সাহাবিদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন শ্রমজীবী। তাঁরা কোনো কাজকে ছোট মনে করতেন না। নিজের হাতের উপার্জনকে জীবিকা নির্বাহের সর্বোত্তম পন্থা মনে করতেন।

আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ছিলেন একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী। ইসলাম গ্রহণের আগেই মক্কার সম্মানিত বণিকদের একজন ছিলেন এবং কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ইসলাম গ্রহণের পরও ব্যবসা চালিয়ে যান এবং নিজের উপার্জন থেকেই জীবিকা নির্বাহ করেন। খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও প্রথম দিকে বাজারে গিয়ে তিনি ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। তবে সাহাবিদের পরামর্শে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের স্বার্থে বায়তুল মাল থেকে সামান্য ভাতা গ্রহণ করেন।
ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) যুবক বয়সে মক্কার নিকটবর্তী এলাকায় পিতার উট চরাতেন। তিনি নিজেই বলেছেন, ‘তাঁর পিতা ছিলেন অত্যন্ত কঠোর প্রকৃতির মানুষ। তিনি তাঁকে কঠিন পরিশ্রম করাতেন এবং কাজ না করলে শাস্তিও দিতেন।’ ওমর (রা.) ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। তিনি বাইজেন্টাইন ও সাসানীয় সাম্রাজ্যে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকবার ভ্রমণ করেছেন।
উসমান (রা.)-এর প্রধান পেশা ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য। তিনি মক্কার কুরাইশ বংশের অন্যতম ধনী ও সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ইয়েমেন, সিরিয়া, আবিসিনিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যবসা করতেন। তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে এবং নিজ শ্রমের মাধ্যমে বিশাল ধন-সম্পদের মালিক হয়েছিলেন।
আলী (রা.)-এর প্রাথমিক পেশা ছিল সাধারণ কায়িক পরিশ্রম, যেমন—সেচকাজ, খেজুরের বাগানে শ্রম দেওয়া এবং উট পরিচালনা।
তিনি জীবনধারণের জন্য নিজের হাতে কাপড় ও জুতো মেরামত করতেন এবং কুয়ার পানি তোলার মতো কাজও করেছেন।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘একবার নবীজি (সা.) খাদ্যাভাবে পতিত হলেন। আলী (রা.) তা জানতে পেরে কাজের সন্ধানে বের হলেন, যাতে কিছু রোজগার করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খাদ্যাভাব দূর করতে পারেন। তিনি এক ইহুদির খেজুরবাগানে পৌঁছে প্রতি বালতি পানির বিনিময়ে একটি করে খেজুরের শর্তে (কূপ থেকে) সতেরো বালতি পানি ওঠালেন। ইহুদি তাঁকে সতেরোটি উত্তম খেজুর বেছে নেওয়ার এখতিয়ার দিল। তিনি খেজুরসহ নবীজি (সা.) নিকট উপস্থিত হলেন।’ (সুনানে ইবনে মাজা: ২৪৪৬)
আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। মদিনায় হিজরতের পর তিনি শূন্য হাতে এসে নিজ পরিশ্রমে ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে বিপুল সম্পদের মালিক হন। ইন্তেকালের সময় তিনি ১ হাজার উট, ৩ হাজার বকরি এবং ১০০টি ঘোড়া রেখে যান।
এভাবে সাহাবিদের অনেকেই কোনো না কোনো শ্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মুসলিম জাহানের হৃৎস্পন্দন পবিত্র কাবা শরিফ। প্রতিবছর নতুন হিজরি বছরের শুরুতে তথা ১ মহররমের রাতে কাবার গায়ে চড়ানো হয় এক নতুন গিলাফ, যা আরবিতে ‘কিসওয়াহ’ (الكسوة) নামে পরিচিত। মক্কার ‘কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্স ফর হোলি কাবার কিসওয়াহ’ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই পবিত্র গিলাফ তৈরি করে।
২৪ মিনিট আগে
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর খেদমত বা সেবা করতে পারাকে নিজেদের জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য ও গর্বের বিষয় মনে করতেন সাহাবিরা। আল্লাহর রাসুলের সান্নিধ্যে থেকে তাঁর একটু সেবা করার জন্য প্রায় প্রত্যেক সাহাবিই ব্যাকুল থাকতেন।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২১ সালের জাতীয় আদমশুমারি অনুযায়ী, কেপ ভার্দের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ মুসলিম। প্রায় ৫ লাখ ৫ হাজার মোট জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই সম্প্রদায়ের সদস্যসংখ্যা আনুমানিক পাঁচ হাজার। এই জনগোষ্ঠীর সিংহভাগই সেনেগাল, গিনি-বিসাউ ও মালির মতো পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা সাম্প্রতিক সময়ের অভিবাসী...
৫ ঘণ্টা আগে
নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি বান্দার সঙ্গে মহান আল্লাহর গভীর সম্পর্ক স্থাপনের একটি মাধ্যম। তাই নামাজ আদায়ের সময় মুসল্লির পোশাক-পরিচ্ছদ, পরিচ্ছন্নতা ও শালীনতার বিষয়েও ইসলাম বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে