
যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি শহরে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৪০ জনেরও বেশি মানুষ। স্থানীয় সময় শনিবার রাত এবং রোববার সকালের পৃথক সময়ে ফিলাডেলফিয়া, টেনেসি, মিশিগান, সাউথ ক্যারোলিনার ক্ল্যারেন্ডন কাউন্টি এবং অ্যারিজোনায় এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের পৃথক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলাডেলফিয়া পুলিশ জানিয়েছে শনিবার রাতে দুই লোকের মধ্যকার বাগ্বিতণ্ডা একপর্যায়ে বন্দুকযুদ্ধে গড়ায়। এ সময় একটি জনাকীর্ণ বারে গুলি চালালে ৩ জনের মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হন অন্তত ১২ জন। শনিবার মধ্যরাতে টেনেসির শ্যাতানুগায় একটি বারে গোলাগুলির ঘটনা ঘটলে সেখানেও ৩ জনের মৃত্যু হয়। সেখানে আহত হন আরও ১৪ জন।
এদিকে, স্থানীয় সময় রোববার সকালে মিশিগানের সাগিনাউয়ে বন্দুকধারীদের গুলিতে ৩ জন মারা যান। এ সময় আহত হন আরও ২ জন। অন্যদিকে, দেশটির সাউথ ক্যারোলিনার ক্ল্যারেন্ডন শহরের গোলাগুলির ঘটনায় ৫ তরুণসহ ১২ বছর বয়সী এক শিশু ভয়াবহভাবে আহত হয়। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে গুলি চালালে ওই ৬ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি একজনের মৃত্যুও হয়।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যারিজোনায় একটি বারের বাইরে গুলি চালালে দুজনের মৃত্যু হয় এবং এ সময় আরও ২ জন গুরুতর আহত হন। অপরদিকে, অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরে আরেকটি পৃথক ঘটনায় বন্দুকধারীর গুলিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হন আরও ৮ জন।
এসব ঘটনায়, পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীদের গুলিতে সাধারণ নাগরিকদের প্রাণহানি নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। দেশটির আইনপ্রণেতারা ব্যক্তিগত বন্দুক রাখার আইন নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। এক পক্ষ চায়, সাধারণ নাগরিকদের কাছে বন্দুক রাখার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখা হোক, অপর পক্ষের দাবি এই অধিকার আরও সীমিত করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি শহরে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৪০ জনেরও বেশি মানুষ। স্থানীয় সময় শনিবার রাত এবং রোববার সকালের পৃথক সময়ে ফিলাডেলফিয়া, টেনেসি, মিশিগান, সাউথ ক্যারোলিনার ক্ল্যারেন্ডন কাউন্টি এবং অ্যারিজোনায় এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের পৃথক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলাডেলফিয়া পুলিশ জানিয়েছে শনিবার রাতে দুই লোকের মধ্যকার বাগ্বিতণ্ডা একপর্যায়ে বন্দুকযুদ্ধে গড়ায়। এ সময় একটি জনাকীর্ণ বারে গুলি চালালে ৩ জনের মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হন অন্তত ১২ জন। শনিবার মধ্যরাতে টেনেসির শ্যাতানুগায় একটি বারে গোলাগুলির ঘটনা ঘটলে সেখানেও ৩ জনের মৃত্যু হয়। সেখানে আহত হন আরও ১৪ জন।
এদিকে, স্থানীয় সময় রোববার সকালে মিশিগানের সাগিনাউয়ে বন্দুকধারীদের গুলিতে ৩ জন মারা যান। এ সময় আহত হন আরও ২ জন। অন্যদিকে, দেশটির সাউথ ক্যারোলিনার ক্ল্যারেন্ডন শহরের গোলাগুলির ঘটনায় ৫ তরুণসহ ১২ বছর বয়সী এক শিশু ভয়াবহভাবে আহত হয়। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে গুলি চালালে ওই ৬ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি একজনের মৃত্যুও হয়।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যারিজোনায় একটি বারের বাইরে গুলি চালালে দুজনের মৃত্যু হয় এবং এ সময় আরও ২ জন গুরুতর আহত হন। অপরদিকে, অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরে আরেকটি পৃথক ঘটনায় বন্দুকধারীর গুলিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হন আরও ৮ জন।
এসব ঘটনায়, পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীদের গুলিতে সাধারণ নাগরিকদের প্রাণহানি নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। দেশটির আইনপ্রণেতারা ব্যক্তিগত বন্দুক রাখার আইন নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। এক পক্ষ চায়, সাধারণ নাগরিকদের কাছে বন্দুক রাখার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখা হোক, অপর পক্ষের দাবি এই অধিকার আরও সীমিত করতে হবে।

ইরানে আন্দোলনকারীদের ওপর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘আল-উদেইদ’ থেকে কিছু...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান কঠোর দমন–পীড়নের মধ্যে দেশটি ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করছেন বহু ইরানি নাগরিক। বুধবার ইরান–তুরস্ক সীমান্তের কাপিকয় সীমান্ত ফটক দিয়ে ডজনখানেক ইরানি পরিবার ও ব্যক্তি তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় ভান প্রদেশে প্রবেশ করেন।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে
২ ঘণ্টা আগে