মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর প্রথম ভাষণে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য এই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এ ছাড়া আগামী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসকে কেন চান, তাঁর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিস থেকে সংক্ষিপ্ত ভাষণে বাইডেন যেমন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের সাফল্যের কথা বলেছেন, তেমনি কমলা হ্যারিসেরও প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি কমলা হ্যারিসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি অভিজ্ঞ, দক্ষ ও কড়া ধাঁচের মানুষ। কমলা আমার অসাধারণ সহযোগী। তিনি আমাদের দেশের একজন যোগ্য নেতা।’
বাইডেন আরও বলেন, ‘আগামী নভেম্বরে মার্কিন ভোটাররা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর আগে তাঁদের গণতন্ত্রের বিপদের কথাটা জানিয়ে দেওয়া জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এখানে রাজা বা একনায়কেরা কখনো শাসন করেননি। মানুষ করেছেন। মানুষই ইতিহাস লিখবেন। শুধু মনে রাখবেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে।’
প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে বাইডেন বলেন, ‘ভোটাররাই ঠিক করবেন, তাঁরা আগে যাবেন নাকি পিছিয়ে যাবেন। তাঁরা আশার দিকে যাবেন, নাকি ঘৃণাকে বেছে নেবেন। আমি গণতন্ত্রের পথে কোনো বিপদ আসতে দিতে চাই না বলে দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ থেকে সরে যাচ্ছি।’
বাইডেন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাকি সময়টা আমি কাজ করে যাব। যারা আমাদের দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রাখে, সেই কঠোর পরিশ্রমী পরিবারগুলোর আর্থিক বোঝা কমানোর চেষ্টা করব। আমাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ওপর কোনো আঘাত আসতে দেব না।’

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে