ইসলামের অন্যতম রুকন নামাজ। নামাজ আদায়ের জন্য অজু আবশ্যক। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জান্নাতের চাবি নামাজ। আর নামাজের চাবি হচ্ছে অজু।’ (জামে তিরমিজি: ৪)। অজু করার পর বেশ কিছু কারণ পাওয়া গেলে তা ভেঙে যায়।
অজু ভেঙে যায় যে ৭ কারণে: ১. পায়খানা ও প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে কিছু বের হলে। ২. নামাজে উচ্চ স্বরে হাসলে। ৩. মুখ ভরে বমি করলে। ৪. থুতুর সঙ্গে রক্তের ভাগ সমান বা বেশি হলে। ৫. চিৎ বা কাত হয়ে হেলান দিয়ে ঘুমালে। ৬. কিছু সময়ের জন্য বেহুঁশ বা উন্মাদ হলে। ৭. শরীরের যেকোনো জায়গা থেকে রক্ত, পুঁজ বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে।
উল্লিখিত বিষয়গুলো থেকে বোঝা যায়, শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে গড়িয়ে পড়া অজু ভাঙার অন্যতম একটি কারণ। আমাদের সমাজে অনেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয় এবং তাদের নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দেয়। এই রোগে আক্রান্ত মানুষজনের প্রশ্ন—ডায়াবেটিস পরীক্ষা করালে কি অজু ভেঙে যাবে, নতুনভাবে অজু করে নামাজ আদায় করতে হবে?
সাধারণত দেখা যায়, ডায়াবেটিস পরীক্ষার সময় রক্তে সুগারের পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য একটি সূক্ষ্ম সুইয়ের সাহায্যে আঙুলের মাথায় খোঁচা দেওয়া হয়। এতে রক্ত বেরিয়ে এলে টেস্টিং স্ট্রিপে সামান্য রক্ত নিয়ে তা যন্ত্রে প্রবেশ করিয়ে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়।
জেনে রাখার বিষয় হলো, উল্লিখিত পদ্ধতিতে ডায়াবেটিস পরীক্ষার সময় যদি গড়িয়ে পড়বে এই পরিমাণ রক্ত বের না হয়, তাহলে অজু ভাঙবে না। নামাজ আদায়ের জন্য নতুন করে অজু করার প্রয়োজন পড়বে না। তবে যদি সুইয়ের সাহায্যে আঙুলের মাথায় খোঁচা দেওয়ার পর গড়িয়ে পড়বে—এই পরিমাণ রক্ত বের হয়, তাহলে অজু ভেঙে যাবে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস পরীক্ষার জন্য যদি ইনজেকশন দিয়ে রক্ত নেওয়া হয় এবং তা যদি গড়িয়ে পড়ার পরিমাণ হয়, তাহলে অজু ভেঙে যাবে।

পৃথিবীতে মানুষ সাময়িক ক্ষমতার মালিক হয়। তার অধীনে থাকে কিছু মানুষ, যারা ভয়ে কিংবা শ্রদ্ধায় তাকে মান্য করে। সে যদি আল্লাহর তাআলার নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষমতার ন্যায়সংগত ব্যবহার না করে, তাহলে তা হবে জুলুম।
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২০ ঘণ্টা আগে
ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ হজ। হজ ব্যবস্থাপনা একটি দ্বিরাষ্ট্রিক কার্যক্রম। এই ব্যবস্থাপনার নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলোতে সৌদি সরকারের ভূমিকাই মুখ্য। বাংলাদেশের মতো হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সৌদি সরকারের বিধিবিধান, দিকনির্দেশনা ও রোডম্যাপের আলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
১ দিন আগে
মানুষের জীবনে রিজিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থ-সম্পদের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্য, মানসিক প্রশান্তি, নেক সন্তান, সময়ের বরকতও রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত এমন কিছু আমল আছে, যেগুলোর পাবন্দি করলে রিজিকে বরকত আসে। এ
২ দিন আগে