
যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া শহরের একটি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৬টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফিলাডেলফিয়া দমকল বাহিনীর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে আট শিশুও রয়েছে।
এ নিয়ে ফিলাডেলফিয়া দমকল বাহিনীর কমিশনার ক্রেইগ মারফি জানান, তাঁর দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ আগুন ছিল এটি। তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু না বললেও যেহেতু এখানে প্রাণহানি হয়েছে, তাই আমরা এর তদন্ত করব।’
মারফি জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর আট বাসিন্দা ভবনটি থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনতলা ভবনটিতে ২৬ জন বাসিন্দা ছিলেন।
আগুন লাগা এই ভবন সরকারি অর্থায়নে নির্মিত হয়েছিল। এটি ফিলাডেলফিয়া হাউজিং অথরিটির তত্ত্বাবধানে ছিল। ১৯৫০ সাল থেকেই এটিকে দুটি অ্যাপার্টমেন্টে বিভক্ত করা হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, সর্বশেষ ২০২০ সালে ভবনটি পরিদর্শন করা হয়েছিল। সে সময় ভবনটিতে চারটি স্মোক ডিটেক্টর কার্যকর ছিল। তবে বুধবারের ওই আগুনের সময় সেগুলো কোনো কাজ করেনি।
এক সংবাদ সম্মেলনে ফিলাডেলফিয়ার মেয়র জিম কেনি বলেন, এটি শহরের ইতিহাসে সবচেয়ে বিপর্যয়কর দিনগুলোর একটি। এইভাবে এত মানুষের মৃত্যু সত্যিই অনেক কষ্টের। একসঙ্গে এতগুলো শিশুর মৃত্যুও বেদনার।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৬ মিনিট আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
১৩ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
২ ঘণ্টা আগে