কাউসার লাবীব

শিক্ষা আলো। শিক্ষা মানবজীবনের ভিত্তি। মানুষ অজ্ঞতা থেকে জ্ঞানের আলোয় পৌঁছায় শিক্ষার মাধ্যমে। নৈতিকতা, শিষ্টাচার এবং চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটায় শিক্ষা। একজন শিক্ষিত মানুষ কেবল নিজের উন্নতি নয়, সমাজ ও দেশের কল্যাণেও অবদান রাখে। শিক্ষা মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে এবং সুন্দরভাবে জীবন গড়ার পথ দেখায়। শিক্ষা আলোকিত ভবিষ্যতের চাবিকাঠি। তাই শিক্ষাকে ইসলাম সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। ইসলামের প্রথম ওহি ছিল—ইকরা। অর্থাৎ পড়ো।
মানবজাতির প্রথম শিক্ষক আল্লাহ তাআলা নিজেই। আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টির পর তিনি তাঁকে বিভিন্ন কিছু শিখিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে সেই বর্ণনা এসেছে এভাবে, ‘আর তিনি আদমকে যাবতীয় নাম শিক্ষা দিলেন।’ (সুরা বাকারা: ৩১)। এ ছাড়া আল্লাহ তাআলা জ্ঞানকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান? বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা জুমার: ৯)
আমাদের নবী (সা.) ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল। তাঁকেও আল্লাহ তাআলা শুদ্ধ জ্ঞান বিস্তারের জন্য পাঠিয়েছিলেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪৪)।
তবে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করা মানুষকে ইসলাম শিক্ষিত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ইসলাম বলে, যে ব্যক্তি শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করে, শিক্ষানুযায়ী নিজের জীবন সাজায়, সে প্রকৃত শিক্ষিত। যে শিক্ষা অপরাধ থেকে বিরত রাখে না, জীবনে উপকার বয়ে আনে না, সেই শিক্ষা থেকে নবী (সা.) আশ্রয় চেয়েছেন। তিনি দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ, আমি সেই জ্ঞান থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যা কোনো উপকারে আসে না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৫০)। তিনি আরও দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ, তুমি যে জ্ঞান আমাকে শিখিয়েছ, তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করো। আমাকে এমন জ্ঞান দান করো, যা আমার উপকারে আসে। আমার জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে দাও। সব সময় সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৫১)

শিক্ষা আলো। শিক্ষা মানবজীবনের ভিত্তি। মানুষ অজ্ঞতা থেকে জ্ঞানের আলোয় পৌঁছায় শিক্ষার মাধ্যমে। নৈতিকতা, শিষ্টাচার এবং চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটায় শিক্ষা। একজন শিক্ষিত মানুষ কেবল নিজের উন্নতি নয়, সমাজ ও দেশের কল্যাণেও অবদান রাখে। শিক্ষা মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে এবং সুন্দরভাবে জীবন গড়ার পথ দেখায়। শিক্ষা আলোকিত ভবিষ্যতের চাবিকাঠি। তাই শিক্ষাকে ইসলাম সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। ইসলামের প্রথম ওহি ছিল—ইকরা। অর্থাৎ পড়ো।
মানবজাতির প্রথম শিক্ষক আল্লাহ তাআলা নিজেই। আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টির পর তিনি তাঁকে বিভিন্ন কিছু শিখিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে সেই বর্ণনা এসেছে এভাবে, ‘আর তিনি আদমকে যাবতীয় নাম শিক্ষা দিলেন।’ (সুরা বাকারা: ৩১)। এ ছাড়া আল্লাহ তাআলা জ্ঞানকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান? বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা জুমার: ৯)
আমাদের নবী (সা.) ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল। তাঁকেও আল্লাহ তাআলা শুদ্ধ জ্ঞান বিস্তারের জন্য পাঠিয়েছিলেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪৪)।
তবে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করা মানুষকে ইসলাম শিক্ষিত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ইসলাম বলে, যে ব্যক্তি শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করে, শিক্ষানুযায়ী নিজের জীবন সাজায়, সে প্রকৃত শিক্ষিত। যে শিক্ষা অপরাধ থেকে বিরত রাখে না, জীবনে উপকার বয়ে আনে না, সেই শিক্ষা থেকে নবী (সা.) আশ্রয় চেয়েছেন। তিনি দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ, আমি সেই জ্ঞান থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যা কোনো উপকারে আসে না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৫০)। তিনি আরও দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ, তুমি যে জ্ঞান আমাকে শিখিয়েছ, তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করো। আমাকে এমন জ্ঞান দান করো, যা আমার উপকারে আসে। আমার জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে দাও। সব সময় সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৫১)

মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার এক সপ্তাহ বাকি। বেফাকের অধীনে কওমি মাদ্রাসার ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি। বার্ষিক পরীক্ষার এক মাস থেকে ২০ দিন আগে ক্লাস শেষ করে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা নিজস্ব রুটিনে পড়াশোনা করে। মাদ্রাসায় এই সময়কে খেয়ার বলা হয়।
২২ মিনিট আগে
ইসলামের ইতিহাসে সাহাবিরা হলেন নবীজি (সা.)-এর নুরানি পরশ পাওয়া অনন্য জামাত। তাঁরা ছিলেন নবীজির সহচর। ইসলামের সুমহান সত্য প্রচারে নিজেদের জীবন ও সম্পদ উৎসর্গ করেছিলেন তাঁরা। সাহাবিদের জীবন আমাদের জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা এবং চিরন্তন অনুপ্রেরণার উৎস।
৩ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবন বৈচিত্র্যে ভরপুর; কখনো সুখের হাসি, কখনো দুঃখের প্লাবন। বিপদ-আপদ বা অসুস্থতা এলে আমরা অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ি; কিন্তু মুমিনের জীবনে রোগব্যাধি কেবল কষ্ট নয়, বরং তা কখনো আল্লাহর বিশেষ পরীক্ষা ও ভালোবাসার নিদর্শন।
১০ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১৬ ঘণ্টা আগে