আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী ও মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ইউক্রেন ও রাশিয়ার শিশুদের দুর্দশা নিয়ে লিখেছেন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসের দুই কর্মকর্তা জানান, পুতিন আলাস্কায় আসার পর মেলানিয়ার চিঠিটি তাঁকে দেন ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চিঠিটি আলাস্কায় তাদের শীর্ষ বৈঠকের সময় পুতিনের হাতে তুলে দেন। তবে মেলানিয়া ট্রাম্প আলাস্কায় সফরে উপস্থিত ছিলেন না। কর্মকর্তারা চিঠির বিস্তারিত প্রকাশ করেননি। তবে তাঁরা কেবল উল্লেখ করেছেন যে, এতে ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে শিশু অপহরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, রাশিয়া বা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনীয় এলাকায় হাজারো শিশুকে পরিবার বা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইউক্রেন এটিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে দেখেছে এবং জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী গণহত্যার অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করেছে।
মস্কো আগে জানিয়েছিল, তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার শিশুদের সুরক্ষা দিচ্ছে। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বলেছে, রাশিয়া ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের শিশুদের ওপর কষ্ট চাপিয়ে দিয়েছে এবং তাদের অধিকার লঙ্ঘন করেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প ও পুতিন আলাস্কায় মার্কিন যৌথ বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চুক্তি তাঁরা করতে পারেননি। তবে ট্রাম্প বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বৈঠক শেষে ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে পুতিন বলেন, তিনি মার্কিন প্রশাসন ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আগ্রহ দেখেছেন, তিনি এই সংকটের মূল কারণ বোঝার চেষ্টা করেছেন। পুতিন এর আগেও বারবার উল্লেখ করেছেন, ইউক্রেনের ঘটনাগুলো রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। তিনি ইউক্রেনীয় জনগণকে ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ আখ্যায়িত করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হলেও এটি তাঁদের জন্য একটি বিয়োগান্ত ঘটনা এবং গভীর বেদনার।
সামগ্রিকভাবে পুতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একটি ভালো, পেশাদার ও বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক স্থাপন করতে পেরেছেন বলে জানান। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এই পথ ধরে এগিয়ে গেলে দ্রুত ইউক্রেনের সংঘাতের অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী ও মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ইউক্রেন ও রাশিয়ার শিশুদের দুর্দশা নিয়ে লিখেছেন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসের দুই কর্মকর্তা জানান, পুতিন আলাস্কায় আসার পর মেলানিয়ার চিঠিটি তাঁকে দেন ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চিঠিটি আলাস্কায় তাদের শীর্ষ বৈঠকের সময় পুতিনের হাতে তুলে দেন। তবে মেলানিয়া ট্রাম্প আলাস্কায় সফরে উপস্থিত ছিলেন না। কর্মকর্তারা চিঠির বিস্তারিত প্রকাশ করেননি। তবে তাঁরা কেবল উল্লেখ করেছেন যে, এতে ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে শিশু অপহরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, রাশিয়া বা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনীয় এলাকায় হাজারো শিশুকে পরিবার বা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইউক্রেন এটিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে দেখেছে এবং জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী গণহত্যার অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করেছে।
মস্কো আগে জানিয়েছিল, তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার শিশুদের সুরক্ষা দিচ্ছে। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বলেছে, রাশিয়া ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের শিশুদের ওপর কষ্ট চাপিয়ে দিয়েছে এবং তাদের অধিকার লঙ্ঘন করেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প ও পুতিন আলাস্কায় মার্কিন যৌথ বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চুক্তি তাঁরা করতে পারেননি। তবে ট্রাম্প বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বৈঠক শেষে ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে পুতিন বলেন, তিনি মার্কিন প্রশাসন ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আগ্রহ দেখেছেন, তিনি এই সংকটের মূল কারণ বোঝার চেষ্টা করেছেন। পুতিন এর আগেও বারবার উল্লেখ করেছেন, ইউক্রেনের ঘটনাগুলো রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। তিনি ইউক্রেনীয় জনগণকে ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ আখ্যায়িত করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হলেও এটি তাঁদের জন্য একটি বিয়োগান্ত ঘটনা এবং গভীর বেদনার।
সামগ্রিকভাবে পুতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একটি ভালো, পেশাদার ও বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক স্থাপন করতে পেরেছেন বলে জানান। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এই পথ ধরে এগিয়ে গেলে দ্রুত ইউক্রেনের সংঘাতের অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২৬ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
১ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
৩ ঘণ্টা আগে