Ajker Patrika

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও অর্ধশত যুদ্ধবিমান কিনছে ইসরায়েল

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৩ মে ২০২৬, ১৭: ৩৩
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও অর্ধশত যুদ্ধবিমান কিনছে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও প্রায় অর্ধশত যুদ্ধবিমান কিনছে ইসরায়েল। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ থেকে পাওয়া শিক্ষা বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও দুই স্কোয়াড্রন এফ–৩৫ আই এবং এফ–১৫ আইএ যুদ্ধবিমান দখলদার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। উভয় ধরনের বিমান আনুমানিক ২৫টি করে মোট ৫০টি কেনা হতে পারে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহের শেষ দিকে ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি প্রতিরক্ষা ক্রয় কমিটি মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিন থেকে চতুর্থ এফ–৩৫ আই স্কোয়াড্রন এবং বোয়িং থেকে দ্বিতীয় এফ–১৫ আইএ স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তির পক্ষে মত প্রকাশ করে। তার সাপেক্ষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই ক্রয় সংক্রান্ত পরিকল্পনাও অনুমোদন দেয় কমিটি। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব চুক্তির মূল্য কয়েক বিলিয়ন শেকেল।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিমানগুলো ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘আইডিএফের দীর্ঘমেয়াদি বাহিনী উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে, যা আঞ্চলিক পরিবর্তনশীল হুমকি মোকাবিলা এবং ইসরায়েলের কৌশলগত আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সহায়তা করবে।’

কমিটির অনুমোদনের পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারাম মন্ত্রণালয়ের যুক্তরাষ্ট্র মিশনকে নির্দেশ দেন, ‘আগামী সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও সামরিক অংশীদারদের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে।’

এই নতুন বিমানগুলো যুক্ত হলে ভবিষ্যতে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর এফ–৩৫ আই বহরে যুদ্ধবিমানের সংখ্যা এক শতে এবং এফ-১৫ আইএ বহরে যুদ্ধবিমানের সংখ্যা পঞ্চাশে পৌঁছাবে। বর্তমানে ইসরায়েলের কাছে ৪৮টি এফ–৩৫ আই রয়েছে, যা প্রাথমিক ৫০ টির অর্ডারের অংশ। ২০২৩ সালে আরও ২৫টি এফ-৩৫ অর্ডার করা হয়, যেগুলোর সরবরাহ ২০২৮ সাল থেকে শুরু হওয়ার কথা। ২০২৪ সালে ইসরায়েল ২৫টি এফ-১৫ আইএ অর্ডার করে, যার প্রথম ডেলিভারি ২০৩১ সাল থেকে শুরু হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ ‘আরও একবার প্রমাণ করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর শক্তি এবং দেশ রক্ষায় এর নির্ধারক ভূমিকা।’ তিনি বলেন, ‘ওই অভিযানের শিক্ষা আমাদেরকে আরও দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে এগিয়ে যেতে বাধ্য করছে, যাতে আগামী কয়েক দশক ধরে আকাশসীমায় শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত করা যায়।’

আমির বারাম বলেন, ‘তাৎক্ষণিক যুদ্ধকালীন প্রয়োজনের পাশাপাশি, আমাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে আগামী ১০ বছর এবং তার পরেও আইডিএফের সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অপারেশন রোরিং লায়ন দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কৌশলগত সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং উন্নত আকাশ শক্তি কতটা অপরিহার্য।’ তিনি এখানে ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আইন অনুযায়ী নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভর্সিটিতে যুক্ত করা হবে

মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল অস্ত্র বিক্রির তোড়জোড় ট্রাম্পের, অন্যদিকে অবরোধ ভেঙে ইরান-ইরাক-সিরিয়া অক্ষের উত্থান

টিকা বন্ধ করে দিয়েছিল ইউনূস সরকার, এরপরই দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব

বুড়ো বয়সে আমাকে দেখার আশায় সন্তানকে বড় করিনি: অঞ্জন দত্ত

ইরান যুদ্ধে কারা হারল, জিত কাদের

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত