
প্রত্যেক মুসলমানের চূড়ান্ত লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও একান্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে জান্নাতের মেহমান হওয়া। কেননা জান্নাত অনন্ত সুখ, শান্তি ও অসংখ্য নিয়ামতের জায়গা। আল্লাহ তাআলা নিজেই জান্নাতের দিকে বান্দাদের ডেকেছেন। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ শান্তির ঘরের দিকে ডাকছেন।’ (সুরা ইউনুস: ২৫)
এই কাঙ্ক্ষিত জান্নাতের জন্য অবশ্যই আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রাসুলের সুন্নত পালন করা সবার জন্য অপরিহার্য। তবে এই জান্নাত লাভের সহজ ও ছোট ছোট কিছু আমল রয়েছে। যেগুলো পালন করলে জান্নাতের পথ সুগম হয়। এখানে পাঁচটি আমল তুলে ধরা হলো—
এক. প্রতিবার অজুর পর কালিমা শাহাদাত পড়া। কেননা তা পড়লে জান্নাতের আটটি দরজার যেকোনোটি দিয়ে তাকে প্রবেশ করতে বলা হবে। (নাসায়ি: ১৪৮, তিরমিজি: ৫৫)
দুই. প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় একবার করে সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পড়া। কেননা এই ইস্তিগফার সকালে পড়ে সন্ধ্যার আগে মারা গেলে অথবা সন্ধ্যায় পড়ে রাতের মধ্যে মারা গেলে সে জান্নাতি হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারি: ৬৩০৬, মিশকাত: ২৩৩৫)
তিন. তাকবিরে তাহরিমার সঙ্গে টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা। কারণ, এতে করে তার নাম মুনাফিকের খাতা থেকে কাটা যাবে আর জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। (তিরমিজি)
চার. আজানের সময় মনোযোগী হয়ে আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে আজানের উত্তর দেওয়া। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে আজানের উত্তর দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।’ (মুসলিম: ৩৮৫, আবু দাউদ: ৫২৭)
পাঁচ. ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ে, জান্নাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে মৃত্যু ছাড়া তার আর কোনো বাধা থাকে না।’ (নাসায়ি: ৯৯২৮)
আরও পড়ুন-

জাহেলিয়াতের ঘোর অমানিশায় নিমজ্জিত ছিল এই ধরণি। মানুষ বিস্মৃত হয়েছিল মানবিকতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ন্যূনতম আলো। কন্যাসন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করার মতো নির্মমতা, গোত্রে গোত্রে রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর অন্যায়-অবিচারের পঙ্কিলতায় আরবের ধূলিকণা ছিল কলঙ্কিত।
৫ ঘণ্টা আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে যেসব মহামানব তাঁদের কালজয়ী কর্ম ও আদর্শ দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি কেবল কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একাধারে মহান শিক্ষক, সমাজসংস্কারক, ন্যায়বিচারক, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক...
৬ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআনের জরাজীর্ণ পাতায় আলতো হাত বোলান তিনি। অক্ষরের প্রতি পরম মমতায় চোখে ভেসে ওঠে এক ঐশ্বরিক শ্রদ্ধা। তিনি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির অধিবাসী হাফেজ ইমরান কুরাইশি। কোনো সরকারি অনুদান বা সংস্থার সাহায্য ছাড়া, স্রেফ নিজের ইচ্ছাশক্তি ও রবের প্রতি ভালোবাসাকে সম্বল করে চার বছর ধরে এক অনন্য...
৬ ঘণ্টা আগে
‘ফি আমানিল্লাহ’ একটি আরবি বাক্য, যার অর্থ—‘আল্লাহর নিরাপত্তায়’ বা ‘আল্লাহ আপনাকে নিরাপদে রাখুন’। কাউকে বিদায় দেওয়া কিংবা বিদায় নেওয়ার সময়ে দোয়ার উদ্দেশ্যে এই বাক্যটি বলা যাবে। এতে কোনো বাধা নেই। তবে এ ক্ষেত্রে ইসলামের মূল শিক্ষা ও সুন্নাহর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬ ঘণ্টা আগে