
দুই বছর ধরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালেবানের হাতে বন্দী থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন মার্কিন নাগরিক জর্জ গ্লেজম্যান। বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার রাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও একটি এক্স পোস্টে তাঁর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রুবিও গ্লেজম্যানের মুক্তিকে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি কাতার সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কারণ তারা এই মুক্তির জন্য জটিল আলোচনা পরিচালনায় সহায়তা করেছে।
এর আগে কাতার-ভিত্তিক আল-জাজিরাকে সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জালমায় খলিলজাদ জানিয়েছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আমেরিকান জনগণের প্রতি সদিচ্ছা প্রকাশের অংশ হিসেবে গ্লেজম্যানকে তালেবান মুক্তি দিয়েছে।
জর্জ গ্লেজম্যান একজন বিমান প্রকৌশলী। তিনি ষাটের কোঠায় রয়েছেন। ২০২২ সালে তিনি পাঁচ দিনের জন্য আফগানিস্তানের সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ে অন্বেষণ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তালেবান তাঁকে আটক করে।
মার্কিন কংগ্রেসে গ্লেজম্যানের মুক্তির দাবিতে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছিল—তিনি আফগানিস্তানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘুরে দেখার উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন।
এই মুক্তির মধ্য দিয়ে তালেবান ও মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনার নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন বন্দী বিষয়ক দূত অ্যাডাম বোয়েলার তালেবানের সঙ্গে বন্দী মুক্তি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার কাজটি করেছেন। বোয়েলার ইতিপূর্বে হামাসের সঙ্গেও সরাসরি সাক্ষাৎ করেছিলেন, যা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সমালোচনার মুখে পড়ে।
ওয়াশিংটন ও ইউরোপীয় দেশগুলো তালেবানের মানবাধিকার পরিস্থিতি, বিশেষ করে নারীদের অধিকারের অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তালেবানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
মার্কিন-বন্দী মুক্তির এই ঘটনা আফগানিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি নতুন দিক উন্মোচন করছে, যা ভবিষ্যতে তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও আলোচনা ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিতে পারে।

দুই বছর ধরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালেবানের হাতে বন্দী থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন মার্কিন নাগরিক জর্জ গ্লেজম্যান। বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার রাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও একটি এক্স পোস্টে তাঁর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রুবিও গ্লেজম্যানের মুক্তিকে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি কাতার সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কারণ তারা এই মুক্তির জন্য জটিল আলোচনা পরিচালনায় সহায়তা করেছে।
এর আগে কাতার-ভিত্তিক আল-জাজিরাকে সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জালমায় খলিলজাদ জানিয়েছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আমেরিকান জনগণের প্রতি সদিচ্ছা প্রকাশের অংশ হিসেবে গ্লেজম্যানকে তালেবান মুক্তি দিয়েছে।
জর্জ গ্লেজম্যান একজন বিমান প্রকৌশলী। তিনি ষাটের কোঠায় রয়েছেন। ২০২২ সালে তিনি পাঁচ দিনের জন্য আফগানিস্তানের সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ে অন্বেষণ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তালেবান তাঁকে আটক করে।
মার্কিন কংগ্রেসে গ্লেজম্যানের মুক্তির দাবিতে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছিল—তিনি আফগানিস্তানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘুরে দেখার উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন।
এই মুক্তির মধ্য দিয়ে তালেবান ও মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনার নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন বন্দী বিষয়ক দূত অ্যাডাম বোয়েলার তালেবানের সঙ্গে বন্দী মুক্তি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার কাজটি করেছেন। বোয়েলার ইতিপূর্বে হামাসের সঙ্গেও সরাসরি সাক্ষাৎ করেছিলেন, যা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সমালোচনার মুখে পড়ে।
ওয়াশিংটন ও ইউরোপীয় দেশগুলো তালেবানের মানবাধিকার পরিস্থিতি, বিশেষ করে নারীদের অধিকারের অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তালেবানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
মার্কিন-বন্দী মুক্তির এই ঘটনা আফগানিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি নতুন দিক উন্মোচন করছে, যা ভবিষ্যতে তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও আলোচনা ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিতে পারে।

হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
১ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে