আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা নেতানিয়াহু প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটি আমাদের প্রদর্শনী, তাঁর নয়।’ তিনি বলেন, ‘গাজায় গত কয়েক মাসে আমরা এমন কিছু করতে পেরেছি যা কেউ সম্ভব বলে ভাবেনি এবং আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখব।’
গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস গাজার জন্য যে ‘এক্সিকিউটিভ বোর্ড’ বা নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করেছে, তার বিরোধিতা করে নেতানিয়াহু এক অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ বিবৃতি দেন। ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের এর অধীনে থাকা এই কমিটিতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন, যদিও নেতানিয়াহুর দাবি ছিল যে—গাজা শাসনে এই দেশগুলোর কোনো ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এই দেশগুলোর নেতাদের রেখে ঘোষণা দেওয়ায় নেতানিয়াহু স্তব্ধ হয়ে যান। কারণ, তাঁর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো দ্রুত এই খবর প্রচার শুরু করে যে কাতার এবং তুরস্ক—যারা গাজা চুক্তির প্রধান মধ্যস্থতাকারী কিন্তু ইসরায়েলের সাথে যাদের বৈরী সম্পর্ক রয়েছে—তারা এখন সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বলা হয়, ‘এই ঘোষণাটি ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে করা হয়নি এবং এটি আমাদের নীতির পরিপন্থী। প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি তোলার নির্দেশ দিয়েছেন।’
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মার্কিন কর্মকর্তা অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, কমিটির সদস্যপদ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি কারণ এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। তিনি আরও বলেন, ‘তিনি যদি চান আমরা গাজা নিয়ে কাজ করি, তবে সেটা আমাদের পথেই হতে হবে। আমরা তাঁকে এড়িয়েই কাজ করেছি। তাঁকে ইরান নিয়ে মনোযোগ দিতে দিন এবং আমাদের গাজা সামলাতে দিন। আমরা তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়াব না। তিনি তাঁর রাজনীতি করবেন আর আমরা আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাব। তিনি আসলে আমাদের বিরুদ্ধে যেতে পারবেন না।’
ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন যে, যদি না নেতানিয়াহু পুনরায় গাজায় ইসরায়েলি সৈন্য পাঠাতে চান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই ইস্যু থেকে সরিয়ে দিতে চান, তবে তাঁকে অবশ্যই মার্কিন পরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে সাহায্য করছি। এটি ব্যর্থ হলে তিনি বলতে পারবেন—আমি তো আগেই বলেছিলাম। আর আমরা জানি এটি সফল হলে তিনি এর কৃতিত্ব দাবি করবেন।’
পর্দার আড়ালে ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও, ট্রাম্পের টিমের অনেকেই গাজা এবং অন্যান্য বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কট্টর অবস্থানে বিরক্ত। তাঁরা এই চিন্তাতেও আছেন যে, চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে যদি গতি আনা না যায়, তবে ইসরায়েল আবারও যুদ্ধ শুরু করবে। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, নেতানিয়াহু এই পরিকল্পনা সফল হওয়া নিয়ে সংশয়ে থাকলেও এর বিষয়বস্তু তাঁর পছন্দ হয়েছে।
আগামী সপ্তাহে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ট্রাম্প ‘গাজা বোর্ড অব পিস’ চালু করতে চান। তিনি বুধবার গাজার দৈনন্দিন শাসন পরিচালনার জন্য একটি নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার ঘোষণা করেছেন, যার নেতৃত্বে থাকবেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন পরিবহন উপমন্ত্রী আলি শাথ। জাতিসংঘের সাবেক দূত নিকোলে ম্লাদেনভ গাজার জন্য বোর্ড অফ পিসের হাই রিপ্রেজেনেটিভ বা উচ্চ প্রতিনিধি বা কার্যকরভাবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কাজ করবেন। ম্লাদেনভ একটি আন্তর্জাতিক নির্বাহী বোর্ডের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন, যার সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, বিলিয়নেয়ার ব্যবসায়ী মার্ক রোয়ান, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রীগণ, মিশরের গোয়েন্দা প্রধান, ইসরায়েলি-সাইপ্রিয়ট বিলিয়নেয়ার ইয়াকির গ্যাবে এবং জাতিসংঘের সাবেক গাজা দূত সিগরিড কাগ।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, এই বোর্ডের প্রতিটি সদস্য গাজার স্থিতিশীলতার জন্য নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও বা দায়িত্ব সামলাবেন, যার মধ্যে রয়েছে শাসনক্ষমতা তৈরি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বড় ধরনের অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
শনিবার ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার তাদের লক্ষ্য বা ‘মিশন স্টেটমেন্ট’ প্রকাশ করেছে, যেখানে শান্তির প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা, জরুরি পরিষেবা পুনরুদ্ধার এবং শান্তি, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে একটি সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
নতুন সরকার সততা ও স্বচ্ছতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে এবং বলেছে যে, তারা শান্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার নিশ্চিত করতে চায়।
গাজা যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে রূপান্তর করা এখন নির্ভর করছে হামাসের অস্ত্র ত্যাগ করা এবং ইসরায়েলের সৈন্য প্রত্যাহারের ওপর। মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, হামাস ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা গ্রহণে এবং অস্ত্র ত্যাগে রাজি হওয়ার সংকেত দিয়েছে। আগামী ৬০ দিন এই প্রক্রিয়া শুরু করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘মিসর, তুরস্ক এবং কাতারের সহায়তায় আমরা হামাসের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি নিশ্চিত করব, যার মধ্যে থাকবে সব অস্ত্র সমর্পণ এবং প্রতিটি সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘হামাসকে অবিলম্বে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের কাছে শেষ মৃতদেহটি হস্তান্তর এবং দেরি না করে পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণে যাওয়া। আমি আগেও বলেছি, তারা এটি সহজভাবে করতে পারে অথবা কঠিনভাবে।’
শনিবার হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, আর্মি জেনারেল জ্যাসপার জেফারস গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জেফারস ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব বিষয় তদারকি করবেন, গাজা উপত্যকা নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করবেন এবং মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন সামগ্রী যেন হামাসের হাতে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে তদারকি করবেন।

গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা নেতানিয়াহু প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটি আমাদের প্রদর্শনী, তাঁর নয়।’ তিনি বলেন, ‘গাজায় গত কয়েক মাসে আমরা এমন কিছু করতে পেরেছি যা কেউ সম্ভব বলে ভাবেনি এবং আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখব।’
গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস গাজার জন্য যে ‘এক্সিকিউটিভ বোর্ড’ বা নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করেছে, তার বিরোধিতা করে নেতানিয়াহু এক অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ বিবৃতি দেন। ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের এর অধীনে থাকা এই কমিটিতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন, যদিও নেতানিয়াহুর দাবি ছিল যে—গাজা শাসনে এই দেশগুলোর কোনো ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এই দেশগুলোর নেতাদের রেখে ঘোষণা দেওয়ায় নেতানিয়াহু স্তব্ধ হয়ে যান। কারণ, তাঁর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো দ্রুত এই খবর প্রচার শুরু করে যে কাতার এবং তুরস্ক—যারা গাজা চুক্তির প্রধান মধ্যস্থতাকারী কিন্তু ইসরায়েলের সাথে যাদের বৈরী সম্পর্ক রয়েছে—তারা এখন সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বলা হয়, ‘এই ঘোষণাটি ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে করা হয়নি এবং এটি আমাদের নীতির পরিপন্থী। প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি তোলার নির্দেশ দিয়েছেন।’
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মার্কিন কর্মকর্তা অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, কমিটির সদস্যপদ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি কারণ এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। তিনি আরও বলেন, ‘তিনি যদি চান আমরা গাজা নিয়ে কাজ করি, তবে সেটা আমাদের পথেই হতে হবে। আমরা তাঁকে এড়িয়েই কাজ করেছি। তাঁকে ইরান নিয়ে মনোযোগ দিতে দিন এবং আমাদের গাজা সামলাতে দিন। আমরা তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়াব না। তিনি তাঁর রাজনীতি করবেন আর আমরা আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাব। তিনি আসলে আমাদের বিরুদ্ধে যেতে পারবেন না।’
ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন যে, যদি না নেতানিয়াহু পুনরায় গাজায় ইসরায়েলি সৈন্য পাঠাতে চান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই ইস্যু থেকে সরিয়ে দিতে চান, তবে তাঁকে অবশ্যই মার্কিন পরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে সাহায্য করছি। এটি ব্যর্থ হলে তিনি বলতে পারবেন—আমি তো আগেই বলেছিলাম। আর আমরা জানি এটি সফল হলে তিনি এর কৃতিত্ব দাবি করবেন।’
পর্দার আড়ালে ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও, ট্রাম্পের টিমের অনেকেই গাজা এবং অন্যান্য বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কট্টর অবস্থানে বিরক্ত। তাঁরা এই চিন্তাতেও আছেন যে, চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে যদি গতি আনা না যায়, তবে ইসরায়েল আবারও যুদ্ধ শুরু করবে। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, নেতানিয়াহু এই পরিকল্পনা সফল হওয়া নিয়ে সংশয়ে থাকলেও এর বিষয়বস্তু তাঁর পছন্দ হয়েছে।
আগামী সপ্তাহে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ট্রাম্প ‘গাজা বোর্ড অব পিস’ চালু করতে চান। তিনি বুধবার গাজার দৈনন্দিন শাসন পরিচালনার জন্য একটি নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার ঘোষণা করেছেন, যার নেতৃত্বে থাকবেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন পরিবহন উপমন্ত্রী আলি শাথ। জাতিসংঘের সাবেক দূত নিকোলে ম্লাদেনভ গাজার জন্য বোর্ড অফ পিসের হাই রিপ্রেজেনেটিভ বা উচ্চ প্রতিনিধি বা কার্যকরভাবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে কাজ করবেন। ম্লাদেনভ একটি আন্তর্জাতিক নির্বাহী বোর্ডের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন, যার সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, বিলিয়নেয়ার ব্যবসায়ী মার্ক রোয়ান, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রীগণ, মিশরের গোয়েন্দা প্রধান, ইসরায়েলি-সাইপ্রিয়ট বিলিয়নেয়ার ইয়াকির গ্যাবে এবং জাতিসংঘের সাবেক গাজা দূত সিগরিড কাগ।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, এই বোর্ডের প্রতিটি সদস্য গাজার স্থিতিশীলতার জন্য নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও বা দায়িত্ব সামলাবেন, যার মধ্যে রয়েছে শাসনক্ষমতা তৈরি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বড় ধরনের অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
শনিবার ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার তাদের লক্ষ্য বা ‘মিশন স্টেটমেন্ট’ প্রকাশ করেছে, যেখানে শান্তির প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা, জরুরি পরিষেবা পুনরুদ্ধার এবং শান্তি, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে একটি সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
নতুন সরকার সততা ও স্বচ্ছতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে এবং বলেছে যে, তারা শান্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার নিশ্চিত করতে চায়।
গাজা যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে রূপান্তর করা এখন নির্ভর করছে হামাসের অস্ত্র ত্যাগ করা এবং ইসরায়েলের সৈন্য প্রত্যাহারের ওপর। মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, হামাস ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা গ্রহণে এবং অস্ত্র ত্যাগে রাজি হওয়ার সংকেত দিয়েছে। আগামী ৬০ দিন এই প্রক্রিয়া শুরু করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘মিসর, তুরস্ক এবং কাতারের সহায়তায় আমরা হামাসের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি নিশ্চিত করব, যার মধ্যে থাকবে সব অস্ত্র সমর্পণ এবং প্রতিটি সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘হামাসকে অবিলম্বে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের কাছে শেষ মৃতদেহটি হস্তান্তর এবং দেরি না করে পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণে যাওয়া। আমি আগেও বলেছি, তারা এটি সহজভাবে করতে পারে অথবা কঠিনভাবে।’
শনিবার হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, আর্মি জেনারেল জ্যাসপার জেফারস গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জেফারস ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব বিষয় তদারকি করবেন, গাজা উপত্যকা নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করবেন এবং মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন সামগ্রী যেন হামাসের হাতে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে তদারকি করবেন।

গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
১ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে বর্তমান শাসনকাঠামো ও নেতৃত্ব পরিবর্তনের সময় এসে গেছে। গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ৩৭ বছরের শাসনের অবসান ঘটানোর এই আহ্বান জানান। খবর পলিটিকোর
২ ঘণ্টা আগে
ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
১১ ঘণ্টা আগে