আবরার নাঈম

একটা সমাজে বহু শ্রেণি-পেশার মানুষ বসবাস করে। আর্থিক বিবেচনায় মানুষ তিন ধরনের। ধনী, মধ্যবিত্ত আর গরিব। মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সুখ-সাচ্ছন্দ্য ও অভাব-অনটন উভয়ের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করে। ধনী থাকে ভোগবিলাসে। যারা দরিদ্র, তারা ধনীদের দ্বারস্থ হয়। পেটের দায়ে হাত পাতে। ভিক্ষাবৃত্তি করে বেড়ায়।
আসলে ভিক্ষাবৃত্তি কোনো সম্মানজনক পেশা নয়। পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনেকে এই পথে নামে। তাই কখনো কোনো অসহায় দরিদ্র দুমুঠো ভাত খেতে চাইলে কিংবা আর্থিক সাহায্যের আবেদন করলে তা প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত; যদি সামর্থ্য থাকে। অনেকে ভিক্ষুককে ধমক ও অপমান করে সাহায্যের পরিবর্তে। অথচ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ভিক্ষুককে ধমক দিতে নিষেধ করেছেন।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং যে সাহায্যপ্রার্থী, তাকে ধমকাবেন না।’ (সুরা দোহা: ১০)
ক্ষুধার্তকে অন্নদান ইসলামে অতি উত্তম একটি কাজ। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা অনাথ, দরিদ্র মিসকিনকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেয়, দুমুঠো ভাত খেতে দেয় না, হেয় প্রতিপন্ন করে। তারা যেন আল্লাহর নিয়ামতের অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তাদের জন্যই প্রস্তুত রয়েছে ভয়ানক জাহান্নাম।
হাশরের মাঠে বিচারকার্য শেষে জান্নাতিরা পরস্পরে অথবা ফেরেশতাদের অপরাধীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে, ওরা কোথায়? যখন জানতে পারবে তারা জাহান্নামে, তখন তাদের দিকে তাকিয়ে বলবে, কোন জিনিস তোমাদের জাহান্নামে নিয়ে গেল? তখন তাদের উত্তর হবে এমন—আমরা নামাজ পড়তাম না। অভাবীদের খাবার খাওয়াতাম না। (সুরা মুদ্দাসির: ৪৪)
তাই যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল, তাদের উচিত গরিব মিসকিনদের সহযোগিতা করা। অন্যথায় উপরোক্ত আয়াতে বর্ণিত শাস্তি তার জন্য অপেক্ষমাণ।

একটা সমাজে বহু শ্রেণি-পেশার মানুষ বসবাস করে। আর্থিক বিবেচনায় মানুষ তিন ধরনের। ধনী, মধ্যবিত্ত আর গরিব। মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সুখ-সাচ্ছন্দ্য ও অভাব-অনটন উভয়ের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করে। ধনী থাকে ভোগবিলাসে। যারা দরিদ্র, তারা ধনীদের দ্বারস্থ হয়। পেটের দায়ে হাত পাতে। ভিক্ষাবৃত্তি করে বেড়ায়।
আসলে ভিক্ষাবৃত্তি কোনো সম্মানজনক পেশা নয়। পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনেকে এই পথে নামে। তাই কখনো কোনো অসহায় দরিদ্র দুমুঠো ভাত খেতে চাইলে কিংবা আর্থিক সাহায্যের আবেদন করলে তা প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত; যদি সামর্থ্য থাকে। অনেকে ভিক্ষুককে ধমক ও অপমান করে সাহায্যের পরিবর্তে। অথচ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ভিক্ষুককে ধমক দিতে নিষেধ করেছেন।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং যে সাহায্যপ্রার্থী, তাকে ধমকাবেন না।’ (সুরা দোহা: ১০)
ক্ষুধার্তকে অন্নদান ইসলামে অতি উত্তম একটি কাজ। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা অনাথ, দরিদ্র মিসকিনকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেয়, দুমুঠো ভাত খেতে দেয় না, হেয় প্রতিপন্ন করে। তারা যেন আল্লাহর নিয়ামতের অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তাদের জন্যই প্রস্তুত রয়েছে ভয়ানক জাহান্নাম।
হাশরের মাঠে বিচারকার্য শেষে জান্নাতিরা পরস্পরে অথবা ফেরেশতাদের অপরাধীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে, ওরা কোথায়? যখন জানতে পারবে তারা জাহান্নামে, তখন তাদের দিকে তাকিয়ে বলবে, কোন জিনিস তোমাদের জাহান্নামে নিয়ে গেল? তখন তাদের উত্তর হবে এমন—আমরা নামাজ পড়তাম না। অভাবীদের খাবার খাওয়াতাম না। (সুরা মুদ্দাসির: ৪৪)
তাই যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল, তাদের উচিত গরিব মিসকিনদের সহযোগিতা করা। অন্যথায় উপরোক্ত আয়াতে বর্ণিত শাস্তি তার জন্য অপেক্ষমাণ।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৪ ঘণ্টা আগে
নফল একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো অতিরিক্ত বা ঐচ্ছিক। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় ফরজ ও ওয়াজিবের অতিরিক্ত ইবাদতকে নফল বলা হয়। এসব আমলে রয়েছে অঢেল সওয়াব; তবে তা ত্যাগ করলে কোনো গুনাহ বা তিরস্কার নেই।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রবাসে গমন-ইচ্ছুক এবং বর্তমান প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনের নানামুখী সংকট, আইনি জটিলতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবার ভাঙনের কারণ-উত্তরণসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের গাইডলাইন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
তওবা মানে ক্ষমা চেয়ে সঠিক পথে ফিরে আসা। তওবা মানে নিজের ভুল স্বীকার করে প্রায়শ্চিত্ত গড়ার চেষ্টা করা। সহজে বললে—পাপের পথ ছেড়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, তাঁর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং ভবিষ্যতে সেই পাপে না ফেরার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা।
২১ ঘণ্টা আগে