
ব্রিটিশ ভারতের প্রখ্যাত হানাফি আলেম, হাদিস বিশারদ ও আধ্যাত্মিক সাধক মাওলানা খলিল আহমাদ সাহারানপুরি (রহ.) ছিলেন দেওবন্দি আন্দোলনের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম প্রাণপুরুষ। তাঁর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের সুবাস আজও সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে আছে।
১৮৫২ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই জ্ঞানের প্রতি তাঁর প্রবল অনুরাগ ছিল।
মাওলানা সাহারানপুরি (রহ.)-এর শিক্ষার হাতেখড়ি হয় তাঁর নানা মাওলানা মামলুক আলীর কাছে।
শিক্ষা সমাপনের পর তাঁর কর্মজীবন ছিল বহুমুখী ও সফল।
তাঁর আধ্যাত্মিক ও ইলমি উচ্চতা ছিল আকাশচুম্বী।
মাওলানা রশিদ আহমাদ গাঙ্গুহি (রহ.) তাঁর সম্পর্কে বলতেন—‘আমি যা, খলিল আহমাদও তা।’
হাজি ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মাক্কি (রহ.) এক পত্রে লিখেছিলেন—‘তুমি আমার সিলসিলার গৌরব। তোমার প্রতি আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’
তাঁর কাছে সরাসরি হাদিস ও ফিকহ শিক্ষা নিয়েছেন এমন ছাত্রের সংখ্যা অগণিত। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:
মাওলানা খলিল আহমাদ সাহারানপুরি (রহ.) তাঁর ক্ষুরধার লেখার মাধ্যমে বাতিল ফেরকা ও ভ্রান্ত আকিদার বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো:
জীবনের শেষভাগে ১৯২৭ সালে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। সেখানে তিনি সুনানে আবু দাউদের দরস প্রদান করতেন। ১৯২৭ সালের ১১ অক্টোবর এই মহান মুহাদ্দিস মদিনায় ইন্তেকাল করেন। জান্নাতুল বাকিতে হজরত উসমান জুন নুরাইন (রা.)-এর কবরের সন্নিকটে তাঁকে দাফন করা হয়।

মুমিনের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা। এটি এমন এক আমল, যা সরাসরি কোরআনের নির্দেশ এবং অসংখ্য সহিহ হাদিসে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরুদ পাঠ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
২১ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১ দিন আগে