Ajker Patrika
সাক্ষাৎকার

স্বাস্থ্যে প্রয়োজন সাহসী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত: জামশীদ মোহামেদ

ডা. আহমেদ জামশীদ মোহামেদ। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহামেদ। এ দেশে ডব্লিউএইচওর স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা, ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মুহাম্মাদ শফিউল্লাহর সঙ্গে।

প্রশ্ন: আপনি এর আগে বাংলাদেশে ডব্লিউএইচওর ডেপুটি প্রতিনিধি ছিলেন। বাংলাদেশের কোন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য-বাস্তবতা আপনার চোখে বেশি পড়েছে?

আহমেদ জামশীদ: ২০২১ ও ২০২২ সালে উপপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালনকালে করোনা মহামারির মধ্যবর্তী সময় চলছিল।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দুটি চিত্র রয়েছে। একদিকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন—মানুষের আয়ু বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যু ও শিশু বা নবজাতক মৃত্যুহার হ্রাস এবং পোলিও, লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়াসিস, কালাজ্বরসহ বহু রোগের নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণ। অন্যদিকে স্বাস্থ্যব্যবস্থা অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি, গ্রামীণ এলাকায় ওষুধ ও রোগ নির্ণয়ের সীমিত প্রাপ্যতার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

প্রশ্ন: বর্তমানে কোন কোন স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার বেশি মনোযোগের দাবি রাখে?

আহমেদ জামশীদ: দুটি বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। প্রথমত, সরকারকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে সহায়তা করা; যাতে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয় এবং কেউ পিছিয়ে না পড়ে। এই বিষয়ে ডব্লিউএইচও সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। দ্বিতীয়ত, অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি মোকাবিলায় নজর দেওয়া দরকার।

প্রশ্ন: ডব্লিউএইচওর দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে প্রধান ঘাটতিগুলো কী?

আহমেদ জামশীদ: এটি শুধু দেশীয় নয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অবস্থা। বর্তমানে বাংলাদেশে ৭১ শতাংশ মৃত্যু অসংক্রামক রোগের কারণে হচ্ছে। প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ১১ শতাংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। অসংক্রামক রোগের ঝুঁকির কারণগুলো বিস্তারের প্রবণতার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। তিনজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন ধূমপান বা অন্যভাবে তামাক ব্যবহার করেন। সুপারিশ করা মাত্রার প্রায় দ্বিগুণ লবণ গ্রহণ করছেন। প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়। চারজন প্রাপ্তবয়স্কের একজনের ওজন অতিরিক্ত। জীবনধারা এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও বাণিজ্যিক স্বার্থের প্রভাবে এসব ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই নীতি, আইন ও কর্মসূচিভিত্তিক পদক্ষেপ জরুরি।

প্রশ্ন: একই সময়ে সংক্রামক রোগ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বড় উদ্বেগের কারণ। এসব সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?

আহমেদ জামশীদ: বাংলাদেশ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। বহু বছর ধরে পোলিও নির্মূল রয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে কালাজ্বর নির্মূল করেছে। বর্তমানে যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের প্রবণতা বাড়ছে। ম্যালেরিয়া, কুষ্ঠ, যক্ষ্মার মতো রোগের ক্ষেত্রে ‘মিশন-মোড’ পদ্ধতি প্রয়োগ করা প্রয়োজন, যাতে রোগের অবশিষ্ট পকেটগুলো চিহ্নিত করে নির্মূল করা যায়। ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার মতো ক্রমবর্ধমান রোগের জন্য বহু খাতভিত্তিক পদ্ধতি প্রয়োজন। যেখানে স্বাস্থ্য খাত স্বাস্থ্যসেবা দেবে, স্থানীয় সরকারসহ অন্যান্য খাত ভেক্টর নিয়ন্ত্রণ করবে। ডব্লিউএইচও সরকারকে কারিগরি সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, নজরদারি এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের বিষয়ে নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারকে ডব্লিউএইচও সহায়তা করছে। সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধেও রেজিস্ট্যান্সের মাত্রা উদ্বেগজনক। এটি মোকাবিলা করতে সরকারি-বেসরকারি খাত এবং একাডেমিয়ার সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রশ্ন: জনস্বাস্থ্যে টিকা কার্যক্রম বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সাফল্য। টিকাদান কার্যক্রমে কী ধরনের সংকট রয়েছে?

আহমেদ জামশীদ: বাংলাদেশ টিকাদান কর্মসূচিতে ধারাবাহিকভাবে চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। অনেক টিকার ক্ষেত্রে কাভারেজ ৯০ শতাংশের বেশি। এটি সরকারের দৃঢ় ও টেকসই অঙ্গীকার এবং বিনিয়োগের ফলে সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া গ্যাভির আর্থিক সহায়তা এবং ডব্লিউএইচও, ইউনিসেফ ও অন্য অংশীদারদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ২০২৯ সালের পর গ্যাভি সহায়তা থেকে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নভিত্তিক কর্মসূচিতে রূপান্তর হলে ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে, এ জন্য প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা জরুরি। সামগ্রিক কাভারেজ ভালো হলেও ঢাকার মতো শহর, গ্রামীণ, দুর্গম ও প্রান্তিক অঞ্চলে কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। ডব্লিউএইচও নীতি-নির্দেশনা ও কৌশলগত সহায়তা দিয়ে প্রোগ্রামকে আধুনিক করছে।

প্রশ্ন: জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত কারণগুলো বাংলাদেশে স্বাস্থ্যে ক্রমবর্ধমান প্রভাব ফেলছে। ডব্লিউএইচও দেশে জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্য উদ্যোগ কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করছে?

আহমেদ জামশীদ: বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। আমরা সরকারের সহায়তায় স্বাস্থ্যব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বাড়ানো, স্বাস্থ্য খাতের পরিবেশগত প্রভাব কমানো এবং সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য অভিযোজন পরিকল্পনা তৈরি করতে সহায়তা করেছি। পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাস্থ্যকর্মীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে কার্বন নির্গমন মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং প্রাথমিক, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোয় নির্গমন কমানোর পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এগুলো সরকার, ডব্লিউএইচও ও অন্যান্য অংশীদারের সমন্বিত উদ্যোগ।

প্রশ্ন: ওয়ান হেলথ পদ্ধতি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে; বিশেষ করে জুনোটিক রোগ প্রতিরোধে। এ বিষয়ে ডব্লিউএইচও কীভাবে কাজ করছে?

আহমেদ জামশীদ: স্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ এবং বন মন্ত্রণালয় এবং ওয়ান হেলথের অংশ থাকা অন্য মন্ত্রণালয়গুলো ও অংশী সংস্থার সঙ্গে ডব্লিউএইচও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। আমরা একসঙ্গে জুনোটিক রোগের ক্ষেত্রে যৌথ প্রাদুর্ভাব নজরদারিতে সহায়তা করছি। এই ধরনের যৌথ তদন্তে অবশ্যই পশুপালন খাত ও মানবস্বাস্থ্য খাত উভয়কেই অংশগ্রহণ করতে হয়। সমন্বিত নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ; কারণ, অনেক জুনোটিক রোগ মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। তাই পশু ও মানুষের রোগ উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করে নজরদারি ব্যবস্থা তৈরি করা জরুরি। অন্যদিকে পশু খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার মানবস্বাস্থ্যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধিতে বড় প্রভাব ফেলছে, আমরা এখানেও কাজ করছি।

প্রশ্ন: স্বাস্থ্যের জন্য ডব্লিউএইচওর কৌশলগত ছয়টি মূল কার্যক্রম রয়েছে। বাংলাদেশে কোন কার্যক্রমটির স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রভাব দেখা গেছে?

আহমেদ জামশীদ: আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা করেছি এবং এর প্রভাবও দেখা গেছে। গত দেড় বছরে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত উন্নয়ন যেমন স্বাস্থ্যকর্মী কৌশল, স্বাস্থ্য অর্থায়ন কৌশল, ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশল এবং সুস্থ বয়সকালের কৌশলকে (হেলথ এজিং স্ট্র্যাটেজি) কেন্দ্র করে কাজ হয়েছে। এগুলো জাতীয় কৌশলগত নথি হিসেবে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা ও দেশের সক্ষমতা গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া আমরা জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদে সরকারকে সহযোগিতা করেছি, যা শেষ হয়েছে। এ ছাড়া টিকা নিয়ন্ত্রণে তৃতীয় স্তরের সক্ষমতা অর্জনে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করছি। এটি গুরুত্বপূর্ণ; কারণ, বাংলাদেশে ওষুধ ও টিকা উৎপাদনের বড় সক্ষমতা রয়েছে এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা মানসম্মত উৎপাদন নিশ্চিত করবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলো কী?

আহমেদ জামশীদ: বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। ২০২৪ সালে দেশের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সূচক মাত্র ৫৪। স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৩ শতাংশ মানুষের নিজের পকেট থেকে যায়। ফলে প্রায় ৭ কোটি মানুষ আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। চিকিৎসা খরচ মেটাতে অনেককে জমি বা সম্পদ বিক্রি করতে হচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ ও বাজেটের দুর্বল ব্যবহার সমস্যা আরও জটিল করেছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটের দক্ষ ব্যবহার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি অপরিহার্য। প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতিও বড় চ্যালেঞ্জ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি হাসপাতালের প্রায় ৫০ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের অভাব রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা স্বাস্থ্য জনবল কৌশল হালনাগাদে সরকারের সঙ্গে কাজ করছি।

প্রশ্ন: আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে জরুরি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিগুলো কী বলে আপনি মনে করেন?

আহমেদ জামশীদ: বাংলাদেশে ডব্লিউএইচওর কাজ ২০২৫-২৮ সালের জন্য গ্লোবাল প্রোগ্রাম অব ওয়ার্কের (জিপিডব্লিউ ১৪) মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই কাঠামোর মধ্যে আমরা একটি ‘কান্ট্রি কো-অপারেটিভ স্ট্র্যাটেজি’ তৈরি করব। যেখানে ডব্লিউএইচও, সরকার ও অংশীদারেরা একসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিষয় ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। জিপিডব্লিউ ১৪ অনুযায়ী আমরা স্বাস্থ্য সচেতনতা, সেবা প্রদান এবং জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা দেব। এর মধ্যে স্বাস্থ্য প্রচার, সেবা প্রদান এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরের জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতিও অন্তর্ভুক্ত। পাঁচ বছর মেয়াদি এবারের কৌশলে প্রধান ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে সরকারের সঙ্গে কাজ করব। জাতীয় উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য খাতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য সব শেষে একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। সাহসী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। স্বাস্থ্যবান জনগোষ্ঠী ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যকর কর্মী বাহিনী গঠন সম্ভব নয় এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা ছাড়া যুবসমাজ প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করতে পারবে না। তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ, দেশের সব রাজনীতিক স্বাস্থ্যকে জাতীয় উন্নয়ন অ্যাজেন্ডার শীর্ষ অগ্রাধিকারে রাখুক।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত