
ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুসলিম সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে হজরত মাওলানা আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) একটি অবিস্মরণীয় নাম। তিনি ছিলেন একাধারে তুখোড় বাগ্মী, রাজনীতিবিদ এবং একনিষ্ঠ ধর্মীয় নেতা। মজলিশ-ই-আহরার-ই-ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাঁর অবদান আজও স্মরণীয়।
আতাউল্লাহ শাহ বুখারি ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দে বিহারের পাটনায় একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্বপুরুষগণ মধ্য এশিয়ার বোখারা থেকে প্রথমে কাশ্মীরে এবং পরে পাটনায় স্থায়ী হন। শৈশবে মাতৃহীন হওয়ায় নানা-নানির আদরে তিনি প্রতিপালিত হন।
আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) কোনো আধুনিক স্কুল বা কলেজে পড়েননি। তাঁর নানি ছিলেন ইংরেজদের শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার ঘোর বিরোধী। নানির কাছে আরবি ও ফারসি এবং নানার কাছে উর্দু ভাষা শেখার মাধ্যমে তাঁর শিক্ষার হাতেখড়ি। পরে পাঞ্জাবের অমৃতসরে মাওলানা নুর আহমাদ ও মুফতি মোহাম্মদ হোসাইনসহ প্রখ্যাত আলেমদের সান্নিধ্যে উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন তিনি।
আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি ছিলেন খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ।
একজন আদর্শ সমাজসংস্কারক হিসেবে তিনি মুসলিম সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূর করতে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানসমূহ:
আতাউল্লাহ শাহ বুখারি ছিলেন সমকালের শ্রেষ্ঠ বক্তাদের একজন। তাঁর দীর্ঘ ৪ ঘণ্টার ভাষণেও শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বসে থাকতেন। তিনি রাজনীতিবিদের চেয়েও বড় পরিচয় বহন করতেন একজন দরদি ধর্মীয় নেতা হিসেবে। তিনি হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের মাধ্যমে দ্রুত স্বাধীনতা অর্জনের পক্ষপাতী ছিলেন।
দেশভাগের পর তিনি পাকিস্তানে চলে যান এবং মুলতানে বসবাস শুরু করেন। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দের (মতান্তরে ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দ) ২১ আগস্ট ৭০ বছর বয়সে এই মহান নেতা ইন্তেকাল করেন।

মুমিনের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা। এটি এমন এক আমল, যা সরাসরি কোরআনের নির্দেশ এবং অসংখ্য সহিহ হাদিসে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরুদ পাঠ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
২১ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১ দিন আগে