Ajker Patrika

তওবায় প্রশান্তি মেলে

হুসাইন আহমদ, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক
আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৫, ২১: ৪৮
তওবায় প্রশান্তি মেলে
ফাইল ছবি

খাঁটি তওবা অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে। ইসলামে তওবা হলো, অতীতের সব গুনাহের জন্য অনুশোচনা করে ভবিষ্যতে কখনো তা না করার দৃঢ়প্রত্যয় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করা। হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো। কেননা আমি আল্লাহর কাছে প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করে থাকি।’ (সহিহ মুসলিম: ৬৭৫২) দেখুন, মহানবী (সা.)

গুনাহমুক্ত হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর কাছে প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করেছেন, তাহলে আমরা যারা দুর্বল মুমিন, প্রতিনিয়ত গুনাহের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছি, তাদের কতবার আল্লাহর দরবারে সিজদাবনত হয়ে তওবা করা উচিত?

নিষ্ঠার সঙ্গে তওবা করে সেটার ওপর অবিচল থাকা মুমিনের কর্তব্য। ভবিষ্যতে কোনো গুনাহের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। মহান আল্লাহর সব বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। নিজের প্রবৃত্তির কাছে কোনোভাবেই পরাজিত হওয়া যাবে না। এ জন্য তওবা করার সময় অন্তরে অনুশোচনা রেখে, অতীত ও ভবিষ্যতের সব গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে। হজরত ওমর (রা.)-কে খাঁটি তওবা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘মানুষ খারাপ কাজ থেকে তওবা করবে, এরপর আর কখনো (গুনাহের পথে) ফিরে আসবে না।’

নিষ্ঠার সঙ্গে তওবা করতে পারলে অন্তরে দারুণ প্রশান্তি আসে, গুনাহের ভারে ভারাক্রান্ত হৃদয় থেকে যেন পাথর নেমে যায়। হৃদয় কোমল হয়, সুপ্ত মানবিকতা ও পরিশুদ্ধতা জেগে ওঠে।

গুনাহের পথ ছেড়ে মানুষ তখন আল্লাহর ইবাদত ও মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত হয়। আল্লাহর হক ইবাদত যেমন যথাযথভাবে আদায় করে, বান্দার হক দেনা-পাওনা ইত্যাদিতেও কোনো দুর্বলতা রাখে না। এটিই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়।

লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিলে আইনি পথ দেখবে বিসিবি

আজকের রাশিফল: চাকরিতে সুখবর আসবে, সঙ্গীকে ‘সরি’ বলতে দ্বিধা করবেন না

বরিশাল-৫: ভোটের লড়াইয়ে হাতপাখার প্রতিদ্বন্দ্বী এখন ধানের শীষ

১০৩ কর্মী নেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত