জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য পেতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| ফজর | ০৪: ৩২ মিনিট | ০৫: ২২ মিনিট |
| জোহর | ০৫: ২৩ মিনিট | ০৬: ৪১ মিনিট |
| আসর | ১২: ১৩ মিনিট | ০৪: ০৪ মিনিট |
| মাগরিব | ৫: ৫৬ মিনিট | ০৭: ০৯ মিনিট |
| এশা | ৭: ১০ মিনিট | ০৪: ৩১ মিনিট |
ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন:
বিয়োগ করতে হবে
যোগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর বরকতময় আমল
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হজরতজি মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভি (রহ.)। বিংশ শতাব্দীতে মুসলিম উম্মাহকে ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে দ্বীনি জজবা জাগ্রত করতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত তাবলিগ জামাত আজ বিশ্বব্যাপী এক বিশাল মহিরুহে পরিণত হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইসলাম ধর্মে সিয়াম বা রোজা কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি একজন মুসলমানের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবনধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ। রোজা মানুষকে আত্মসংযম, ধৈর্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে পরিচালিত করে। রমজান মাসের রোজা শুধু পানাহার ত্যাগ করা নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও সমাজসেবার এক অনন্য মাধ্যম।
২০ ঘণ্টা আগে
বলছি, মক্কার সবচেয়ে বিশ্বস্ত যুবকের যৌবনকালের কথা—যাঁর সততা আর নৈতিকতা তাঁর যৌবনের উজ্জ্বলতাকে পবিত্র করে তুলেছিল। তিনি আমাদের মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাঁর সততা, বিশ্বস্ততা আর অনুপম চরিত্রের গল্প সবার মুখে মুখে ঘুরে বেড়াত। মানুষজন ভালোবেসে তাঁকে উপাধি দিয়েছিলেন—‘আল-আমিন।’
২০ ঘণ্টা আগে
ইসলামে ইবাদতের গ্রহণযোগ্যতার প্রধান শর্ত হলো নিয়ত বা সংকল্প। বিশেষ করে রমজানের রোজার ক্ষেত্রে নিয়ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সংকল্প করা, ইচ্ছা করা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘প্রত্যেক আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।’ (সহিহ বুখারি: ১)
২১ ঘণ্টা আগে