মানুষের জীবনে সুস্থতা ও অসুস্থতা উভয়ই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। বিভিন্ন সময়ে আমরা প্রাণঘাতী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হই। এসব কঠিন রোগ ও ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে চিকিৎসার পাশাপাশি আল্লাহর সাহায্যের বিকল্প নেই।
তিনিই মানুষকে রোগ থেকে আরোগ্য ও মুক্তি দিতে পারেন। হাদিস শরিফে কঠিন রোগ থেকে বেঁচে থাকার এবং আক্রান্ত হলে মুক্তি পাওয়ার বেশ কয়েকটি অত্যন্ত কার্যকর দোয়া বর্ণিত হয়েছে।
যাবতীয় কুষ্ঠ, ধবল বা সংক্রামক ব্যাধিসহ সব ধরনের কঠিন রোগ থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এই দোয়া বেশি বেশি পড়তে বলেছেন,
‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাসি; ওয়াল জুনুনি; ওয়াল জুজামি; ওয়া সাইয়্যিয়িল আসক্বাম।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি অবশ্যই তোমার কাছে ধবল (শ্বেতী), উন্মাদ (পাগলামি), কুষ্ঠরোগ এবং সব ধরনের কঠিন রোগ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ (সুনানে আবু দাউদ)
উসমান ইবনে হুনাইফ (রা.) থেকে বর্ণিত, এক অন্ধ ব্যক্তি নবীজি (সা.)-এর কাছে এসে আরোগ্যের জন্য দোয়া চাইলেন। তখন রাসুল (সা.) তাকে উত্তমভাবে অজু করার নির্দেশ দিলেন এবং এই দোয়া পড়তে বললেন,
‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ওয়া আতাওয়াজ্জাহু ইলাইকা বিনাবিইয়িকা মুহাম্মাদিন নাবিইয়ির রাহমাহ, ইয়া মুহাম্মাদু ইন্নি তাওয়াজ্জাহতু বিকা ইলা রব্বি ফি হাজাতি হাজিহি লিতুকদ্বা লি, আল্লাহুম্মা ফাশাফফি’হু ফিইয়া।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, তোমার কাছে আমি প্রার্থনা করি এবং তোমার প্রতি মনোনিবেশ করি তোমার নবী, দয়ার নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর (দোয়ার) মাধ্যমে। (হে নবী!) আমি আপনার মাধ্যমে আমার প্রয়োজনের জন্য আমার প্রভুর দিকে ধাবিত হলাম, যাতে আমার এ প্রয়োজন পূর্ণ করে দেওয়া হয়। হে আল্লাহ! আমার প্রসঙ্গে তুমি তাঁর সুপারিশ কবুল করো।’ (জামে তিরমিজি: ৩৫৭৮; মুসতাদরাকে হাকিম)।

মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
৫ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৬ ঘণ্টা আগে
আমরা আখিরাতের অনন্ত জীবনের যাত্রী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে পরকালে—যার শেষ পরিণতি হয় চিরসুখের জান্নাত, না হয় ভয়াবহ জাহান্নাম। আজকাল আমরা অঢেল ধনসম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি কিংবা সমাজের উঁচু পদমর্যাদাকেই ‘সফলতা’ বলে ধরে নিয়েছি।
২ দিন আগে