রমজান মানুষকে দানশীলতা ও বদান্যতার শিক্ষা দেয়। এই মাস দান-সদকার মাধ্যমে অধিক সওয়াব অর্জনের মাস। রমজান মাসে রোজাদার অভাবী মানুষের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করতে পারেন। ক্ষুধা ও পিপাসায় নিজেকে কষ্ট দিয়ে সহমর্মী হন গরিব-দুঃখী মানুষের প্রতি।
দান সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আমি তোমাদের যা দিয়েছি, তা থেকে মৃত্যু আসার আগেই ব্যয় করো। অন্যথায় বলবে—হে আমার রব, আমাকে আরও কিছুকাল অবকাশ দিলেন না কেন? তাহলে আমি দান-সদকা করতাম এবং ভালো লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’ (সুরা মুনাফিকুন: ১০)
হাদিসে এসেছে, ‘প্রিয় নবী (সা.) এমনিতেই অধিক পরিমাণে দান করতেন। যখন থেকে জিবরাইল (আ.) তাঁর কাছে আসা শুরু করেন, তখন থেকে মাহে রমজানে তিনি প্রবহমান বাতাসের মতো উন্মুক্ত হস্তে অধিকতর দাতা হয়ে যেতেন।’ (সহিহ্ বুখারি: ০৬; সহিহ্ মুসলিম: ২৩০৮)
হজরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, সবচেয়ে উত্তম সদকা কী? তিনি বললেন, ‘রমজান মাসের সদকা।’ হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) পবিত্র রমজান মাসে বিপুল পরিমাণে দান করতেন। (জামে তিরমিজি: ২৩৫১)
হজরত আনাস (রা.) বলেন, ‘নবীজি (সা.)-এর চেয়ে বেশি দানশীল আমি আর কাউকে দেখিনি।’ (সহিহ্ মুসলিম: ১৮৪২)
দানশীলতা সম্পর্কে হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত আছে, ‘আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে আদম সন্তান, তুমি দান করতে থাকো, আমিও তোমাকে দান করব।’ (সহিহ্ বুখারি: ১৬৩১)
আমরা স্বভাবতই কমবেশি দান করে থাকি। কখনো দানের জন্য মোক্ষম সময়ও অনুসন্ধান করি। আর সেই উত্তম সময়টি হলো রমজান। এই মাসে দানের বিষয়টি সম্পূর্ণই আলাদা। তাই বছরের অন্য মাসগুলোর তুলনায় রমজান মাসে অধিক দান-সদকা করা বুদ্ধিমানের কাজ।

তার ঘোড়া ছুটছিল বিদ্যুতের বেগে। কিন্তু আল্লাহর কুদরত, সে মুহাম্মদ (সা.)-এর কাছাকাছি যেতেই হঠাৎ তার ঘোড়ার পা হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল। সুরাকা কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে আবারও সামনে এগোনোর চেষ্টা করল। কিন্তু এবার তার ঘোড়ার পা বালুর মধ্যে দেবে গেল। যতবার সে চেষ্টা করে, ততবারই তার ঘোড়া বালুতে দেবে যেতে থাকে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুসলিম সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে হজরত মাওলানা আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) একটি অবিস্মরণীয় নাম। তিনি ছিলেন একাধারে তুখোড় বাগ্মী, রাজনীতিবিদ এবং একনিষ্ঠ ধর্মীয় নেতা। মজলিশ-ই-আহরার-ই-ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাঁর অবদান আজও স্মরণীয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বছর ঘুরে এল মাহে রমজান। অফুরান রহমতের বারিধারায় সিক্ত হওয়ার অনন্য সুযোগ রয়েছে এ মাসে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় একজন মুমিন তাকওয়ার গুণে গুণান্বিত হতে পারে। তবে এর জন্য আমাদের অবশ্যই রমজানের সব শর্ত, আদব ও বিধানসমূহের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৯ ঘণ্টা আগে