
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময়ই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি সরকারি কার্যক্রমে ব্যয় কমাতে ও সরকারি দপ্তরগুলোকে দক্ষ করে তুলতে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডিওজিই) বা সরকারি কর্মদক্ষতা বিভাগ চালু করবেন। নির্বাচনে জয়ের পর বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ও রিপাবলিকান রাজনীতিবিদ বিবেক রামাস্বামীকে তিনি সেই দপ্তর পরিচালনার জন্য মনোনীত করেন।
সম্প্রতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিবেক রামাস্বামী ডিওজিই থেকে পদত্যাগ করেছেন। অনেকের অনুমান, ইলন মাস্কই রামাস্বামীর পদত্যাগের বিষয়টি ত্বরান্বিত করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিওজিইর দায়িত্ব নেওয়ার পর মাস্কের প্রথম পদক্ষেপই ছিল রামাস্বামীকে সরিয়ে দেওয়া। এই বিষয়টি ভারতীয়র মধ্যে নানা গুঞ্জন তৈরি করেছে। এমনকি খোদ ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অন্দরেও নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে পলিটিকোকে বলেছেন, প্রযুক্তি টাইকুন ইলন মাস্ক কিছুদিন আগেই রামাস্বামীকে ডিওজিই থেকে সরানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন বলে তিনজন ব্যক্তি জানিয়েছেন। অভিবাসীদের দেওয়া ভিসা এইচ-১বি নিয়ে রামাস্বামীর বিতর্কিত এক পোস্ট মাস্কের জন্য পদক্ষেপটি আরও সহজ করে দেয়।
গত নভেম্বরে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর মাত্র ৬৯ দিনের মাথায় রামাস্বামী এই ঘোষণা দেন। আগামী সপ্তাহে তিনি ওহাইওর গভর্নর পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন। রামাস্বামীকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্প প্রশাসনে মাস্কের বাড়তি প্রভাবের একটি বড় ইঙ্গিত। এই বিষয়টিতে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের মতোই তাঁর প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের আরেকটি উদাহরণ।
রিপাবলিকান কৌশলবিদ ও নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘তিনি (রামাস্বামী একের পর এক সংযোগ ধ্বংস করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত ইলনকেও ক্ষুব্ধ করেছেন। সবাই চায়, তিনি মার-এ-লাগো এবং ওয়াশিংটন ডিসি থেকে সরে যান।’
রিপাবলিকান পার্টিতে রামাস্বামীকে নিয়ে অস্বস্তির মূল কারণ এইচ-১বি ভিসা নিয়ে তাঁর বিতর্কিত পোস্ট। গত ডিসেম্বরের শেষে রামাস্বামী মার্কিন সংস্কৃতির সমালোচনা করে বলেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন এক ধরনের মানসিকতা লালন করে যেখানে প্রকৃত মেধাবীদের তুলনায় সাধারণকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়।
ওই তিন সূত্রের একজন বলেছেন, ‘তারা (রিপাবলিকানরা রামাস্বামীর) টুইটের অনেক আগেই তাঁকে বের করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এই টুইট প্রকাশিত হওয়ার তাঁকে সরানোর প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়।’ ডিওজিই—এর ঘনিষ্ঠ একজন বলেছেন, মাস্ক মনে করেন, রামাস্বামীর পক্ষে ডিওজিইতে কাজ করা এবং গভর্নরের প্রচারণা চালানো একসঙ্গে সম্ভব নয়।
এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের ট্রানজিশন মুখপাত্র আনা কেলি রামাস্বামীর প্রশংসা করে বলেন, রামাস্বামী ডিওজিই গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু গভর্নর প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনার কারণে তাঁকে এই বিভাগ থেকে বাইরে থাকতে হবে।
গত শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্তও রামাস্বামী তাঁর ঘনিষ্ঠদের বলেন যে, তিনি ডিওজিইতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন এবং নির্বাহী আদেশ দিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই বিষয়ে অবগত এক ব্যক্তি বলেছেন, ডিসেম্বরের শুরু থেকে রামাস্বামী ডিওজিই সংশ্লিষ্ট কোনো কাজ করেননি। তবে এই পরিস্থিতিতেও গত সপ্তাহ পর্যন্ত রামাস্বামী কিছু সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করছিলেন, যাতে তিনি সুনাম বজায় রেখে গভর্নর প্রার্থিতা ঘোষণা করতে পারেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময়ই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি সরকারি কার্যক্রমে ব্যয় কমাতে ও সরকারি দপ্তরগুলোকে দক্ষ করে তুলতে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডিওজিই) বা সরকারি কর্মদক্ষতা বিভাগ চালু করবেন। নির্বাচনে জয়ের পর বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ও রিপাবলিকান রাজনীতিবিদ বিবেক রামাস্বামীকে তিনি সেই দপ্তর পরিচালনার জন্য মনোনীত করেন।
সম্প্রতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিবেক রামাস্বামী ডিওজিই থেকে পদত্যাগ করেছেন। অনেকের অনুমান, ইলন মাস্কই রামাস্বামীর পদত্যাগের বিষয়টি ত্বরান্বিত করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিওজিইর দায়িত্ব নেওয়ার পর মাস্কের প্রথম পদক্ষেপই ছিল রামাস্বামীকে সরিয়ে দেওয়া। এই বিষয়টি ভারতীয়র মধ্যে নানা গুঞ্জন তৈরি করেছে। এমনকি খোদ ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অন্দরেও নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে পলিটিকোকে বলেছেন, প্রযুক্তি টাইকুন ইলন মাস্ক কিছুদিন আগেই রামাস্বামীকে ডিওজিই থেকে সরানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন বলে তিনজন ব্যক্তি জানিয়েছেন। অভিবাসীদের দেওয়া ভিসা এইচ-১বি নিয়ে রামাস্বামীর বিতর্কিত এক পোস্ট মাস্কের জন্য পদক্ষেপটি আরও সহজ করে দেয়।
গত নভেম্বরে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর মাত্র ৬৯ দিনের মাথায় রামাস্বামী এই ঘোষণা দেন। আগামী সপ্তাহে তিনি ওহাইওর গভর্নর পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন। রামাস্বামীকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্প প্রশাসনে মাস্কের বাড়তি প্রভাবের একটি বড় ইঙ্গিত। এই বিষয়টিতে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের মতোই তাঁর প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের আরেকটি উদাহরণ।
রিপাবলিকান কৌশলবিদ ও নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘তিনি (রামাস্বামী একের পর এক সংযোগ ধ্বংস করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত ইলনকেও ক্ষুব্ধ করেছেন। সবাই চায়, তিনি মার-এ-লাগো এবং ওয়াশিংটন ডিসি থেকে সরে যান।’
রিপাবলিকান পার্টিতে রামাস্বামীকে নিয়ে অস্বস্তির মূল কারণ এইচ-১বি ভিসা নিয়ে তাঁর বিতর্কিত পোস্ট। গত ডিসেম্বরের শেষে রামাস্বামী মার্কিন সংস্কৃতির সমালোচনা করে বলেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন এক ধরনের মানসিকতা লালন করে যেখানে প্রকৃত মেধাবীদের তুলনায় সাধারণকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়।
ওই তিন সূত্রের একজন বলেছেন, ‘তারা (রিপাবলিকানরা রামাস্বামীর) টুইটের অনেক আগেই তাঁকে বের করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এই টুইট প্রকাশিত হওয়ার তাঁকে সরানোর প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়।’ ডিওজিই—এর ঘনিষ্ঠ একজন বলেছেন, মাস্ক মনে করেন, রামাস্বামীর পক্ষে ডিওজিইতে কাজ করা এবং গভর্নরের প্রচারণা চালানো একসঙ্গে সম্ভব নয়।
এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের ট্রানজিশন মুখপাত্র আনা কেলি রামাস্বামীর প্রশংসা করে বলেন, রামাস্বামী ডিওজিই গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু গভর্নর প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনার কারণে তাঁকে এই বিভাগ থেকে বাইরে থাকতে হবে।
গত শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্তও রামাস্বামী তাঁর ঘনিষ্ঠদের বলেন যে, তিনি ডিওজিইতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন এবং নির্বাহী আদেশ দিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই বিষয়ে অবগত এক ব্যক্তি বলেছেন, ডিসেম্বরের শুরু থেকে রামাস্বামী ডিওজিই সংশ্লিষ্ট কোনো কাজ করেননি। তবে এই পরিস্থিতিতেও গত সপ্তাহ পর্যন্ত রামাস্বামী কিছু সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করছিলেন, যাতে তিনি সুনাম বজায় রেখে গভর্নর প্রার্থিতা ঘোষণা করতে পারেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
১ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১১ ঘণ্টা আগে