সাকী মাহবুব

একজন মুমিনের কাছে নতুন বছর কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা বদল নয়; বরং এটি নিজেকে পরিমাপ করা, ভুল সংশোধন করা এবং আল্লাহর দিকে নতুন করে ফিরে যাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে শপথ করেছেন, ‘শপথ সময়ের, নিশ্চয়ই মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; তবে তারা নয়, যারা ইমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।’ (সুরা আসর: ১-৩)
এই সুরা স্পষ্টভাবে বলে দেয়—সময় যদি ইমান ও সৎকর্মে ব্যয় না হয়, তবে তা মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন বছর একজন মুমিনকে প্রশ্ন করতে শেখায়—বিগত বছরে তার ইমান কতটা দৃঢ় ছিল, তার আমল কতটা বিশুদ্ধ ছিল?
নতুন বছর মুমিনের জন্য গুনাহ থেকে ফিরে আসার, নামাজে যত্নবান হওয়ার, কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার এবং চরিত্র সংশোধনের এক নতুন সূচনা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘বুদ্ধিমান সে ব্যক্তি, যে নিজের নফসের হিসাব গ্রহণ করে এবং মৃত্যুর পরের জীবনের জন্য প্রস্তুতি নেয়।’ (জামে তিরমিজি)।
এই হাদিস অনুযায়ী, নতুন বছর একজন মুমিনকে আত্মসমালোচনার শিক্ষা দেয়। সে নিজের কাজের হিসাব নেয়—কোথায় সে আল্লাহর হুকুম মানেনি, কোথায় মানুষের হক নষ্ট করেছে এবং কীভাবে সেসব ভুল সংশোধন করা যায়। তাই মুমিনের নতুন বছর শুরু করতে হবে দোয়া, নফল ইবাদত ও কল্যাণকর নিয়তের মাধ্যমে। একই সঙ্গে তাকে সমাজের প্রতিও নিজের দায়িত্ব অনুভব করতে হবে—গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে থাকা এবং মানুষের উপকারে আসাই হবে তার অঙ্গীকার।
মুমিনের ভাবনায় নতুন বছর হলো আত্মগঠন ও আল্লাহমুখী জীবনের নবায়ন। যে ব্যক্তি নতুন বছরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে, তার জীবন হয় অর্থবহ এবং তার ভবিষ্যৎ হয় আলোকিত।

একজন মুমিনের কাছে নতুন বছর কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা বদল নয়; বরং এটি নিজেকে পরিমাপ করা, ভুল সংশোধন করা এবং আল্লাহর দিকে নতুন করে ফিরে যাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে শপথ করেছেন, ‘শপথ সময়ের, নিশ্চয়ই মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; তবে তারা নয়, যারা ইমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।’ (সুরা আসর: ১-৩)
এই সুরা স্পষ্টভাবে বলে দেয়—সময় যদি ইমান ও সৎকর্মে ব্যয় না হয়, তবে তা মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন বছর একজন মুমিনকে প্রশ্ন করতে শেখায়—বিগত বছরে তার ইমান কতটা দৃঢ় ছিল, তার আমল কতটা বিশুদ্ধ ছিল?
নতুন বছর মুমিনের জন্য গুনাহ থেকে ফিরে আসার, নামাজে যত্নবান হওয়ার, কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার এবং চরিত্র সংশোধনের এক নতুন সূচনা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘বুদ্ধিমান সে ব্যক্তি, যে নিজের নফসের হিসাব গ্রহণ করে এবং মৃত্যুর পরের জীবনের জন্য প্রস্তুতি নেয়।’ (জামে তিরমিজি)।
এই হাদিস অনুযায়ী, নতুন বছর একজন মুমিনকে আত্মসমালোচনার শিক্ষা দেয়। সে নিজের কাজের হিসাব নেয়—কোথায় সে আল্লাহর হুকুম মানেনি, কোথায় মানুষের হক নষ্ট করেছে এবং কীভাবে সেসব ভুল সংশোধন করা যায়। তাই মুমিনের নতুন বছর শুরু করতে হবে দোয়া, নফল ইবাদত ও কল্যাণকর নিয়তের মাধ্যমে। একই সঙ্গে তাকে সমাজের প্রতিও নিজের দায়িত্ব অনুভব করতে হবে—গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে থাকা এবং মানুষের উপকারে আসাই হবে তার অঙ্গীকার।
মুমিনের ভাবনায় নতুন বছর হলো আত্মগঠন ও আল্লাহমুখী জীবনের নবায়ন। যে ব্যক্তি নতুন বছরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে, তার জীবন হয় অর্থবহ এবং তার ভবিষ্যৎ হয় আলোকিত।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৯ ঘণ্টা আগে
আল্লাহর দেওয়া জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে সম্পদ যত বেশি মূল্যবান, তার ব্যবহার-প্রক্রিয়াও তত বেশি সুপরিকল্পিত হওয়া প্রয়োজন। সময় বহমান স্রোতের মতো, যাকে কখনো বেঁধে রাখা যায় না। তাই জীবনের এই মূল্যবান সময়গুলো অবহেলায় নষ্ট করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
জানাজার স্থানে যদি পর্দার খেলাপ কিংবা নারীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ইসলাম দেয় না। জানাজার নামাজ যেহেতু নারীদের জন্য আবশ্যক নয়, তাই এতে অংশ নিতে গিয়ে কোনো ফরজ বিধান লঙ্ঘন করা বিধানসম্মত নয়।
২০ ঘণ্টা আগে
জানাজার নামাজ ফরজে কিফায়া। অর্থাৎ কোনো মুসলমান মারা গেলে মহল্লার অল্পসংখ্যক লোক জানাজার নামাজ আদায় করলে বাকিরা দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবে। এ ছাড়া একজন মুসলমানের ওপর অন্য মুসলমানের পাঁচটি হক আছে। এর মধ্যে মৃত ব্যক্তির জানাজায় অংশ নেওয়াও একটি হক।
১ দিন আগে