আল্লাহর সৃষ্টির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে অপার বিস্ময়। পানি আল্লাহর বিস্ময়কর এক নিয়ামত। বান্দার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও রহমতের অনন্য নিদর্শন। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ দুনিয়ায় কল্যাণ ও রিজিকের ব্যবস্থা করেন। পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে বৃষ্টির অপার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। পৃথিবী সজীব হয়ে ওঠার পেছনে বৃষ্টির অবদান সবচেয়ে বেশি। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তুমি কি দেখো না, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন; এরপর পৃথিবী সবুজ-শ্যামল হয়ে ওঠে।’ (সুরা হজ: ৬৩)
অন্য আয়াতে বৃষ্টির পানির পবিত্রতা ঘোষণা করে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি আকাশ থেকে বর্ষণ করি পবিত্র পানি। তা দিয়ে মৃত ভূমিকে সঞ্জীবিত করা এবং আমার সৃষ্ট বহু জীবজন্তু ও মানুষকে তা পান করানোর জন্য।’ (সুরা ফুরকান: ৪৮-৪৯)
অন্য আয়াতে আরও বিস্তারিত বলা হয়েছে এভাবে, ‘আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণের মাধ্যমে মৃতপ্রায় ধরিত্রীকে পুনরুজ্জীবিত করেন; তাতে যাবতীয় জীবজন্তুর বিস্তার ঘটান; তাতে বায়ুর দিক পরিবর্তনে এবং আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে নিয়ন্ত্রিত মেঘমালায় জ্ঞানবান জাতির জন্য নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা বাকারা: ১৬৪)
অন্য আয়াতে বৃষ্টিতে ফলমূল উৎপাদনের মাধ্যম বলা হয়েছে। এরশাদ হয়েছে, ‘আর তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, তা দিয়ে তোমাদের জীবিকাস্বরূপ ফলমূল উৎপাদন করেন।’ (সুরা বাকারা: ২২)
বৃষ্টির পানি নদী-সমুদ্র ও ভূগর্ভে প্রাকৃতিক নিয়মে সংরক্ষিত থাকে। এটিও মহান আল্লাহর অনন্য দান। তিনি বলেন, ‘আমি আকাশ থেকে পরিমিতভাবে পানি বর্ষণ করি, তারপর তা ভূমিতে সংরক্ষণ করি। নিশ্চিত জেনো, আমি তা অপসারণ করতেও সক্ষম।’ (সুরা মুমিনুন: ১৮)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো মহিমান্বিত রাত ‘লাইলাতুল কদর’ অন্বেষণ করা। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকে শবে কদর অন্বেষণ করো।’ (সহিহ্ বুখারি: ২০২০)। ইতিকাফকারী ব্যক্তি যেহেতু পুরো সময় ইবাদতে থাকেন, তাই তাঁর শবে কদর পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিংশ শতাব্দীর মুসলিম উম্মাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক, প্রখ্যাত সাহিত্যিক সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদভি (রহ.)। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের রায়বেরেলির এক সম্ভ্রান্ত আলেম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সাইয়েদ আবদুল হাই ছিলেন ‘নুজহাতুল খাওয়াতির’-এর মতো কালজয়ী গ্রন্থের রচয়িতা।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুমামা কিছুটা অবাক হলেন। তিনি এমন কোমল প্রশ্ন আশা করেননি। তবুও তাঁর মুখের ভাব কঠোর রেখে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ, ভাবছি তো অনেক কিছুই। তবে আমি আপনার কাছে উত্তম আচরণেরই আশা করছি। যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে আপনি একজন খুনিকে হত্যা করবেন। আর যদি আপনি দয়া করেন, তবে আপনি একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির ওপর...
১৮ ঘণ্টা আগে
রমজানের শেষ দশকের ইতিকাফ কেবল পুরুষদের জন্য নয়; বরং নারীদের জন্যও এটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী ‘লাইলাতুল কদর’ লাভের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ইতিকাফ। নবী করিম (সা.)-এর পবিত্র স্ত্রীরাও নিয়মিত ইতিকাফ পালন করতেন।
১৯ ঘণ্টা আগে