হাবিল ও কাবিল নামে হজরত আদমের দু’টি সন্তান ছিল। এই দুই ভাইয়ের মধ্যে একবার এক বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এই দ্বন্দ্ব নিরসনে আল্লাহর নামে তাদের কোরবানি করার আদেশ দেন আদম (আ.)। সেটিই ছিল পৃথিবীর প্রথম কোরবানি।
তখন বিধান ছিল—কোরবানির জন্য নির্ধারিত বস্তু খোলা জায়গায় রেখে দেওয়া হতো। আল্লাহ যার কোরবানি কবুল করতেন—আকাশ থেকে আগুন এসে তার বস্তু জ্বালিয়ে ফেলতো। আর কবুল না হলে, পড়ে থাকত। এভাবেই কোরবানিদাতা বুঝে নিতেন—তার কোরবানি মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হয়েছে কী না।
বাবা আদমের নির্দেশে দুই ভাই কোরবানি দিল। কাবিল চাষাবাদ করত আর হাবিল করত পশুপালন। কাবিল নিজের চাষ করা গম থেকে ভালোগুলো খাবারের জন্য রেখে খারাপগুলো কোরবানির জন্য রেখে এল। আর হাবিল তার পশুপালের সবচেয়ে ভালো দুম্বাটি রেখে এলেন কোরবানির জন্য।
কোরবানির মূল বিষয় হলো মনের নিয়ত। আল্লাহ সবার নিয়ত জানেন। রাখেন হৃদয়ের খবর। নিয়তের ত্রুটির কারণে কাবিলের কোরবানি যথাস্থানেই পড়ে থাকল। আর আকাশ থেকে অগ্নিশিখা এসে হাবিলের কোরবানি ভস্মীভূত করে দিল। নিয়তের বিশুদ্ধতায় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করলেন আদি পিতা আদম (আ.)-এর ছেলে হাবিল। সেখান থেকেই শুরু কোরবানির আয়োজন। চলছে কাল মহাকাল ধরে।
হাবিল-কাবিলের কোরবানির ঘটনা পবিত্র কোরআনে এসেছে এভাবে—
আদমের দুই পুত্রের খবর তাদের সঠিকভাবে জানিয়ে দাও। উভয়ে যখন একটি করে কোরবানি হাজির করেছিল, তখন তাদের একজনের নিকট থেকে কবুল করা হল। অন্যজনের নিকট থেকে কবুল করা হল না। সে বলল, আমি তোমাকে অবশ্যই হত্যা করব। অন্যজন বলল, আল্লাহ কেবল মুত্তাকিদের কোরবানি কবুল করেন। আমাকে হত্যা করার জন্য তুমি আমার দিকে হাত বাড়ালেও আমি তোমাকে হত্যা করার জন্য তোমার দিকে হাত বাড়াব না। আমি বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করি। আমি চাই তুমি আমার ও তোমার পাপের বোঝা বহন কর, আর অগ্নিবাসী হয়ে যাও। অন্যায়কারীদের এটাই প্রতিদান।
অতঃপর তার নফস তাকে ভ্রাতৃহত্যার কাজে প্ররোচিত করল। তাই সে তাকে হত্যা করল এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল। তারপর আল্লাহ একটি কাক পাঠালেন। কাক মাটি খনন করতে লাগল, সে তার ভাইয়ের লাশ কীভাবে গোপন করবে তা দেখানোর জন্য।
সে বলল, ধিক আমাকে, আমি এই কাকটির মতোও হতে পারলাম না—যাতে আমার ভাইয়ের লাশ গোপন করতে পারি! তাই সে অনুতপ্ত হল। (সুরা মায়িদা: ২৭-৩১)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
মানুষের চারপাশে যেমন ভালো বন্ধু থাকে, তেমনি অবধারিতভাবে কিছু শত্রুও তৈরি হয়। কেউ কেউ বন্ধুর ছদ্মবেশে ক্ষতি করার চক্রান্ত করে, আবার কেউ প্রকাশ্যে শত্রুতা করে। এই চক্রান্ত ও অনিষ্ট থেকে বাঁচতে মানবীয় চেষ্টার পাশাপাশি আল্লাহর সাহায্য নেওয়া একান্ত জরুরি।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ঈদ, বিয়ে, ওয়ালিমা, আকিকা, আত্মীয়স্বজনের পুনর্মিলনীকে কেন্দ্র করে প্রায় প্রতিটি পরিবারে বছরের নানা সময়ে ভোজ অনুষ্ঠান চলে। অনুষ্ঠানের দাওয়াত যায় এক আত্মীয় থেকে আরেক আত্মীয়ের বাড়িতে।
২ দিন আগে