আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ঈদের নামাজ মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার একটি বিশেষ উপলক্ষ। এই নামাজে অংশগ্রহণ করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতি উদযাপন করা হয়।
ঈদুল ফিতরের নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। এই নামাজ অন্যান্য নামাজের চেয়ে ভিন্ন, কারণ এতে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির থাকে। নিচে ঈদের নামাজের সঠিক পদ্ধতি তুলে ধরা হলো:
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত (আরবি)
* নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতা সালাতি ঈদিল ফিতর, মা'আ ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম,মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'আবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত (বাংলা)
* আমি কিবলামুখি হয়ে ইমামের পেছনে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায় করার নিয়ত করছি, আল্লাহু আকবার।
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম
* ঈদের নামাজ দুই রাকাত। এই নামাজে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির রয়েছে। ঈদের নামাজে আজান ও ইকামত নেই।
* প্রথম রাকাত:
* ইমামের সঙ্গে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত করে হাত বাঁধতে হবে।
* এরপর সানা পড়তে হবে।
* তারপর অতিরিক্ত তিনটি তাকবির দিতে হবে। প্রথম দুই তাকবিরে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে এবং তৃতীয় তাকবিরে হাত বাঁধতে হবে।
* এরপর ইমাম সূরা ফাতেহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করবেন।
* সাধারণ নামাজের মতো রুকু ও সিজদা করতে হবে।
* দ্বিতীয় রাকাত:
* ইমাম সূরা ফাতেহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করবেন।
* রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির দিতে হবে। প্রতি তাকবিরের সময় হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
* চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে।
* এরপর স্বাভাবিক নামাজের মতো সিজদা ও আত্তাহিয়াতু পড়ে সালাম ফেরাতে হবে।
* ঈদের নামাজ শেষে ইমাম খুতবা দেবেন। খুতবা শোনা ওয়াজিব।

ঈদের নামাজ মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার একটি বিশেষ উপলক্ষ। এই নামাজে অংশগ্রহণ করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতি উদযাপন করা হয়।
ঈদুল ফিতরের নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। এই নামাজ অন্যান্য নামাজের চেয়ে ভিন্ন, কারণ এতে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির থাকে। নিচে ঈদের নামাজের সঠিক পদ্ধতি তুলে ধরা হলো:
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত (আরবি)
* নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতা সালাতি ঈদিল ফিতর, মা'আ ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম,মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'আবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত (বাংলা)
* আমি কিবলামুখি হয়ে ইমামের পেছনে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায় করার নিয়ত করছি, আল্লাহু আকবার।
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম
* ঈদের নামাজ দুই রাকাত। এই নামাজে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির রয়েছে। ঈদের নামাজে আজান ও ইকামত নেই।
* প্রথম রাকাত:
* ইমামের সঙ্গে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত করে হাত বাঁধতে হবে।
* এরপর সানা পড়তে হবে।
* তারপর অতিরিক্ত তিনটি তাকবির দিতে হবে। প্রথম দুই তাকবিরে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে এবং তৃতীয় তাকবিরে হাত বাঁধতে হবে।
* এরপর ইমাম সূরা ফাতেহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করবেন।
* সাধারণ নামাজের মতো রুকু ও সিজদা করতে হবে।
* দ্বিতীয় রাকাত:
* ইমাম সূরা ফাতেহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করবেন।
* রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির দিতে হবে। প্রতি তাকবিরের সময় হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
* চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে।
* এরপর স্বাভাবিক নামাজের মতো সিজদা ও আত্তাহিয়াতু পড়ে সালাম ফেরাতে হবে।
* ঈদের নামাজ শেষে ইমাম খুতবা দেবেন। খুতবা শোনা ওয়াজিব।

বর্তমান বিশ্বে দুশ্চিন্তা এবং ডিপ্রেশন এক ভয়ংকর ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ বিষণ্নতায় ভুগছে। জীবনের অনিশ্চয়তা, ঋণের বোঝা কিংবা ভবিষ্যৎ আতঙ্ক থেকে সৃষ্ট এই মানসিক চাপ মানুষের মস্তিষ্ক ও শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১৯ মিনিট আগে
বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা কিংবা শত্রুর হাত থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করার শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো—‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’। দোয়াটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতার অনন্য ঘোষণা। অসুস্থতা, উদ্বেগ কিংবা কোনো বড় ক্ষতির আশঙ্কার সময় এই আমল মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি আনে।
১ ঘণ্টা আগে
সুরা ওয়াকিয়া পবিত্র কোরআনুল কারিমের ৫৬তম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা। এই সুরায় কিয়ামতের ভয়াবহ বাস্তবতা, মানুষের বিভিন্ন শ্রেণি ও তাদের পরকালীন পরিণতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আধ্যাত্মিক গুরুত্বের পাশাপাশি এই সুরা পাঠের জাগতিক অনেক উপকারিতা রয়েছে। বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচন ও রিজিকে বরকতের জন্য...
৩ ঘণ্টা আগে
কালিমা শাহাদাত হলো ইসলামের ৫টি স্তম্ভের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কালিমা অর্থ বাণী বা বাক্য এবং শাহাদাত অর্থ সাক্ষ্য প্রদান করা। অর্থাৎ কালিমা শাহাদাতের অর্থ হলো সাক্ষ্য প্রদানের বাণী। এই কালিমা ইমানের মূল বাণী। এর মাধ্যমেই মুমিন তার বিশ্বাসের ঘোষণা প্রদান করে।
৭ ঘণ্টা আগে