আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর জরুরি শুল্ক আরোপ করায় দেশটির সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আর এই টানাপোড়েন দূর করতে ওয়াশিংটনে লবিং ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে ভারত। সেই লবিং ফার্মের শীর্ষ ব্যক্তি সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারত ওয়াশিংটনে গত মে মাসে যে লবিং ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে, সেটির নাম এসএইচডব্লিউ পার্টনার্স। এই কাজের জন্য ভারত ফার্মটিকে ১৮ লাখ ডলার ফি দিয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ এক বছর। খবরে আরও বলা হয়েছে, ভারতের লবিস্ট জেসন মিলার সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেছেন।
লবিস্ট মিলার গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ওয়াশিংটনে অসাধারণ একটি সপ্তাহ কাটালাম। এখানে আমার অনেক বন্ধু আছেন এবং অবশ্যই প্রেসিডেন্টকে কর্মরত অবস্থায় দেখার সুযোগ পেয়েছি! চমৎকার কাজ চালিয়ে যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’
মিলার এক্স পোস্টে একাধিক ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একটি ছবিও আছে। তবে মিলার ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্য উল্লেখ করেননি।
ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস গত ২১ মে মিলারের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করে, যাতে তিনি নয়াদিল্লির স্বার্থ সংরক্ষণ করেন। মিলারের প্রতিষ্ঠানকে কৌশলগত পরামর্শ, ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা ও সরকারি সম্পর্ক সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প ও কংগ্রেসের সদস্যদের ভারতীয় প্রতিরক্ষা ও সন্ত্রাসবিরোধী নীতি সম্পর্কে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্রিফ করার দায়িত্ব পালন করা এই রাজনৈতিক লবিস্ট বুঝতে পারেন ট্রাম্পের চিন্তার ধারা কেমন।
নয়াদিল্লি আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনীতি আরও শক্তিশালী করতে মিলারের সহায়তা কাজে লাগবে, বিশেষ করে ট্রাম্পের ভারতীয় পণ্যের শুল্ক দ্বিগুণ করার পর সম্পর্কের টানাপোড়েন বৃদ্ধি পাওয়ায়। ট্রাম্প রাশিয়ার কাঁচা তেলের ভারতের ক্রয়ের জন্য অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কসহ মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। ভারত যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ককে ‘অন্যায়, অযৌক্তিক ও অবিচার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
তবে সম্পর্কের অবনতি রোধে কিছু চেষ্টার সংকেত পাওয়া গেছে। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে ‘বিশেষ’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বন্ধু’ থাকবেন। ট্রাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি সব সময় মোদির সঙ্গে বন্ধু থাকব; তিনি একজন মহান প্রধানমন্ত্রী, তিনি চমৎকার। আমি সব সময় বন্ধু থাকব, তবে বর্তমানে যা তিনি করছেন, তা আমাকে ভালো লাগছে না।’ তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘কিন্তু ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। চিন্তার কোনো কারণ নেই।’
প্রধানমন্ত্রী মোদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনোভাব ও আমাদের সম্পর্কের ইতিবাচক মূল্যায়নের জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত করি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সমন্বিত ও বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর জরুরি শুল্ক আরোপ করায় দেশটির সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আর এই টানাপোড়েন দূর করতে ওয়াশিংটনে লবিং ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে ভারত। সেই লবিং ফার্মের শীর্ষ ব্যক্তি সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারত ওয়াশিংটনে গত মে মাসে যে লবিং ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে, সেটির নাম এসএইচডব্লিউ পার্টনার্স। এই কাজের জন্য ভারত ফার্মটিকে ১৮ লাখ ডলার ফি দিয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ এক বছর। খবরে আরও বলা হয়েছে, ভারতের লবিস্ট জেসন মিলার সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেছেন।
লবিস্ট মিলার গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ওয়াশিংটনে অসাধারণ একটি সপ্তাহ কাটালাম। এখানে আমার অনেক বন্ধু আছেন এবং অবশ্যই প্রেসিডেন্টকে কর্মরত অবস্থায় দেখার সুযোগ পেয়েছি! চমৎকার কাজ চালিয়ে যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’
মিলার এক্স পোস্টে একাধিক ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একটি ছবিও আছে। তবে মিলার ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্য উল্লেখ করেননি।
ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস গত ২১ মে মিলারের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করে, যাতে তিনি নয়াদিল্লির স্বার্থ সংরক্ষণ করেন। মিলারের প্রতিষ্ঠানকে কৌশলগত পরামর্শ, ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা ও সরকারি সম্পর্ক সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প ও কংগ্রেসের সদস্যদের ভারতীয় প্রতিরক্ষা ও সন্ত্রাসবিরোধী নীতি সম্পর্কে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্রিফ করার দায়িত্ব পালন করা এই রাজনৈতিক লবিস্ট বুঝতে পারেন ট্রাম্পের চিন্তার ধারা কেমন।
নয়াদিল্লি আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনীতি আরও শক্তিশালী করতে মিলারের সহায়তা কাজে লাগবে, বিশেষ করে ট্রাম্পের ভারতীয় পণ্যের শুল্ক দ্বিগুণ করার পর সম্পর্কের টানাপোড়েন বৃদ্ধি পাওয়ায়। ট্রাম্প রাশিয়ার কাঁচা তেলের ভারতের ক্রয়ের জন্য অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কসহ মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। ভারত যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ককে ‘অন্যায়, অযৌক্তিক ও অবিচার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
তবে সম্পর্কের অবনতি রোধে কিছু চেষ্টার সংকেত পাওয়া গেছে। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে ‘বিশেষ’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বন্ধু’ থাকবেন। ট্রাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি সব সময় মোদির সঙ্গে বন্ধু থাকব; তিনি একজন মহান প্রধানমন্ত্রী, তিনি চমৎকার। আমি সব সময় বন্ধু থাকব, তবে বর্তমানে যা তিনি করছেন, তা আমাকে ভালো লাগছে না।’ তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘কিন্তু ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। চিন্তার কোনো কারণ নেই।’
প্রধানমন্ত্রী মোদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনোভাব ও আমাদের সম্পর্কের ইতিবাচক মূল্যায়নের জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত করি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সমন্বিত ও বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব রয়েছে।’

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে