস্তাদরাক হাকেম: ৮৬২২)
খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) সব প্রদেশে লিখেছিলেন, ভূমিকম্প আল্লাহর পক্ষ থেকে ভয় দেখানোর একটি মাধ্যম। তিনি নির্দেশ দেন, এই সময়ে মানুষ যেন দান করে, তওবা করে এবং আল্লাহর বিধিবিধান পালন করে।
রাসুল (সা.) ভূমিকম্পকে কিয়ামতের অন্যতম আলামত হিসেবেও উল্লেখ করেছেন—‘কিয়ামত সে পর্যন্ত হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং খুনখারাবি বাড়বে, তোমাদের সম্পদ এত বাড়বে যে উপচে পড়বে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৯৭৯)
ভূমিকম্পকে ঘিরে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার, যেমন পৃথিবী গরুর শিং বা বিশাল কাছিমের পিঠের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—ইসলাম সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এগুলো ভিত্তিহীন এবং ইসলামি আকিদার পরিপন্থী।
ভূমিকম্পের কাঁপন শুধু মাটিকে নড়ায় না, এটি মানুষের হৃদয়, বিবেক ও অহংকারকে গভীরভাবে ঝাঁকিয়ে দেয়। এই সামান্য কাঁপনে উন্নত প্রযুক্তির সকল আয়োজন মুহূর্তে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। যেন খোদায়ি বার্তা ধ্বনিত হয়ে ওঠে—‘দেখো, তোমাদের উন্নতি, প্রযুক্তি, শক্তি সবকিছু সত্ত্বেও তোমরা কত দুর্বল। তাই তোমাদের ফিরতে হবে আমার দিকেই।’
লেখক: মুফতি আহমাদুল্লাহ মাসউদ, মুদাররিস, জামিয়া নুরিয়া ইসলামিয়া, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা।

পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সকল বিপর্যয়ের মূল কারণ মানুষের নিজের কর্ম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন, ‘স্থল ও সাগরে বিপর্যয়ের কারণ হলো মানুষের নিজের কর্ম, যাতে তারা তাদের কর্মের ফল ভোগ করে এবং ফেরে।’ (সুরা রুম: ৪১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে, তা তো তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল এবং তোমাদের অনেক অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা শুরা: ৩০)
তাই ভূমিকম্পকে নিছক প্রাকৃতিক ঘটনা বলে আত্মতৃপ্তি লাভ করা অনুচিত। এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা এবং আত্মসমীক্ষার বার্তা। এটি মানুষকে সচেতন করার, আত্মপর্যালোচনা করার এবং আল্লাহর পথে ফিরে আসার এক সতর্কতা।
নবী করিম (সা.) ভবিষ্যৎ বিপর্যয় এবং তার কারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট পূর্বাভাস দিয়েছেন। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে তিনি বলেন, ‘যখন নিম্নলিখিত অপরাধগুলো সমাজে বিরাজ করতে শুরু করবে, তখন সেই যুগে ভূমিকম্প, জমিন ধস, চেহারা বিকৃতি, আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ এবং অন্যান্য ভয়াবহ আজাবের অপেক্ষা করো। আর বিপর্যয়গুলো এমন ধারাবাহিকভাবে ঘটবে, যেন একটি পুরোনো হারের সুতা ছিঁড়ে গেলে একটার পর একটা দানা পড়তে থাকে।’
হাদিসটিতে যে অপরাধগুলোর কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—গনিমতের সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পদ গণ্য করা, জাকাতকে জরিমানা মনে করা, দ্বীনি উদ্দেশ্য ছাড়া জ্ঞান অর্জন করা, পুরুষেরা নারীদের আনুগত্য করা, মায়ের অবাধ্য হওয়া, বন্ধুবান্ধবকে আপন করে পিতাকে দূরে রাখা, মসজিদে শোরগোল করা, পাপাচারে লিপ্ত ও নিকৃষ্ট লোকেরা সমাজের নেতা হওয়া, অনিষ্টের আশঙ্কায় কাউকে সম্মান করা, গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার, মদ্যপান ছড়িয়ে পড়া এবং উম্মতের শেষ যুগের লোকেরা প্রথম যুগের লোকদের অভিসম্পাত করা।
দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব অপরাধ আজকের সমাজে দৃশ্যমান।
বিখ্যাত ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেন, ‘মানুষের গুনাহের কারণে পৃথিবীতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তার মধ্যে ভূমিকম্পও অন্তর্ভুক্ত।’
একবার হজরত আয়েশা (রা.)-কে ভূমিকম্প সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘যখন মানুষ প্রকাশ্যে অবৈধ সম্পর্ক, মদ্যপান এবং বাদ্যযন্ত্র বাজানোর মতো অনাচার করে, তখন আল্লাহ পৃথিবীকে আদেশ দেন—“তোমরা তাদের ওপর কেঁপে ওঠো।” যদি তারা তওবা করে, তাহলে আল্লাহ মাফ করে দেন; না হলে শাস্তি প্রদান করেন। এটি মুমিনদের জন্য শিক্ষা এবং কাফিরদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।’ (মুস্তাদরাক হাকেম: ৮৬২২)
খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) সব প্রদেশে লিখেছিলেন, ভূমিকম্প আল্লাহর পক্ষ থেকে ভয় দেখানোর একটি মাধ্যম। তিনি নির্দেশ দেন, এই সময়ে মানুষ যেন দান করে, তওবা করে এবং আল্লাহর বিধিবিধান পালন করে।
রাসুল (সা.) ভূমিকম্পকে কিয়ামতের অন্যতম আলামত হিসেবেও উল্লেখ করেছেন—‘কিয়ামত সে পর্যন্ত হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং খুনখারাবি বাড়বে, তোমাদের সম্পদ এত বাড়বে যে উপচে পড়বে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৯৭৯)
ভূমিকম্পকে ঘিরে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার, যেমন পৃথিবী গরুর শিং বা বিশাল কাছিমের পিঠের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—ইসলাম সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এগুলো ভিত্তিহীন এবং ইসলামি আকিদার পরিপন্থী।
ভূমিকম্পের কাঁপন শুধু মাটিকে নড়ায় না, এটি মানুষের হৃদয়, বিবেক ও অহংকারকে গভীরভাবে ঝাঁকিয়ে দেয়। এই সামান্য কাঁপনে উন্নত প্রযুক্তির সকল আয়োজন মুহূর্তে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। যেন খোদায়ি বার্তা ধ্বনিত হয়ে ওঠে—‘দেখো, তোমাদের উন্নতি, প্রযুক্তি, শক্তি সবকিছু সত্ত্বেও তোমরা কত দুর্বল। তাই তোমাদের ফিরতে হবে আমার দিকেই।’
লেখক: মুফতি আহমাদুল্লাহ মাসউদ, মুদাররিস, জামিয়া নুরিয়া ইসলামিয়া, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা।

আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
১৫ আগস্ট ২০২৫
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পরপর শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। চলবে দিনব্যাপী। সর্বশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারদুয়ী হজরতের অন্যতম খলিফা মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, সফর, নেতৃত্ব ও সাহচর্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ। মহানবী (সা.)-এর পারিবারিক জীবনে দেখা যায়, তিনি স্ত্রীদের মর্যাদা দিতেন, তাঁদের মতামত গ্রহণ করতেন এবং প্রয়োজনীয় সফরে তাঁদের কাউকে সঙ্গী করতেন।
১ দিন আগেশাব্বির আহমদ

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, সফর, নেতৃত্ব ও সাহচর্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ।
মহানবী (সা.)-এর পারিবারিক জীবনে দেখা যায়, তিনি স্ত্রীদের মর্যাদা দিতেন, তাঁদের মতামত গ্রহণ করতেন এবং প্রয়োজনীয় সফরে তাঁদের কাউকে সঙ্গী করতেন। শুধু দাম্পত্য সম্পর্ক নয়, বরং নবীজির সফরসঙ্গী হিসেবে স্ত্রীর উপস্থিতি ছিল শিক্ষা, পরামর্শ ও সম্মান প্রদর্শনের নিদর্শন।
ষষ্ঠ হিজরিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বনি মুস্তালিক মতান্তরে মুরাইসি যুদ্ধে যান, তখন স্ত্রীদের মধ্য থেকে হজরত আয়েশা (রা.)-কে সঙ্গে নিয়ে যান। এই যুদ্ধের আগে পর্দার বিধান নাজিল হয়েছিল। হজরত আয়েশা (রা.)-কে উটের পিঠে পালকির ওপর বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই যুদ্ধে হজরত আয়েশা (রা.)-কে বড় অপবাদও দেওয়া হয়েছিল, যার প্রতিবাদে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে আয়াত নাজিল করেছেন। (সহিহ বুখারি)
এ ছাড়া অন্যান্য সফরে অন্য স্ত্রীদের সঙ্গে নেওয়ার কথাও হাদিসে এসেছে। হুদাইবিয়ার সন্ধির সফরে নবীপত্নী উম্মে সালামা (রা.) তাঁর সঙ্গে ছিলেন। কুরাইশদের সঙ্গে এই সন্ধি করতে রাজি ছিলেন না অনেক সাহাবি, তাই এই চুক্তির পর সাহাবিরা বিমর্ষ ছিলেন। হজরত উম্মে সালামা (রা.)-এর পরামর্শেই তাঁদের শান্ত করেছিলেন মহানবী (সা.)। (সহিহ বুখারি)
সফরে স্ত্রীকে সঙ্গে নেওয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি সুস্পষ্ট সুন্নত, যা তিনি শুধু প্রেম-ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নয়, বরং পারিবারিক বন্ধনকে দৃঢ় রাখার একটি পন্থা হিসেবেও পালন করতেন। আজকের দিনে এই সুন্নাহগুলো শুধু জানলে হবে না, চর্চাও করতে হবে, যেন আমাদের দাম্পত্যজীবনে ভালোবাসার গভীরতা বৃদ্ধি পায়। পরিবারে নেমে আসে অনাবিল শান্তি।

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, সফর, নেতৃত্ব ও সাহচর্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ।
মহানবী (সা.)-এর পারিবারিক জীবনে দেখা যায়, তিনি স্ত্রীদের মর্যাদা দিতেন, তাঁদের মতামত গ্রহণ করতেন এবং প্রয়োজনীয় সফরে তাঁদের কাউকে সঙ্গী করতেন। শুধু দাম্পত্য সম্পর্ক নয়, বরং নবীজির সফরসঙ্গী হিসেবে স্ত্রীর উপস্থিতি ছিল শিক্ষা, পরামর্শ ও সম্মান প্রদর্শনের নিদর্শন।
ষষ্ঠ হিজরিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বনি মুস্তালিক মতান্তরে মুরাইসি যুদ্ধে যান, তখন স্ত্রীদের মধ্য থেকে হজরত আয়েশা (রা.)-কে সঙ্গে নিয়ে যান। এই যুদ্ধের আগে পর্দার বিধান নাজিল হয়েছিল। হজরত আয়েশা (রা.)-কে উটের পিঠে পালকির ওপর বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই যুদ্ধে হজরত আয়েশা (রা.)-কে বড় অপবাদও দেওয়া হয়েছিল, যার প্রতিবাদে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে আয়াত নাজিল করেছেন। (সহিহ বুখারি)
এ ছাড়া অন্যান্য সফরে অন্য স্ত্রীদের সঙ্গে নেওয়ার কথাও হাদিসে এসেছে। হুদাইবিয়ার সন্ধির সফরে নবীপত্নী উম্মে সালামা (রা.) তাঁর সঙ্গে ছিলেন। কুরাইশদের সঙ্গে এই সন্ধি করতে রাজি ছিলেন না অনেক সাহাবি, তাই এই চুক্তির পর সাহাবিরা বিমর্ষ ছিলেন। হজরত উম্মে সালামা (রা.)-এর পরামর্শেই তাঁদের শান্ত করেছিলেন মহানবী (সা.)। (সহিহ বুখারি)
সফরে স্ত্রীকে সঙ্গে নেওয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি সুস্পষ্ট সুন্নত, যা তিনি শুধু প্রেম-ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নয়, বরং পারিবারিক বন্ধনকে দৃঢ় রাখার একটি পন্থা হিসেবেও পালন করতেন। আজকের দিনে এই সুন্নাহগুলো শুধু জানলে হবে না, চর্চাও করতে হবে, যেন আমাদের দাম্পত্যজীবনে ভালোবাসার গভীরতা বৃদ্ধি পায়। পরিবারে নেমে আসে অনাবিল শান্তি।

আমি প্রবাসে আছি সাত বছর হলো। এখনো বিয়ে করিনি। বিয়ের পর আর প্রবাসে আসার ইচ্ছে নেই। তাই মা-বাবাকে বলেছি, পাত্রী দেখার জন্য। যদি সবকিছু ঠিক থাকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করে দেশে চলে আসব। প্রবাসে বসে মোবাইলে বিয়ে করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে? এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
১৫ আগস্ট ২০২৫
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় ফজরের নামাজের পরপর শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। চলবে দিনব্যাপী। সর্বশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন হারদুয়ী হজরতের অন্যতম খলিফা মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
১০ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সকল বিপর্যয়ের মূল কারণ মানুষের নিজের কর্ম। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন, ‘স্থল ও সাগরে বিপর্যয়ের কারণ হলো মানুষের নিজের কর্ম, যাতে তারা তাদের কর্মের ফল ভোগ করে এবং ফেরে।’ (সুরা রুম: ৪১)
১৪ ঘণ্টা আগে