
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অন্তত নয়জন কর্মকর্তার আইফোন হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। ইসরায়েল-ভিত্তিক এনএসও গ্রুপের তৈরি অত্যাধুনিক স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে এই সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য না দিলেও, হ্যাকিংয়ের ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এমন চারজন ব্যক্তি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হ্যাকিংয়ের এই ঘটনাগুলো ঘটেছে গত কয়েক মাসের মধ্যে। শিকার মূলত উগান্ডায় অবস্থিত মার্কিন কর্মকর্তা এবং পূর্ব আফ্রিকার দেশটি সম্পর্কিত বিষয়াবলীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ইসরায়েলি এনএসওর প্রযুক্তি দিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের ব্যাপকভিত্তিক টার্গেট করার ঘটনা এটিই প্রথম প্রকাশ্যে এল। এর আগে কিছু আমেরিকান কর্মকর্তাসহ সম্ভাব্য টার্গেটের একটি তালিকা এনএসওর প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে তাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ডিভাইসে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়েছে বা সেটি সফল হয়েছে কি-না তা স্পষ্ট নয়।
এ ব্যাপারে এনএসও গ্রুপ গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় তাদের প্রযুক্তিই ব্যবহার করা হয়েছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। তবে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো এরই মধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারা তদন্ত করবে বলেও উল্লেখ করেছে।
এনএসওর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যদি আমাদের তদন্তে দেখা যায় যে, এই কাজটি সত্যিই এনএসওর প্রযুক্তি দিয়ে করা হয়েছে, তাহলে এই ধরনের গ্রাহককে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে সরকারি কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবে এবং তাদের কাছে থাকা এ সম্পর্কিত সব তথ্য উপস্থাপন করতে তারা প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন এনএসওর ওই মুখপাত্র।
গত জুলাইয়ে ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপের তৈরি করা স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিকদের ফোনে নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হয়।
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানসহ ১৬টি সংবাদপত্রের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে পেগাসাস কেলেঙ্কারি। এনএসও গ্রুপ থেকে এই স্পাইওয়্যার কিনে ‘কর্তৃত্ববাদী’ সরকারগুলো নিজের দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি চালিয়ে আসছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।
এরপর থেকেই এনএসও বলে আসছে, তাদের প্রযুক্তি শুধু সরকারি আইন প্রয়োগকারী এবং গোয়েন্দা সংস্থার কাছে বিক্রি করে থাকে তারা। মূলত নিরাপত্তা হুমকি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করতে এটি ব্যবহৃত হয়। সরাসরি নজরদারি কার্যক্রমের সঙ্গে এই প্রযুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ফোন হ্যাকিংয়ের বিষয়ে ওয়াশিংটনে উগান্ডা দূতাবাসের কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি। অ্যাপলের মুখপাত্র মন্তব্য করতে চাননি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ইসরায়েলি কোম্পানির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের দিকে ইঙ্গিত করেন।
গত মাসে এনএসও গ্রুপ এবং অন্য একটি স্পাইওয়্যার কোম্পানিকে ‘নিষেধাজ্ঞা তালিকায়’ যুক্ত করেছে মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো মার্কিন কোম্পানি ব্যবসায়িক লেনদনে করতে পারবে না।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অন্তত নয়জন কর্মকর্তার আইফোন হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। ইসরায়েল-ভিত্তিক এনএসও গ্রুপের তৈরি অত্যাধুনিক স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে এই সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য না দিলেও, হ্যাকিংয়ের ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এমন চারজন ব্যক্তি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হ্যাকিংয়ের এই ঘটনাগুলো ঘটেছে গত কয়েক মাসের মধ্যে। শিকার মূলত উগান্ডায় অবস্থিত মার্কিন কর্মকর্তা এবং পূর্ব আফ্রিকার দেশটি সম্পর্কিত বিষয়াবলীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ইসরায়েলি এনএসওর প্রযুক্তি দিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের ব্যাপকভিত্তিক টার্গেট করার ঘটনা এটিই প্রথম প্রকাশ্যে এল। এর আগে কিছু আমেরিকান কর্মকর্তাসহ সম্ভাব্য টার্গেটের একটি তালিকা এনএসওর প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে তাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ডিভাইসে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়েছে বা সেটি সফল হয়েছে কি-না তা স্পষ্ট নয়।
এ ব্যাপারে এনএসও গ্রুপ গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় তাদের প্রযুক্তিই ব্যবহার করা হয়েছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। তবে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো এরই মধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারা তদন্ত করবে বলেও উল্লেখ করেছে।
এনএসওর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যদি আমাদের তদন্তে দেখা যায় যে, এই কাজটি সত্যিই এনএসওর প্রযুক্তি দিয়ে করা হয়েছে, তাহলে এই ধরনের গ্রাহককে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে সরকারি কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবে এবং তাদের কাছে থাকা এ সম্পর্কিত সব তথ্য উপস্থাপন করতে তারা প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন এনএসওর ওই মুখপাত্র।
গত জুলাইয়ে ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপের তৈরি করা স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিকদের ফোনে নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হয়।
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানসহ ১৬টি সংবাদপত্রের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে পেগাসাস কেলেঙ্কারি। এনএসও গ্রুপ থেকে এই স্পাইওয়্যার কিনে ‘কর্তৃত্ববাদী’ সরকারগুলো নিজের দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি চালিয়ে আসছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।
এরপর থেকেই এনএসও বলে আসছে, তাদের প্রযুক্তি শুধু সরকারি আইন প্রয়োগকারী এবং গোয়েন্দা সংস্থার কাছে বিক্রি করে থাকে তারা। মূলত নিরাপত্তা হুমকি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করতে এটি ব্যবহৃত হয়। সরাসরি নজরদারি কার্যক্রমের সঙ্গে এই প্রযুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ফোন হ্যাকিংয়ের বিষয়ে ওয়াশিংটনে উগান্ডা দূতাবাসের কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি। অ্যাপলের মুখপাত্র মন্তব্য করতে চাননি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ইসরায়েলি কোম্পানির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের দিকে ইঙ্গিত করেন।
গত মাসে এনএসও গ্রুপ এবং অন্য একটি স্পাইওয়্যার কোম্পানিকে ‘নিষেধাজ্ঞা তালিকায়’ যুক্ত করেছে মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো মার্কিন কোম্পানি ব্যবসায়িক লেনদনে করতে পারবে না।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে