
ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়েই যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে রাশিয়ার তৈরি ঐতিহ্যবাহী পানীয় ভদকা। সেই সঙ্গে রাশিয়ার তৈরি অন্যান্য বিলাসদ্রব্যও যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এক নির্বাহী আদেশে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানা গেছে, গত শুক্রবার জো বাইডেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন। একই সময়ে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রাশিয়ার ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’-এর মর্যাদাও কেড়ে নেওয়া হবে। বিশ্বের শিল্পোন্নত ধনী দেশগুলোর জোট জি-এর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার ওই সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন জানিয়েছিলেন, তিনি পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত রুশ ধনকুবেরদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো তাঁদের (রুশ ধনকুবের) সম্পদ জব্দ করতে কাজ করে যাচ্ছে।’
বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা তাঁদের জন্য আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য কেনা আরও কঠিন করে তুলব। আমরা রাশিয়ায় বিলাসবহুল পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছি।’ পরে হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘উচ্চ প্রযুক্তির ঘড়ি, বিলাসবহুল যানবাহন, পোশাক, উচ্চমূল্যের অ্যালকোহল, গয়না ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিলাসদ্রব্য রাশিয়ায় রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বাইডেনর নির্বাহী ওই আদেশে বলা হয়, এই নির্দেশের পর রাশিয়া থেকে কোনো ধরনের সামুদ্রিক খাবার, স্পিরিট/ভদকা ও যেকোনো ধরনের হিরা যুক্তরাষ্ট্র আমদানি করবে না।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়ার অন্তত ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি রপ্তানি আয় কমে যাবে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়েই যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে রাশিয়ার তৈরি ঐতিহ্যবাহী পানীয় ভদকা। সেই সঙ্গে রাশিয়ার তৈরি অন্যান্য বিলাসদ্রব্যও যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এক নির্বাহী আদেশে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানা গেছে, গত শুক্রবার জো বাইডেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন। একই সময়ে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রাশিয়ার ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’-এর মর্যাদাও কেড়ে নেওয়া হবে। বিশ্বের শিল্পোন্নত ধনী দেশগুলোর জোট জি-এর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার ওই সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন জানিয়েছিলেন, তিনি পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত রুশ ধনকুবেরদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো তাঁদের (রুশ ধনকুবের) সম্পদ জব্দ করতে কাজ করে যাচ্ছে।’
বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা তাঁদের জন্য আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য কেনা আরও কঠিন করে তুলব। আমরা রাশিয়ায় বিলাসবহুল পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছি।’ পরে হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘উচ্চ প্রযুক্তির ঘড়ি, বিলাসবহুল যানবাহন, পোশাক, উচ্চমূল্যের অ্যালকোহল, গয়না ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিলাসদ্রব্য রাশিয়ায় রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বাইডেনর নির্বাহী ওই আদেশে বলা হয়, এই নির্দেশের পর রাশিয়া থেকে কোনো ধরনের সামুদ্রিক খাবার, স্পিরিট/ভদকা ও যেকোনো ধরনের হিরা যুক্তরাষ্ট্র আমদানি করবে না।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়ার অন্তত ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি রপ্তানি আয় কমে যাবে।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১২ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
৩ ঘণ্টা আগে