ইবাদতের নিয়তে করা সব কাজই নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। আর নেক আমল মানুষের জীবনের প্রকৃত সম্পদ। এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে জান্নাত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং যারা ইমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারাই জান্নাতের অধিকারী, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে।’ (সুরা বাকারা: ৮২)
সাধারণত মানুষ রক্ত-ঘাম পানি করে অর্জন করা সম্পদকে নিজের মনে করে। গর্বের সঙ্গে অর্থবিত্তের কথা প্রচার করে। তবে হাদিসের বক্তব্য এর বিপরীত। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘বান্দারা বলে—আমার সম্পদ, আমার সম্পদ। অথচ তিনটিই হলো তার প্রকৃত সম্পদ। এক. যা সে ভক্ষণ করল এবং শেষ করে দিল। দুই. যা সে পরিধান করল এবং পুরোনো করে দিল। তিন. যা সে দান করল এবং (আখেরাতের জন্য) সঞ্চয় করল। এ ছাড়া বাকিগুলো শেষ হয়ে যাবে এবং মানুষের জন্য রেখে যেতে হবে।’ (মুসলিম: ৭১৫৪)
মানুষ দুনিয়ায় অঢেল সম্পত্তি রেখে কবরে যায়। আত্মীয়স্বজনেরা এসে তা ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়ে যায়। পরকালে তার শুধু কাজে আসে সদকায়ে জারিয়া ও নেক আমল। আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তির অনুসরণ করে (কবর পর্যন্ত যায়)। দুটি ফিরে আসে আর একটি তার সঙ্গেই থেকে যায়। তা হলো পরিবার, সম্পদ ও আমল। পরিবার ও সম্পদ ফিরে আসে। তবে আমল তার সঙ্গে থেকে যায়।’ (বুখারি: ৬০৭০, মুসলিম: ৭১৫৫)
অন্য হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই মানুষের নিজের সম্পদ তা-ই, যা সে আগে পাঠিয়েছে আর পেছনে যা ফেলে যাবে, তা সবই ওয়ারিশের সম্পদ। (বুখারি: ৫৯৯৮)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

জাহেলিয়াতের ঘোর অমানিশায় নিমজ্জিত ছিল এই ধরণি। মানুষ বিস্মৃত হয়েছিল মানবিকতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ন্যূনতম আলো। কন্যাসন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করার মতো নির্মমতা, গোত্রে গোত্রে রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর অন্যায়-অবিচারের পঙ্কিলতায় আরবের ধূলিকণা ছিল কলঙ্কিত।
৫ ঘণ্টা আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে যেসব মহামানব তাঁদের কালজয়ী কর্ম ও আদর্শ দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি কেবল কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একাধারে মহান শিক্ষক, সমাজসংস্কারক, ন্যায়বিচারক, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক...
৬ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআনের জরাজীর্ণ পাতায় আলতো হাত বোলান তিনি। অক্ষরের প্রতি পরম মমতায় চোখে ভেসে ওঠে এক ঐশ্বরিক শ্রদ্ধা। তিনি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির অধিবাসী হাফেজ ইমরান কুরাইশি। কোনো সরকারি অনুদান বা সংস্থার সাহায্য ছাড়া, স্রেফ নিজের ইচ্ছাশক্তি ও রবের প্রতি ভালোবাসাকে সম্বল করে চার বছর ধরে এক অনন্য...
৬ ঘণ্টা আগে
‘ফি আমানিল্লাহ’ একটি আরবি বাক্য, যার অর্থ—‘আল্লাহর নিরাপত্তায়’ বা ‘আল্লাহ আপনাকে নিরাপদে রাখুন’। কাউকে বিদায় দেওয়া কিংবা বিদায় নেওয়ার সময়ে দোয়ার উদ্দেশ্যে এই বাক্যটি বলা যাবে। এতে কোনো বাধা নেই। তবে এ ক্ষেত্রে ইসলামের মূল শিক্ষা ও সুন্নাহর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬ ঘণ্টা আগে