আমাদের দেশে ঈদের দিন প্রিয়জনদের বিশেষ করে ছোটদের ঈদি বা ঈদ সালামি দিতে দেখা যায়। কেউ টাকা দিয়ে আবার কেউ অন্য উপহার দিয়ে ছোটদের খুশি করার চেষ্টা করেন। এভাবে ঈদ উদ্যাপনে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো বিধিনিষেধ আছে কি?
মুহাম্মদ শামীম, ঢাকা
ঈদ অর্থ খুশি ও আনন্দ। রমজান মাসজুড়ে রোজা রাখার পর মহান আল্লাহ এই দিনে মুমিন মুসলমানদের খুশি উদযাপন করতে আদেশ দিয়েছেন। এই দিন আল্লাহর আতিথেয়তার দিন। ভরপুর খাওয়া-দাওয়া, আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ এবং গরিব-দুঃখী মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার দিন। বিশেষ করে ছোটদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম ঈদি বা ঈদ সালামি।
সালামি বা সেলামি শব্দের অর্থ উপহার, নজরানা ইত্যাদি। ঈদের দিনে ছোটদের খুশি করতে টাকাপয়সা বা অন্য কোনো উপহারের মাধ্যমে সালামি দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল বৈধ রীতিই নয়, বরং তা প্রশংসনীয়ও বটে। কারণ ছোটদের উপহার দিতে এবং আদর-স্নেহ করতে উৎসাহ দেয় ইসলাম। এতে আত্মীয়তার বন্ধন সুদৃঢ় হয় এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বাড়ে। ঈদের আনন্দে যোগ হয় নতুন মাত্রা।
হাদিসে এসেছে, নবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা উপহার আদান-প্রদান করো, পারস্পরিক ভালোবাসা সৃষ্টি হবে।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ)। অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং আমাদের বড়দের সম্মান বোঝে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।’ (তিরমিজি ও আবু দাউদ) আরেক হাদিসে এরশাদ হয়েছে, নবী (সা.) বলেন, ‘উত্তম আমল হলো, তোমার মুসলিম ভাইকে খুশি করা।... (শুআবুল ইমান)
উত্তর দিয়েছেন: ইসলামবিষয়ক গবেষক

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
৩ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৭ ঘণ্টা আগে