
কানাডার সাসকাচোয়ান প্রদেশের একটি আদিবাসী অধ্যুষিত শহরে ছুরি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। তাঁদের ধরতে অভিযান চলছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সহকারী কমিশনার রোন্ডা ব্ল্যাকমোর এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, জেমস স্মিথ ক্রি নেশনের প্রত্যন্ত এলাকার নিকটবর্তী শহরে ওয়েল্ডনে স্থানীয় সময় রোববার এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি টেলিফোন পেয়ে সাসকাচোয়ানের নিকটবর্তী শহরের পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে ১০ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
রোন্ডা ব্ল্যাকমোর আরও বলেছেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ১৫ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীকে খুঁজছি। সন্দেহভাজন হিসেবে মাইলস (৩০) এবং ড্যামিয়েন স্যান্ডারসন (৩১) নামের দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। তাঁরা একটি কালো গাড়িতে করে পালিয়ে গেছেন। দুজনেরই চুলের রং কালো এবং চোখ বাদামি।’
জেমস স্মিথ ক্রি নেশন এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ এলাকায় অন্তত আড়াই হাজার মানুষ বাস করেন।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো একটি টুইট বার্তায় এ হামলাকে ‘ভয়াবহ এবং হৃদয়বিদারক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এ ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছেন এবং বাসিন্দাদের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্ল্যাকমোর বলেছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীরা কয়েকজনকে টার্গেট করে এলোপাতাড়ি আক্রমণ করেছিলেন। তবে কী উদ্দেশ্যে তাঁরা এ হামলা চালিয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলা কঠিন।
পুলিশ ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রথম জরুরি ফোন পেয়েছিল বলে জানিয়েছে ব্ল্যাকমোর। এরপর আরও ফোনকল পেয়েছে পুলিশ। সব মিলিয়ে ১৩টি পৃথক স্থান থেকে ছুরি হামলার ফোনকল এসেছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের ধরতে মহাসড়ক ও সড়কগুলোতে চেকপয়েন্ট বসানো হয়েছে। তাঁদের ধরতে সর্বোচ্চ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কানাডার সাসকাচোয়ান প্রদেশের একটি আদিবাসী অধ্যুষিত শহরে ছুরি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। তাঁদের ধরতে অভিযান চলছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সহকারী কমিশনার রোন্ডা ব্ল্যাকমোর এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, জেমস স্মিথ ক্রি নেশনের প্রত্যন্ত এলাকার নিকটবর্তী শহরে ওয়েল্ডনে স্থানীয় সময় রোববার এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি টেলিফোন পেয়ে সাসকাচোয়ানের নিকটবর্তী শহরের পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে ১০ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
রোন্ডা ব্ল্যাকমোর আরও বলেছেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ১৫ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীকে খুঁজছি। সন্দেহভাজন হিসেবে মাইলস (৩০) এবং ড্যামিয়েন স্যান্ডারসন (৩১) নামের দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। তাঁরা একটি কালো গাড়িতে করে পালিয়ে গেছেন। দুজনেরই চুলের রং কালো এবং চোখ বাদামি।’
জেমস স্মিথ ক্রি নেশন এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ এলাকায় অন্তত আড়াই হাজার মানুষ বাস করেন।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো একটি টুইট বার্তায় এ হামলাকে ‘ভয়াবহ এবং হৃদয়বিদারক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এ ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছেন এবং বাসিন্দাদের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্ল্যাকমোর বলেছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীরা কয়েকজনকে টার্গেট করে এলোপাতাড়ি আক্রমণ করেছিলেন। তবে কী উদ্দেশ্যে তাঁরা এ হামলা চালিয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলা কঠিন।
পুলিশ ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রথম জরুরি ফোন পেয়েছিল বলে জানিয়েছে ব্ল্যাকমোর। এরপর আরও ফোনকল পেয়েছে পুলিশ। সব মিলিয়ে ১৩টি পৃথক স্থান থেকে ছুরি হামলার ফোনকল এসেছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের ধরতে মহাসড়ক ও সড়কগুলোতে চেকপয়েন্ট বসানো হয়েছে। তাঁদের ধরতে সর্বোচ্চ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৮ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে