
পবিত্র কোরআন হাতে নিয়ে আদরের ছাত্রের তিলাওয়াত শুনছিলেন তিনি। হঠাৎ নিথর হয়ে পড়ল দেহটি, প্রাণপাখি উড়ে গেল মহাপ্রভুর সান্নিধ্যে। ইয়েমেনের মারিব প্রদেশে পবিত্র কোরআন পাঠদানরত অবস্থায় এক মহিমান্বিত মৃত্যুর সাক্ষী হলেন উপস্থিত ছাত্র ও মুসল্লিরা।
গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) মারিবের রুইমেলা এলাকার নুরা মসজিদে কোরআন হিফজের পাঠদানকালে ইন্তেকাল করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ও কোরআন গবেষক শায়খ ড. আলী মুহাম্মদ আস-সানআনি।
ড. আলী আস-সানআনি একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন ইয়েমেনের ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম আলোকবর্তিকা। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নুরা মসজিদের হিফজুল কোরআন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মারিব প্রদেশের কয়েক প্রজন্মের হাজারো শিক্ষার্থী তাঁর কাছ থেকে কোরআনের পাঠ গ্রহণ করেছেন। তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল আকাশছোঁয়া; তিনি সম্মানের সঙ্গে পিএইচডি অর্জন করেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানায়, মৃত্যুকালে শায়খ আস-সানআনি তাঁর চিরচেনা আসনে বসে ছিলেন। হাতে ছিল আল্লাহর কালাম, আর তিনি গভীর মনোযোগ দিয়ে এক ছাত্রের তিলাওয়াত শুনছিলেন। সেই অবস্থাতেই হঠাৎ তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। উপস্থিত ছাত্ররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই কোরআনের এই নিরলস খাদেম তাঁর মহান স্রষ্টার ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। স্থানীয় বাসিন্দারা এই মৃত্যুকে ‘হুসনে খাতেমা’ বা ‘বরকতময় প্রস্থান’ হিসেবে অভিহিত করেন।
সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের কাছে ড. সানআনি তাঁর অমায়িক ব্যবহার এবং নম্রতার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। প্রচারবিমুখ এই নিভৃতচারী আলেম তাঁর পুরো জীবন দ্বীনি শিক্ষা এবং দাওয়াতি মিশনের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। ইয়েমেনের ইসলামি শিক্ষাঙ্গনে তাঁর মৃত্যু এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।
যে কোরআনকে তিনি জীবনের পাথেয় করেছিলেন, সেই কোরআনের খেদমতে থাকা অবস্থায়ই মহান রব তাঁকে নিজের কাছে ডেকে নিলেন। তাঁর এই বিদায় যেন প্রমাণ করল—মানুষ যেভাবে জীবন কাটায়, সেভাবেই তার সমাপ্তি ঘটে।

সিলেটের একটি ছিমছাম অফিস। একদিকে থরে থরে সাজানো বইপত্র, কি-বোর্ড, মাউস আর মেধা খাটিয়ে তৈরি করা নানান ডিজাইনের পোস্টার-ক্যালেন্ডার। অন্যদিকে নিজের হাতে আঁকা নানা রঙের ক্যালিগ্রাফি। মনোরম এই অফিসের এক কোণে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার স্ক্রিনে চলছে এআই প্রম্পটিংয়ের কারুকাজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি বর্ষিত হওয়া আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের অপূর্ব নিদর্শন। বৃষ্টি যেমন মৃত জমিনকে জীবিত করে তোলে, তেমনি মানুষের অন্তরেও এনে দেয় প্রশান্তি ও সজীবতা। বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) বিশেষ কিছু আমল ও কাজ করতেন, যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও শিক্ষণীয় আদর্শ।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
আনাস (রা.) আরও বলেন, আল্লাহর কসম! পরের ছয় দিন আমরা সূর্য দেখিনি। পরের জুমায় ফের ওই ব্যক্তি যখন মসজিদে প্রবেশ করেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা দিচ্ছিলেন। ওই ব্যক্তি আরজ করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, ধনসম্পদ সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পানিতে পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহর কাছে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার দোয়া করুন।
২ দিন আগে