
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকির পরে পরেই দেশটিতে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা ধারণা করছেন, শুল্ক আরোপ করা হলে সোনার দাম আরও বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্যের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্টে মজুত রাখা সোনার বার উত্তোলনে হিড়িক পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোনার বার উত্তোলনের ভিড় এতই বেশি, অনেককে এক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ডেপুটি গভর্নর ডেভ রামসডেন বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে লন্ডনের চেয়ে বেশি দামে সোনা বেচাকেনা হচ্ছে। তাই ব্যবসায়ীরা লন্ডনে সংরক্ষিত সোনা যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করে লাভ করতে চাইছেন।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য নতুন শুল্ক নীতির কারণে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কায় আছেন। তাদের ধারণা, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে সোনা আমদানি ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে আগেভাগেই তারা লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্ট থেকে সোনা সরিয়ে আনতে চাইছেন।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ড বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনা সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রায় চার লাখের বেশি সোনার বার মজুত আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে সংরক্ষিত সোনার পরিমাণ প্রায় ২ শতাংশ কমেছে।
ডেভ রামসডেন বলেন, ‘যারা আগে থেকেই সোনা পরিবহনের অনুমতি নিয়েছে, তারা তাদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সোনা উত্তোলন করতে পারছে। তবে নতুনভাবে যারা তুলতে চায়, তাদের কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, বর্তমানে সব স্লট বুক হয়ে গেছে।’
জার্মান ব্যাংকের পণ্য বিশ্লেষক কার্সটেন ফ্রিটশ সিএনএনকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে সোনার দাম অন্যান্য বাজারের তুলনায় বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সম্ভাব্য আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি। এর ফলেই গত বছর অক্টোবরের শেষ থেকে মার্কিন কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সোনার মজুত প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।’
এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ সম্পদে ঝোঁকের কারণেও সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করেন কার্সটেন ফ্রিটশ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকির পরে পরেই দেশটিতে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা ধারণা করছেন, শুল্ক আরোপ করা হলে সোনার দাম আরও বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্যের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্টে মজুত রাখা সোনার বার উত্তোলনে হিড়িক পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোনার বার উত্তোলনের ভিড় এতই বেশি, অনেককে এক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ডেপুটি গভর্নর ডেভ রামসডেন বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে লন্ডনের চেয়ে বেশি দামে সোনা বেচাকেনা হচ্ছে। তাই ব্যবসায়ীরা লন্ডনে সংরক্ষিত সোনা যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করে লাভ করতে চাইছেন।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য নতুন শুল্ক নীতির কারণে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কায় আছেন। তাদের ধারণা, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে সোনা আমদানি ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে আগেভাগেই তারা লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্ট থেকে সোনা সরিয়ে আনতে চাইছেন।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ড বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনা সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রায় চার লাখের বেশি সোনার বার মজুত আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে সংরক্ষিত সোনার পরিমাণ প্রায় ২ শতাংশ কমেছে।
ডেভ রামসডেন বলেন, ‘যারা আগে থেকেই সোনা পরিবহনের অনুমতি নিয়েছে, তারা তাদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সোনা উত্তোলন করতে পারছে। তবে নতুনভাবে যারা তুলতে চায়, তাদের কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, বর্তমানে সব স্লট বুক হয়ে গেছে।’
জার্মান ব্যাংকের পণ্য বিশ্লেষক কার্সটেন ফ্রিটশ সিএনএনকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে সোনার দাম অন্যান্য বাজারের তুলনায় বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সম্ভাব্য আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি। এর ফলেই গত বছর অক্টোবরের শেষ থেকে মার্কিন কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সোনার মজুত প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।’
এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ সম্পদে ঝোঁকের কারণেও সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করেন কার্সটেন ফ্রিটশ।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে