চারটি উন্নত ও অনুপম সদ্গুণ এমন আছে, যেগুলো সাধারণত কোনো নীতিপরায়ণ, চরিত্র মাধুরীসম্পন্ন বিনয়ী ব্যক্তির হয়ে থাকে। নবীজির মধ্যে গুণগুলো ষোলো আনায় বিদ্যমান ছিল।
এক. অসুস্থের সেবা-শুশ্রূষা: নবী (সা.) ধনী-গরিব, আজাদ-গোলামনির্বিশেষে সবার খোঁজখবর নিতেন। কারও অসুস্থতার সংবাদ পেলে নিঃসংকোচে তার শুশ্রূষার জন্য যেতেন। এমনকি একবার তাঁর জনৈক ইহুদি খাদেম অসুস্থ হলে তিনি তারও শুশ্রূষা করেন। চাচা আবু তালিব ইসলাম গ্রহণ করেননি। তিনি তাঁরও শুশ্রূষা করেছেন।
দুই. লাশের সঙ্গে যাওয়া: নবীজি (সা.) মৃতের জানাজায় শরিক হতেন। নিজেই জানাজার ইমামতি করতেন। জানাজার পর লাশের সঙ্গে গোরস্থান পর্যন্ত হেঁটে গিয়ে দাফনকাজে শরিক হতেন।
একবার মসজিদে নববির পরিচ্ছন্নতাকর্মী এক মহিলা রাতে ইন্তেকাল করেন। রাতে নবীজি (সা.)-এর কষ্ট হতে পারে এ আশঙ্কায় মৃতের আত্মীয়স্বজন তাঁকে সংবাদ দেয়নি। নিজেরাই মহিলার কাফন-দাফনের কাজ সম্পন্ন করে। পরে এ সংবাদ শুনে নবীজি (সা.) অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
তিন. দরিদ্রদের নিমন্ত্রণ কবুল করা: দরিদ্রদের নিমন্ত্রণ কবুল করা এবং তাদের কথা শোনা মানুষের অন্যতম সদ্গুণ। প্রিয় নবী (সা.) সব মানুষের বক্তব্য শুনতেন। কোনো গোলামও যদি তাঁকে নিজ প্রয়োজনের সমাধা করে দেওয়ার জন্য নিয়ে যেতে চাইত, তিনি নিঃসংকোচে গোলামের সঙ্গে চলে যেতেন। এটাকে নিজের সম্মানহানি মনে করতেন না।
চার. গাধার পিঠে আরোহণ করা: প্রিয় নবী (সা.)-এর জন্য উট, ঘোড়া ইত্যাদি উন্নত বাহন গ্রহণের ব্যবস্থা ছিল। অথচ তিনি বিনয় প্রকাশার্থে গাধা ও খচ্চরের পিঠেও সওয়ার হতেন। এটাকে নিজের জন্য অপমানজনক মনে করতেন না।
খাইবার যুদ্ধ, বনু কুরায়জা ও নাজির যুদ্ধে তিনি একজন সেনাপতি ও মুসলমানদের প্রধান হিসেবে রণক্ষেত্র অতিক্রম করছিলেন, তখন তাঁর বাহন ছিল সামান্য একটি গাধা। কিন্তু নবীজি (সা.)-এর চরিত্র ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী। (মিশকাতুল মাসাবিহ: ৫৮২১; আখলাকুন্নবী: ১২০)

শিরক সবচেয়ে বড় জুলুম। কোরআন ও হাদিসের আলোকে শিরকের ভয়াবহতা জানুন এবং নবীজি (সা.) শেখানো শিরক থেকে বাঁচার দোয়াটি মুখস্থ করুন।
৩ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জিকিরের গুরুত্ব অপরিসীম। মহানবী (সা.) আমাদের এমন কিছু ছোট আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা আমলনামাকে সওয়াবে ভরিয়ে দেয় এবং জীবনের ছোট-বড় গুনাহ দূর করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নামাজের পরের তিন তাসবিহ—সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার।
১২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৮ ঘণ্টা আগে
আজানের বাক্যগুলো সাধারণত সব ওয়াক্তে একই থাকে, তবে ফজরের আজানে অতিরিক্ত একটি বাক্য যোগ করতে হয়—‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’, অর্থাৎ, ঘুম থেকে নামাজ উত্তম। কখনো এমন হতে পারে যে, মুয়াজ্জিন ভুলবশত এই বাক্য বলতে ভুলে গেলেন। যদি এমন হয়, তাহলে আজান শুদ্ধ হবে নাকি আবার আজান দিতে হবে?
১ দিন আগে