গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের অধীনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী খুরুজের জোড়। সকালে ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামে ইজতেমা ময়দানে। দোয়ায় অংশ নেন প্রায় ৭২টি দেশ থেকে ২ হাজার ৫০০ বিদেশি মেহমান ও বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) বাদ ফজর পাকিস্তানের তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা উবায়দুল্লাহ খুরশিদ হেদায়েতি বয়ান করেন। বয়ানের পরে দোয়া শুরু হয়। সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে দোয়া শুরু হয়ে ৮টা ৪৪ মিনিটে শেষ হয়। ‘আমিন, আমিন’ ধ্বনিতে কম্পিত হতে থাকে টঙ্গীর ময়দান। দোয়ার সময় কান্নার রোল পড়ে যায়। দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের।
বিষয়টি নিশ্চিত করে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, দাগেস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, কানাডা, বেলজিয়াম, ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, ইতালি, জাপান, তুরস্ক, কাতার, সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, জর্ডান, তিউনিসিয়া, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, কিরগিজস্তান, মিয়ানমার, জাম্বিয়া, মোজাম্বিয়া, সোমালিয়া, সোমালিল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তানের বিদেশি মেহমানদের জামাতসহ বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জামাত খুরুজের জোড় থেকে আল্লাহ তাআলার রাস্তায় বের হয়।
এদিকে নির্বাচনের পরে ৫৯তম টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। শরিয়তের পরিভাষায় রাতের কিছু অংশ ঘুমানোর পর শেষ রাতে উঠে যে নামাজ আদায় করা হয়, তাকে তাহাজ্জুদ বলা হয়। রাসুল (সা.)-এর ওপর এই নামাজ ফরজ ছিল
৫ ঘণ্টা আগে
অত্যন্ত মনোযোগ ও একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের কখনো কখনো ভুল হয়ে যায়। অনেক সময় রুকুতে গিয়ে আমরা ভুল করে সিজদার তাসবিহ পড়ে ফেলি, আবার সিজদায় গিয়ে রুকুর তাসবিহ বলে ফেলি।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৬ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবনে বিপদ-আপদ যেকোনো সময় আচমকা আসতে পারে। এই নশ্বর পৃথিবীতে রোগব্যাধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা মানুষের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য মুমিনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো দোয়া। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা গাফির: ৬০)
১ দিন আগে