মানুষ তার ভালো কাজের যেমন প্রতিদান পায়, ঠিক তেমনি গুনাহ ও মন্দ কাজের জন্য শাস্তি পায়। কুপ্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষ যেসব গুনাহে জড়িয়ে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম হলো রিয়া অর্থাৎ লোকদেখানো আমল। কোরআন-হাদিসে লোকদেখানো আমলকারীর ব্যাপারে চারটি শাস্তির কথা জানা যায়—
এক. আল্লাহর নজর থেকে পড়ে যাওয়া: যারা মানুষের দেখানোর জন্য আমল করে, তারা মানুষের কাছে বড় হলেও আল্লাহর নজর থেকে পড়ে যায়। পবিত্র কোরআনে এসেছে, আল্লাহ যাকে লাঞ্ছিত করেন, তার কোনো সম্মানদাতা নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ করেন, যা তিনি চান।’ (সুরা হজ: ১৮)
দুই. আল্লাহর দরবারে সিজদাবঞ্চিত হওয়া: কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ তাআলা তাঁর নূর প্রকাশ করবেন, তখন সমস্ত মাখলুক সিজদায় লুটে পড়বে। ইমানদারেরা সেদিন সিজদা করবে। তবে কাফির, মুশরিক, মুনাফিক এবং রিয়াকারী সিজদা করতে পারবে না। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মানুষের দেখানোর জন্য সিজদা করত, কিয়ামতের ময়দানে তার কোমর একেবারে সোজা হয়ে যাবে। সে সিজদা করতে সক্ষম হবে না। আল্লাহ তাআলা তাকে সিজদার সুযোগ দেবেন না। (সহিহ্ মুসলিম: ২৬৯)
তিন. রিয়াকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি মানুষকে দেখানোর জন্য এবং তাদের মাঝে প্রসিদ্ধ লাভের জন্য বয়ান করে, আল্লাহ তাআলা তাকে কিয়ামতের দিন রিয়াকারী দলের অন্তর্ভুক্ত করে দেবেন।’ (মুসনাদে আহমদ: ১৫৪৯৩)
চার. কিয়ামতের দিন অপমানিত হবে: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমি তোমাদের ওপর যে জিনিস বেশি ভয় করি, তা হলো ছোট শিরক। সাহাবিরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, ছোট শিরক কী? তিনি উত্তর দিলেন, রিয়া। আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন যখন মানুষকে তাদের আমলের বিনিময় দেবেন, তখন রিয়াকারীকে বলবেন, যাও, দুনিয়াতে যাদের তোমরা তোমাদের আমল দেখাতে, দেখো তাদের নিকট কোনো সওয়াব পাও কি না! (মুসনাদে আহমদ: ২৩৬৮১)
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া কাশেফুল উলুম মাদ্রাসা, মধুপুর, টাঙ্গাইল

রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল এবং সন্ধ্যায় এমন কিছু বিশেষ জিকির ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা পাঠ করলে সারা দিনের নিরাপত্তা ও বরকতই লাভের পাশাপাশি আখিরাতের কঠিন সময়েও তা মুক্তির মাধ্যম হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৮ ঘণ্টা আগে
ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। শরিয়তের পরিভাষায় রাতের কিছু অংশ ঘুমানোর পর শেষ রাতে উঠে যে নামাজ আদায় করা হয়, তাকে তাহাজ্জুদ বলা হয়। রাসুল (সা.)-এর ওপর এই নামাজ ফরজ ছিল
১ দিন আগে
অত্যন্ত মনোযোগ ও একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের কখনো কখনো ভুল হয়ে যায়। অনেক সময় রুকুতে গিয়ে আমরা ভুল করে সিজদার তাসবিহ পড়ে ফেলি, আবার সিজদায় গিয়ে রুকুর তাসবিহ বলে ফেলি।
২ দিন আগে