Ajker Patrika

তাহাজ্জুদ নামাজ নফল নাকি সুন্নত?

ইসলাম ডেস্ক 
তাহাজ্জুদ নামাজ নফল নাকি সুন্নত?
প্রতীকী ছবি

ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। শরিয়তের পরিভাষায় রাতের কিছু অংশ ঘুমানোর পর শেষ রাতে উঠে যে নামাজ আদায় করা হয়, তাকে তাহাজ্জুদ বলা হয়। রাসুল (সা.)-এর ওপর এই নামাজ ফরজ ছিল; কিন্তু উম্মতের জন্য এটি সুন্নতে গায়রে মুআক্কাদা বা নফল ইবাদত। এটি আদায় করলে অশেষ পুণ্য লাভ করা যায়, তবে আদায় করতে না পারলে কোনো গুনাহ হবে না।

ইসলামবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, তাহাজ্জুদ নামাজ একাধারে সুন্নত এবং নফল। রাসুল (সা.) নিয়মিত পড়তেন বলে এটি সুন্নত, আর এটি ফরজ বা ওয়াজিব নয় বলে একে নফলও বলা হয়।

তাহাজ্জুদ নামাজের সময় ও ওয়াক্ত

এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে সুবহে সাদেকের আগপর্যন্ত সময়টি তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত। তবে রাতের শেষ তৃতীয়াংশে (রাত ২টার পর থেকে ফজরের আজানের আগপর্যন্ত) পড়া সবচেয়ে উত্তম। সাধারণত ঘুমানোর পর উঠে এ নামাজ পড়া অধিক সওয়াবের। তবে কেউ যদি ঘুম থেকে না জাগার ভয় পান, তবে এশার নামাজের পর দুই রাকাত সুন্নত ও বিতরের আগে তা পড়ে নিতে পারেন।

যদি এশার নামাজের পর বিতর পড়ে থাকেন, তবে তাহাজ্জুদের পর আর বিতর পড়ার প্রয়োজন নেই। তবে তাহাজ্জুদের পর বিতর পড়া অধিক উত্তম। এ ছাড়া সুবহে সাদিক বা ফজরের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তাহাজ্জুদের সময় শেষ হয়ে যায়।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

তাহাজ্জুদ নামাজ দুই রাকাত দুই রাকাত করে আদায় করতে হয়। এ নামাজ ২ রাকাত থেকে সর্বোচ্চ ১২ রাকাত পর্যন্ত পড়া যায়। নবীজি (সা.) কখনো ৪, কখনো ৮ আবার কখনো ১২ রাকাত পড়েছেন। তবে ৮ রাকাত পড়া উত্তম। যেকোনো সুরা দিয়ে এ নামাজ পড়া যায়। তবে নবীজি (সা.) দীর্ঘ কেরাত, লম্বা রুকু ও সেজদার মাধ্যমে এটি আদায় করতেন। সাধারণ নামাজের মতোই নিয়ত, সানা, সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা মিলিয়ে রুকু-সেজদার মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করতে হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত