হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররম। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে এই মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। কোরআনের ভাষায় ‘আরবাআতুল হুরুম’ তথা চার সম্মানিত মাসের অন্যতম মাস মহররম। মুসলমানদের মধ্যে এই মাসকেন্দ্রিক অনেক কুসংস্কার, ভুল বিশ্বাস ও কাজের চর্চা প্রচলিত রয়েছে, যার সিংহভাগই ভিত্তিহীন। ইসলামি শরিয়ত সমর্থিত তিনটি প্রমাণিত ও ফজিলতপূর্ণ আমলের কথা নিচে তুলে ধরা হলো—
এক. যেকোনো দিনের রোজা: মহররম মাসে নফল রোজা রাখার সওয়াব অন্য মাসের নফল রোজা রাখার চেয়ে বেশি। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসের রোজার পর সর্বশ্রেষ্ঠ রোজা আল্লাহর মাস মহররমের রোজা।’ (মুসলিম: ১১৬৩)
দুই. আশুরার ২ রোজা: হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, হজরত আবু কাতাদা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমি আল্লাহ তাআলার কাছে আশা রাখি যে মহররমের ১০ তারিখে রোজা রাখবে, তাঁর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।’ (মুসলিম: ১১৬২) আরেক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখো এবং তাতে ইহুদিদের বিপরীত করো, (তারা মাত্র এক দিন রোজা রাখে) তোমরা আগের দিন বা পরের দিনও রোজা রাখো।’ (সহিহ ইবনে খুজাইমা: ২০৯৫)
তিন. ভালো খাবার গ্রহণ: হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আশুরার দিন পরিবার-পরিজনের জন্য খাবারে প্রশস্ততা আনবে, আল্লাহ তাআলা তাকে সারা বছর সচ্ছলতা দান করবেন।’ (আল মুজামুল কাবির: ১০০০৭) হাদিসটি সূত্র বিবেচনায় দুর্বল হলেও একাধিক সূত্রে বর্ণিত (সহি লিগাইরিহি পর্যায়ের) হওয়ায় অস্বীকার করা যায় না। তাই ফজিলতের ক্ষেত্রে এই ধরনের হাদিসের ভিত্তিতে আলিমরা মহররমের ১০ তারিখে খাবারের প্রশস্ততা আনা মুস্তাহাব বলেছেন।

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম প্রধান ইবাদত। নামাজ শুরু হয় ‘তাকবিরে তাহরিমা’ বা আল্লাহু আকবার বলার মাধ্যমে, আর শেষ হয় ‘সালাম’ ফেরানোর মাধ্যমে। সালাম ফেরানোর মধ্য দিয়েই একজন নামাজি ব্যক্তি নামাজ সম্পন্ন করেন। শরিয়তের পরিভাষায় এই সালাম ফেরানো ওয়াজিব।
৪৩ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
সময়ের পরিক্রমায় প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের পর ইসলামের আলো আরবের সীমানা পেরিয়ে অনারবের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়ে। গোত্রভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ভেঙে ইসলাম তখন এক বিশাল রাষ্ট্রীয় রূপ ধারণ করে। ষষ্ঠ বছরের ঘটনা; তখন ইরাকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বিশিষ্ট সাহাবি হজরত...
১ দিন আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। এটি আল্লাহ তাআলার নিকট বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ মাসগুলোর অন্যতম। ইসলামের ইতিহাসে মহররমের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, বিশেষ করে আশুরা ও কারবালার স্মৃতি। এসব ঘটনা মুসলমানদের জন্য শিক্ষা, অনুপ্রেরণা এবং জীবন পরিচালনার দিকনির্দেশনা বহন করে।
১ দিন আগে